২০২২ সালে শুভেন্দু অধিকারীকে দেওয়া রক্ষাকবচ প্রত্যাহার করে নিল কলকাতা হাইকোর্ট। যার ফলে তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআর করতে গেলে আদালতের অনুমতি প্রয়োজন হবে না। অর্থাৎ ফের অস্বস্তি বাড়ল বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর।
সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধাকারীর ভাগ্যে কি রয়েছে? এই প্রশ্ন উঠছে। এদিকে বিচারপতি জয় সেনগুপ্তের বেঞ্চ বিরোধী দলনেতার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া ১৫টি এফআইআর বাতিল করে দিয়েছে। প্রসঙ্গত, ২০২২ সালে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা রক্ষাকবচ দিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারীকে। এমনকি পুলিশের দায়ের করা ২৬টি এফআইআরে স্থগিতাদেশ দিয়েছিলেন। এরপরই নির্দেশ দেওয়া হয়, শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে এফআইআর করতে গেলে আদালতের অনুমতি নিতে হবে। এর পরিপ্রেক্ষিতে রক্ষাকবচের বিরুদ্ধে আদলতের দ্বারস্থ হয় রাজ্য সরকার। শুক্রবার হয়েছে রায়দান। বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত জানান, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে রক্ষাকবচের যে রায় ছিল, সেটা অন্তবর্তীকালীন নির্দেশ। তাই ওই নির্দেশ প্রত্যাহার করা হচ্ছে। যদিও শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া ১৫টি মামলা খারিজ করে দিয়েছে আদালত। এদিকে ৫টি মামলাতে সিবিআই এবং রাজ্যের যুগ্ম সিট গঠন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ওই সিটে জানা যাচ্ছে, রাজ্য পুলিশের যত জন প্রতিনিধি থাকবেন, ততজনই থাকবেন সিবিআইয়ের তরফে। অনেকেই বলছেন ভোটের আগে এই রায় বেশ চাপে ফেলে দিয়েছে বিরোধী দলনেতাকে। এই বিষয়ে কি বলছেন তৃণমূল সাংসদ তথা আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় শুনুন
তবে রক্ষাকবচ প্রত্যাহার করা হল, এটা বলা ঠিক হবে না বলে জানান শুভেন্দু অধিকারীর আইনজীবী বিল্বদল ভট্টাচার্য।এদিকে বিষয়টি নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন তৃণমূল নেতা তথা মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। তিনি বলেছেন, এতদিন রাজ্য যা বলতে চেয়েছিল, সেটাই রায় দিল হাইকোর্ট। এতদিন শুভেন্দু অধিকারী রক্ষাকবচের উপর ভর করে বিভিন্ন মন্তব্য করে যাচ্ছিলেন। আর কি বললেন তিনি শুনুন..
বাইট- কুণাল ঘোষ, তৃণমূল মুখপাত্র












Discussion about this post