১৬ দিনে পড়ল চাকরিহারাদের আন্দোলন। যে আন্দোলন তারা চালিয়ে যাচ্ছেন বিকাশ ভবনের সামনে। তাদের প্রতিবাদী কন্ঠস্বর থেকে প্রতিনিয়ত ধ্বনিত হচ্ছে,উই ওয়ান্ট জাস্টিস। তবে চাকরিহারাদের নিয়ে এইবার বড় রায় দিল আদালত। বিকাশ ভবনের সামনে রাস্তা জুড়ে বিক্ষোভ নয়, সেন্ট্রাল পার্কের সুইমিং পুল লাগোয়া অঞ্চলে চাকরি হারাদের আন্দোলন চলবে। শর্তসাপেক্ষে অনুমতি দিয়ে দিল কলকাতা হাইকোর্ট। ২০০ জন করে আন্দোলনকারী রোটেশনাল পদ্ধতিতে অবস্থান-বিক্ষোভ করতে পারবেন। অর্থাৎ প্রত্যেককে অল্টারনেট করে বসতে পারবে ধর্নায়। এমনকি দশজনের নাম পুলিশের কাছে জমা রাখতে হবে। কোথায় কিভাবে অবস্থানে বসবেন চাকরিহারা শিক্ষকরা, সেটা স্পষ্ট করে জানিয়ে দেয় আদালত। পাশাপাশি পুলিশ যাতে ধীরে চলো নীতি অবলম্বন করে অর্থাৎ কোনও রকম কড়া পদক্ষেপ করতে পারবে না, সেটাও স্পষ্ট করে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি আদালত তাদের শৌচালয় এবং খাওয়ার জল সমস্ত কিছুর ব্যবস্থার নির্দেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি আদালত জানায়, রাজ্যকে মানবিক হতে হবে। অর্থাৎ কোনও রকম নিরীহ চাকরি হারাদের ওপর লাঠিচার্জ করবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে আদালত। এই রায়ের পর কি বলছেন চাকরি হারা শিক্ষকরা, শুনুন
চাকরি হওয়ার শিক্ষকদের ওপর লাঠিচার্জ করেছিল পুলিস। শুধু তাই নয়, লাথি মেরেছিল আইনের রক্ষক। যা নিয়ে তুমুল বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছিল। এতটা অমানবিক আচরণ কি করে করতে পারে পুলিশ, নানা মহলে সমালোচনার ঝড় উঠেছিল। তাই আরও একবার আদালত স্মরণ করিয়ে দিয়ে, স্পষ্ট রায় দিয়ে দেয়, কোনও রকম কড়া পদক্ষেপ করা যাবে না চাকরি হারাদের উপর। শুধু তাই নয়, এর আগে চাকরি হারা শিক্ষকরা অভিযোগ তুলেছিলেন, তাদের মিথ্যে মামলায় জড়ানো হয়েছে। সেই বিষয়েও স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে আদালত।
আমেরিকা কি ভারতের বন্ধু? মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক একটি মন্তব্যের নিরিখে বিচার করলে অবশ্যই বলতে হবে তিনি এবং তাঁর...
Read more












Discussion about this post