শরীরে প্রোটিনের প্রয়োজন মেটাতে প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া অবশ্যই দরকার। বেশ কয়েকটি খাবারে প্রোটিন থাকে। যেমন মুসুর ডাল, সোয়াবিন, দুধ, মাংস, ডিম , মাছ ইত্যাদি। মুরগির ডিম প্রোটিনের একটি খুব ভালো উৎস। তবে মুরগির মাংস তেও যথেষ্ট পরিমাণে প্রোটিন থাকে। মূলত আমিষ খাবারই প্রোটিনের পরিমাণ বেশি থাকে। সে ডিম হোক কিংবা মাংস, প্রথম সারিতে রাখা হয় এই দুই খাবারকে। কিন্তু আমরা প্রায়ই মতপার্থক্যে ভুগি, যে ডিম না দুধ কোনটা ভালো প্রোটিনের উৎস।
স্বাদ ও স্বাস্থ্যের নজর এক সাথে রাখা যায় বলে, মুরগির ডিম ও মাংস খুব জনপ্রিয় প্রতিটা মানুষের কাছে। ৮-৮০ মুরগির মাংসের তৈরি খাবার খেতে আমরা প্রত্যেকে ভালোবাসি। বিশেষ করে ছুটির দিন মুরগির মাংস ছাড়া বাঙালির চলে না। কব্জি ডুবিয়ে মাংস ভাত খেতে সকলেই ভালোবাসেন। মটন যেহেতু রেড মিট এবং ক্যালোরি ও চর্বির পরিমাণ ও খুব বেশি থাকে তাই ডায়াবেটিস থেকে শুরু করে উচ্চ রক্তচাপের ব্যক্তিরা খাসির মাংসের তুলনায় মুরগির মাংস বেশি খান।
অন্য দিকে পিছিয়ে নেই ডিমও। বিশেষ করে ডিমের সাদা অংশে প্রোটিন আছে সব চেয়ে বেশি। ডিম প্রোটিনের সব থেকে ভালো উৎস। একটি গোটা ডিমে প্রোটিনের পরিমাণ ৬ গ্রাম। তবে প্রোটিনের পরিমাণের দিক থেকে মুরগির মাংস এক ধাপ এগিয়ে আছে। মুরগির মাংসে আছে ভিটামিন বি , ফসফেরাস , মিনারেলস।
মুরগির ডিমে রয়েছে অতি মূল্যবান ওমেগা-৩, যা হৃৎপিণ্ডকে কার্যকর রাখতে সাহায্য করে। কোলিন ডিমের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান, যা গর্ভবতী মায়ের মস্তিষ্কজনিত জটিলতা দূরীকরণে সহায়তা করে, গর্ভাবস্থায় শিশুর মেধা ও স্মৃতি বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। ডিমে আছে ফলিক অ্যাসিড অথবা ফোলেট, যা ত্রুটিপূর্ণ সন্তান জন্মদানের ঝুঁকি কমায়।
তবে ডিম হোক কিংবা মাংস দুটোই পুষ্টিগুণে অপরিসীম। তবে পুষ্টিবিদরা জানাচ্ছেন, ডিমের থেকে পুষ্টিগুণে বেশি সমৃদ্ধ মাংস। অন্যদিকে প্রোটিন কম থাকলেও অন্যান্য পুষ্টিগুনের দিক থেকে ডিম এগিয়ে । তাই শরীরের স্বাস্থ্য অনুযায়ী আমাদেরকে ডিম ও মাংস উভয় খেতে হবে। যাতে আমাদের শরীরের অন্যান্য উপাদান গুলির ঘাটতি না হয়।
বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বন। এর মধ্যে অনেক পার্বনই আছে যা গোটা দেশেই পালন করা হয়, তবে অন্য নামে। যেমন...
Read more












Discussion about this post