ফেরএকবার সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল রাজ্য যুব তৃণমূলের সহ-সভাপতি তথা আইনজীবী পার্থসারথি মাইতি। এর আগেও তাকে একবার কান ধরে ক্ষমা চাইতে দেখা গিয়েছিল সোশ্যাল মিডিয়ায়। এসএসসির প্রকাশিত দাগিদের তালিকায় একাধিক তৃণমূল নেতার আত্মীয় পরিজনের নাম প্রকাশ্যে এসেছে। সেই তালিকায় কারও ঘরের বৌমা, কারও ঘরের ছেলে-মেয়ে অথবা কারও স্বামীর নাম রয়েছে। দল বদনাম হওয়ায় আরও একবার কান ধরে ওঠবস করলেন তমলুকের বিতর্কিত কাউন্সিলর। যা ক্রমশ ভাইরাল হয়েছে।
এর আগে, পুরসভার দুর্নীতি নিয়ে মুখ খুলে বিপদে পড়েছিলেন তমলুক পুরসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর তথা আইনজীবী পার্থসারথি মাইতি। সেবার কান ধরার ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে ক্ষমা চান ওই তৃণমূল নেতা। এ বার শুধু কান ধরায় থামেননি তিনি, রীতিমতো ওঠবস করতে দেখা গিয়েছে পার্থসারথিকে। দলীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধেই এই কাণ্ড ঘটিয়ে ফের একবার বিতর্কে জড়ালেন তমলুকের কাউন্সিলর। তাঁর কর্মকাণ্ড নিয়ে বেকায়দায় পড়েছে শাসকদল।
যদিও বিতর্ককে পাত্তা দিতে নারাজ ওই কাউন্সিলর। পার্থসারথির দাবি, তৃণমূলে থাকাকালীন শুভেন্দুর সুপারিশে যে বহু প্রার্থীর চাকরি হয়েছে সে কথা জেনেও তাঁর দাবির বিরোধিতা করছে না জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব। বরং নিজেদের পদ বাঁচাতে সকলে চুপ রয়েছেন। কিন্তু তৃণমূলে থেকেও বিজেপির নেতার প্রতি কেন রাজনৈতিক আনুগত্য, তা অবশ্য প্রকাশ করেননি পার্থসারথি। যদিও তাঁর কথায় গুরুত্ব দিচ্ছে না তৃণমূল এবং বিজেপি সকলেই।
তাঁর আরও দাবি, তোলাবাজির টাকা নিয়ে দলের নেতারা মুখ খুলছে না। গোপনে শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলেছেন। তাই তিনি কান ধরে ওঠবস করে জনগণের কাছে ক্ষমা চাইলেন।
তৃণমূল নেতার কান ধরে ওঠবস করার ভিডিও সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতেই বাংলার রাজনৈতিক মহলে পারদ চড়ছে ক্রমশ। পাল্টা কটাক্ষ করতে ছাড়েননি তমলুক সাংগঠনিক জেলা বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি তথা রাজ্য কমিটির সদস্য তপন বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “শুভেন্দু অধিকারী এই ধরনের কাজের সঙ্গে যুক্ত নন। এই ধরনের অভিযোগ মিথ্যা বলে দাবি তৃণমূলেড়,তৃণমূলের মূল মাথারাই চোর। দায় চাপানোর চেষ্টা করা হচ্ছে শুভেন্দু অধিকারীর ওপর। এর পাশাপাশি তিনি আরো বলেন যে,তৃণমূল নেতাদের এখন নিজেদের অস্তিত্ব বজায় রাখতে সোশাল মিডিয়ায় এই ধরনের ঘটনা তুলে ধরছে। শুধু তৃণমূলী নয় এসএসসির দাগী তালিকায় নাম মিলেছে বিরোধী দলেরও। উত্তর দিনাজপুরের বিজেপি নেতার ভাই এবং বীরভূমির বিজেপি নেতার স্ত্রীর আগে তালিকার নাম রয়েছে সিপিএমের উত্তর ২৪ পরগনার এক নেতা ও বলে জানা গিয়েছে।
শনিবার সন্ধ্যেও মধ্যরাতে দাগিদের দুটি তালিকা প্রকাশ করেছে এসএসসি, যার কোনটাতে নেই দাগি শিক্ষক-শিক্ষিকাদের মধ্যে থেকে সকলের নাম। আর এই নিয়েই তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে বিরোধী শিবির ও যোগ্য চাকরিহারা শিক্ষক- শিক্ষিকা মহলে। বিরোধী শিবিরের স্পষ্ট অভিযোগ এসএসসির প্রকাশিত এই তালিকা এখনো অসম্পূর্ণ ও অস্বচ্ছ প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী আবার কে বলতে শোনা গেছে ,টিপ অফ দা আইসবার্গ।বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই ইস্যুতে তৃণমূলের বিরুদ্ধে সুর ছড়িয়েছে বিজেপিও পাল্টা জবাব দিয়েছে তৃণমূল।












Discussion about this post