গত শুক্রবার কলকাতায় প্রদেশ কংগ্রেসের সদর দফতরে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছিল। বিহারে রাহুল গান্ধির জনসভার আগে প্রধানমন্ত্রীর মাকে নিয়ে কুরুচিকর মন্তব্য করার অভিযোগে এই ভাঙচুর চালায় বঙ্গ বিজেপির একদল সমর্থক। যদিও সে সময়ে কংগ্রেসের দফতরে বিশেষ কেউ ছিলেন না। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে তাণ্ডব চালানো হয় দফতরে। এই ভাঙচুরের ঘটনায় নাম জড়িয়েছিল বিজেপি নেতা রাকেশ সিংয়ের। তাঁর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের হওয়ায় ওই বিজেপি নেতা পালিয়ে গিয়েছিলেন। অবশেষে তাঁকে মঙ্গলবার রাতে তাঁকে ট্যাংরার একটি আবাসন থেকে গ্রেফতার করে কলকাতা পুলিশ। প্রদেশ কংগ্রেসের সদর দফতর ভাঙচুরের ঘটনায় এর আগে চার জনকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। এবার গ্রেফতার করা হল মূল অভিযুক্তকে।
গত সপ্তাহে বিহারে রাহুল গান্ধীর ভোটার অধিকার যাত্রা থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রয়াত মাকে কুকথা বলার অভিযোগ ওঠে এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় এই নিয়ে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছিল। এই ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে রাকেশ সিংয়ের নেতৃত্বে তাঁর দলবল বিধান ভবনের সামনে বিক্ষোভ দেখায়। এবং প্রদেশ কংগ্রেসের সদর দফতরে ভাঙচুরের জড়িয়ে পড়ে। অভিযোগ ওঠে রাহুল গান্ধির ছবি এবং বিধানচন্দ্র রায়ের মুর্তিতে কালো কালি লাগিয়ে দেওয়ার।
ঘটনার পর বঙ্গ রাজনীতি তোলপাড় হয়েছিল। বিজেপি নেতা রাকেশ সিংয়ের এ হেন কাণ্ডের জন্য দলও তাঁর পাশে দাঁড়ায়নি। বঙ্গ বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যও বলেছিলেন, এই ধরণের কাজ বিজেপি বরদাস্ত করে না। বিপদ বুঝে পালিয়ে বেরাচ্ছিলেন রাকেশ সিং। অবশেষে মঙ্গলবার রাতে কলকাতার ট্যাংরা এলাকার একটি আবাসন থেকে রাকেশকে গ্রেফতার করল পুলিশ। পাঁচ দিন ধরে অধরাই ছিলেন ভাঙচুরের ঘটনার প্রধান অভিযুক্ত রাকেশ। কিন্তু এর মধ্যেই এক সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিয়ে তিনি দাবি করেন তিনি কলকাতাতেই আছেন।
ধৃতদের মধ্যে রাকেশের পুত্র শিবম সিং যেমন রয়েছে তেমনই বাকি অভিযুক্তরা হলেন বিজয়প্রসাদ ধানুক, সন্তোষকুমার রাজভর এবং দিব্যেন্দু সামন্ত। তারা রাকেশের ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিত। রাকেশকে গ্রেফতার করতে তার বাড়িতে গিয়েছিল পুলিশ এবং সেখানে তাকে না পাওয়ায় তার পুত্র শিবমকে গ্রেফতার করে আনে, ঠিক তারপরে রাকেশ পুলিশের বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলএবং তার অভিযোগ পুলিশ তার স্ত্রী ,কন্যা এবং পুত্রের বাড়িতে গিয়েছিলেন সেখানে তাদের হেনস্তাও করেছেন এবং পাশাপাশি,রাকেশ সরাসরি পুলিশ কমিশনার মনোজ বর্মাকে হুশিয়ারি ও দিয়েছেন।
রকেশকে যখন গ্রেফতার করে পুলিশ ভ্যানে তোলা হচ্ছিল ঠিক সেই সময় রাকেশকে নরেন্দ্র মোদী জিন্দাবাদ’ বলে স্লোগান দিতেও শোনা যায়। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ,গেটের বাইরে কংগ্রেস নেতাদের ছবিতে আগুন জ্বালিয়ে দেওয়া হয়, পোড়ানো হয় পতাকাও , রাকেশের নেতৃত্বে একদল সমর্থক বিজেপির পতাকা হাতে বিধান ভবনে ঢোকে এবং ভাঙচুরের ঘটনা ঘটায়।
এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে শুক্রবারই রাকেশের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয় এবং অস্ত্র আইন-সহ একাধিক ধারায় মামলা দায়ের হয় এন্টালি থানায়। পাশাপাশি,বিজেপি নেতা প্রতীক পাণ্ডের নামও জড়িয়েছিল সেই দিনের ঘটনায়। বুধবার ধৃত বিজেপি নেতাকে আদালতে হাজির করানো হয়েছে।
বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে খুন হয়ে যেতে হয় ওসমান হাদিকে। তিনি ঢাকা ৮ আসনের প্রার্থী ছিলেন হত্যাকাণ্ডে তেতে...
Read more












Discussion about this post