মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বীরভূম সফরের আগে জরুরী ভিত্তিতে জেলা তৃণমূলের কোর কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হলো বোলপুরে তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ে। ২১ জুলাই মঞ্চে জায়গা না পেলেও বোলপুরের দলীয় কার্যালয়ে জেলা তৃণমূলের কোর কমিটির বৈঠকে অবশ্য দেখা গেল কেষ্টকে।
২১ জুলাই মঞ্চে জায়গা হয়নি বীরভূমের তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডলের, মঞ্চের আশপাশে কোথাও চোখে পড়েনি কেষ্টর দাবি তৃণমূলের একাংশ নেতাদের। ফলে দলের সঙ্গে দূরত্ব বাড়ছে অনুব্রতর তা নিয়ে শুরু হয়েছে জল্পনা। বোলপুরের ওসি–কে ফোনে কুকথা বলার পর থেকেই কেষ্টকে নিয়ে বিড়ম্বনায় তৃণমূল। আগামী ২৭–২৮ জুলাই নাগাদ বীরভূমে জেলা সফরে যাবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই আবহে বোলপুরের দলীয় কার্যালয়ে জেলা তৃণমূলের কোর কমিটির বৈঠকে অবশ্য দেখা গেল কেষ্টকে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বীরভূমে যেমন প্রশাসনিক সভা করবেন তেমনই বাংলাভাষীদের উপরে আক্রমণের প্রতিবাদে বোলপুরে পদযাত্রাও করবেন বলে জানা যাচ্ছে। তৃণমূলের কোর কমিটির বৈঠকে ছিলেন বিধানসভার উপাধ্যক্ষ তথা কোর কমিটির চেয়ারম্যান আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়, রাজ্যের কারামন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিংহ, , জেলা পরিষদের সভাধিপতি কাজল শেখ, লাভপুরের বিধায়ক অভিজিৎ সিংহ, সিউড়ির বিধায়ক বিকাশ রায়চৌধুরী ও তৃণমূল নেতা সুদীপ্ত ঘোষ। কমিটির সাম্মানিক সদস্য ও দুই তৃণমূল সাংসদ অসিত মাল ও শতাব্দী রায় সংসদে অধিবেশনের জন্য দিল্লিতে রয়েছেন।
বিধানসভার উপাধ্যক্ষ তথা বীরভূম জেলা কোর কমিটির চেয়ারম্যান আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘জননেত্রী আসছেন তাঁরই কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা হল। পাশাপাশি বাংলাভাষীদের উপরে আক্রমণের প্রতিবাদে মুখ্যমন্ত্রীর পদযাত্রার রুপরেখা প্রস্তুত করা হল আজকের আলোচনায়। জেলায় দলের সব নেতা, পদাধিকারদের আসতে বলা হয়েছে সকলেই এসেছেন।
উল্লেখ্য, এই মুহূর্তে বীরভূম জেলায় কাজল-কেষ্ট দ্বন্দ্ব সর্বজনবিদ্ধিত, সেই আবহে বীরভূম সফরে আসছেন মুখ্যমন্ত্রী তাই এই সফর তাৎপর্যপূর্ণ। মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে কাজল-কেষ্ট দ্বন্দ্বের অবসান হয় নাকি সেটাই দেখার।












Discussion about this post