মহাশ্মশানে মরদেহ দাহ করতে হলেও দিতে হচ্ছে তোলা কখনো তা দিগুন বা তার বেশিও হতে পারে। মালদা জেলা পরিষদে এমনই অভিযোগ দায়ের জেলা পরিষদ সদস্যেরাই। অভিযোগ জেলা শাসকের কাছেও, তদন্ত করে ক্ষতি দেখার নির্দেশ জেলা শাসকের।
মালদার সদুল্লাপুর মহা শ্মশান, মালদা জেলা পরিষদ এই মহা শ্মশানের দেখা শোনার দায়িত্বে। নিয়ম অনুযায়ী কাউন্টার থেকে ৯৯৯ টাকার টিকিট কেটে মরদেহ সৎকার করাতে হবে। কিন্তু সেই টাকার বাইরে জোর করে নেওয়া হচ্ছে অনেক বেশি টাকা, কমপক্ষে আটশো থেকে কয়েক হাজার টাকা বেশি নেওয়া হচ্ছে। নইলে মরদেহ সৎকার না করে ফেলে রাখা হচ্ছে। যেখানে চুল্লিতে মরদাহ করতে হলে তৃণমূল পরিচালিত মালদা জেলা পরিষদের নির্ধারিত যে টাকা দিতে হয় তার থেকেও বেশি দিতে হচ্ছে তোলা। এই তোলা কখনো তা দিগুন বা তার বেশিও হতে পারে। গঙ্গা লাগোয়া এই শ্মশানে শুধু এই জেলাই নয়, আশেপাশের বেশকিছু জেলা থেকে এই শ্মশানে নিয়মিত মানুষ আসেন মৃতদেহ দাহ করতে। রোজ অন্তত ৪০ থেকে ৫০ টি দেহ দাহ করা হয়। কখনো কখনো সেই সংখ্যা ছাড়িয়ে অনেক বেশি হয়।
মৃতের আত্মীয় রিঙ্কু কর্মকার, জানালেন বিভিন্ন খাতে টাকা নেওয়া হচ্ছে এই শ্মশানে। যেটা অনৈতিক হলেও দিতে বাধ্য হতে হচ্ছে সমস্ত মৃতের পরিবার।
শ্মশান কমিটির সম্পাদক প্রদীপ মন্ডলের বক্তব্য এরকম কোন বিষয় শ্মশান কমিটির জানা নেই, তবে কেউ যদি অনৈতিক ভাবে বেশী টাকা নিয়ে থাকে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিজেপি দক্ষিণ মালদার সাধারণ সম্পাদক অম্লান ভাদুরী জানালেন জেলা পরিষদ পরিচালিত শ্মশানে জেলা পরিষদের কর্মীরাই কাজ করে কিন্তু দুরভাগ্যের এটাই মৃত বেক্তিরাও দুর্নিতির থেকে বাদ যাচ্ছে না।
মালদা জেলা পরিষদের সহকারী সভাধিপতি এটিএম রফিকুল হোসেন বলেন এই অভিযোগ আগেও এসেছে জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে বিষয়টি ক্ষতিয়ে দেখা হচ্ছে।
বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে খুন হয়ে যেতে হয় ওসমান হাদিকে। তিনি ঢাকা ৮ আসনের প্রার্থী ছিলেন হত্যাকাণ্ডে তেতে...
Read more












Discussion about this post