একদিকে গোপালগঞ্জে গুলি চালানোর ঘটনায় মৃত্যুর ঘটনা। অন্যদিকে বাংলাদেশে ঘটে গিয়েছে ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনা। যা ঘিরে উত্তাল পরিস্থিতি। কিন্তু বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূস যমুনা থেকে বেরিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যাননি। তিনি মানুষের সামনে আসছেন না কেন? প্রশ্ন উঠে যাচ্ছে। শেষ তাকে দেখা গিয়েছিল, সেনা সদর দফতরে একটি অনুষ্ঠানে। যেখানে উপস্থিত ছিলেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার উজ জামান। তারপর সাত দিন কেটে গিয়েছে। তাকে দেখা যাচ্ছে না। এদিকে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের উপর বিমান পরে গিয়ে একাধিক জনের মৃত্যু হয়েছে এবং একাধিক জন আহত হয়েছে। তাদের হাসপাতালে দেখতে পর্যন্ত যাননি প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূস। এদিকে গত বছর জুলাই আন্দোলনের সময় আহত ছাত্র ছাত্রীদের দেখতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছুটে গিয়েছিলেন। যারা শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আন্দোলন করছিল। যদিও শেষ রক্ষা হয়নি। কিন্তু মানবিকতার খাতিরে তিনি পৌঁছে গিয়েছিলেন। আসলে ইউনূস ভয় পাচ্ছেন। তিনি মনে করছেন, তার আমলে হয়ে চলা একাধিক দুর্নীতির প্রসঙ্গ তুলে যদি তারা ঘেরাও করে? ঠিক যেমনটা তার আরও দুই উপদেষ্টাকে হতে হয়েছে। বলছেন বিশেষজ্ঞরা। নাহলে তিনি যাচ্ছেন না কেন? তবে কি তাকে কেউ আটকে রেখেছে যমুনায়? কেন মুখে কুলুপ এঁটেছেন তিনি? এই প্রশ্ন তুলছেন বাংলাদেশেরই মানুষ।
অনেকে আবার প্রশ্ন তুলছেন, তিনি কি ব্যক্তিগত কারণে ব্যস্ত? তাই জনসম্মুখে আসছেন না? রাজনৈতিক ওয়াকিবহাল মহল বলছে, আসলে পদত্যাগের নাটক, নির্বাচন নিয়ে গড়িমসি, দেশের যে কোন ঘটনায় আওয়ামী লীগের ঘাড়ে দোষ চাপিয়ে দেওয়া। এগুলো মানুষ ধরে ফেলেছে। এবং তিনি সামনে এলে তাকে ঘিরে ধরে মানুষ জবাব চাইতে পারে। সেই কারণেই তিনি যমুনা থেকে বেরোচ্ছেন না।
কেউ কেউ আবার বলছেন, তিনি জামাত ও এনসিপি দলের নজরবন্দি হয়ে রয়েছেন। কারণ তারা যে ষড়যন্ত্র করেছে বা পরিকল্পনা করেছে, সেটা যাতে কোনভাবেই বাইরে না আসে। আর সেই কারণেই তিনি যমুনাতে গৃহবন্দি হয়ে রয়েছেন। এমনকি তিনি বিপদে পড়লে রাজনৈতিক দলগুলির সঙ্গে যেমন বৈঠক করেন, ঠিক একইভাবে এবারও বৈঠক করলেন। তিনি বোঝাতে চাইলেন, তার সঙ্গে প্রত্যেকে রয়েছে। তবে রাজনৈতিক দলগুলি ইউনূসের বিরুদ্ধে সুর চড়াতে ভোলেনি। ফলে সব মিলিয়ে আসলে শেষমেষ তার কি পরিণতি হতে চলেছে, সেটাই সবথেকে বড় প্রশ্ন।












Discussion about this post