বীরভূমের প্রশাসনিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেন গ্রামের রাস্তা দিয়ে প্রশাসনের একাংশের সহযোগিতায় লাগাতার চলছে ওভারলোডিং। এরপরই বাঁকুড়া জেলা পরিষদের সভাপতি অনুসূয়া রায় সক্রিয় হন ওভারলোডিং রুখতে। পরিদর্শনে করেন বালি মজুদ স্থান থেকে বালির গাড়ি ওজনের জায়গা পর্যন্ত।
বালি মাফিয়া ও প্রশাসনের যোগসাজশের অভিযোগ ছিল দীর্ঘদিনের। ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীদের এই অভিযোগকে কার্যত দিলেন সিলমোহর দিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বীরভূমের প্রশাসনিক বৈঠকে জেলা পদাধিকারীদের উদ্দেশ্য করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ আসছে গ্রামের রাস্তা দিয়ে প্রশাসনের একাংশের সহযোগিতায় লাগাতার চলছে ওভারলোডিং। এই কারণেই রাস্তা নির্মাণের পর সে সমস্ত রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে দ্রুত। বীরভূমের সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী ওভারলোডিং ও প্রশাসন সম্পর্কে ঠিক কি বলেছেন। মুখ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্যের পর বাঁকুড়া জেলা পরিষদের সভাপতি অনুসূয়া রায়ের নেতৃত্বে বাঁকুড়া জেলার জয়পুর ব্লকের রাউথ খন্ড পঞ্চায়েত এলাকায় কুম্ভস্থল থেকে হেতিয়া পর্যন্ত রাস্তার উপর কুণ্ডপুষ্পরণে এলাকায় সারি সারি দাঁড়িয়ে থাকা ওভারলোগ বালির দাঁড়িয়ে থাকতে দেখেন। এদিনের এই পরিদর্শনে জেলা সভাধিপতি অনুসূয়া রায় সহ ছিলেন জেলা পরিষদ ও জেলা প্রশাসনের প্রতিনিধিরা। এদিনের এই অভিযানে সভাধিপতি পালক করেন স্থানীয় থানার আধিকারিক ও বি এল আর কেও।
এদিকে স্থানীয় গ্রামবাসীরাও ক্ষোভ উগরে দিয়ে জানান, স্কুল চলাকালীন সময়ে এই বিশাল আকৃতির বালি গাড়ির যাতায়াতে ছাত্রছাত্রীদের রাস্তা পার হতে সমস্যা হয়। কাদা ও গর্তে ভর্তি রাস্তার বেহাল অবস্থার জন্য এই ওভারলোড গাড়িকেই দায়ী করছেন তারা।
যদিও বিএলএলআরও নিজের দোষ ঢাকতে সাফ জানিয়ে দেন, এই বিষয়গুলি নাকি দেখার দায়িত্ব মূলত স্থানীয় পঞ্চায়েতের।
সভাধিপতি অনুসূয়ার রায় অভিযোগ করেন বালি মজুদ স্থান থেকে তিন কিলোমিটার দূরে বালির গাড়ি ওজন হয় এই তিন কিলোমিটার রাস্তা ওভারলোডিং গাড়ি যাতায়াতের ফলে রাস্তার অবস্থা বেহাল হচ্ছে। ওজন মেশিনের জায়গাতেও দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে অতিরিক্ত বালি খালি পড়ে বিনা চালানে বিক্রি অভিযোগও রয়েছে তার কাছে।
অন্যদিকে, বিজেপির কটাক্ষ সভাধিপতি অনুসূয়া রায় এই ব্যবসা থেকে আর্থিক ভাগ পাচ্ছেন না বলেই হয়তো এবার অভিযান চালাতে বাধ্য হয়েছেন।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ফের একবার প্রশ্ন উঠেছে প্রশাসনিক কার্যকারিতা ও স্থানীয় স্বার্থের সংঘাত নিয়ে। প্রশাসনের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকেই তাকিয়ে এলাকাবাসী।
বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে খুন হয়ে যেতে হয় ওসমান হাদিকে। তিনি ঢাকা ৮ আসনের প্রার্থী ছিলেন হত্যাকাণ্ডে তেতে...
Read more












Discussion about this post