নেই কোন আইসিডিএস কেন্দ্র রাস্তায় বসে রান্নার আর সেই রাস্তায় বসে খাওয়া দাওয়া শিশু ও প্রসূতি মায়েদের। কাছেই সরকারি খাস জমি, সেই সরকারি জমি রয়েছে স্থানীয় তৃণমূল নেতার দখলে। সরকারের কাছে আবেদন করলেও সেই জমিতে তৈরি হয়নি আইসিডিএস কেন্দ্র l
৫০০ পরিবারের জন্য রয়েছে দুটি আইসিডিএস কেন্দ্র কিন্তু নিজস্ব কোন ঘর না থাকায় রাস্তার ধারে রান্না রাস্তাতেই চলে খাওয়া-দাওয়া। ঘরের দাবিতে প্রশাসনের কাছে বহুবার আবেদন করেলেও হয়নি কোন সমাধান। গাজোল ব্লকের দেওতলা অঞ্চলের ধাওয়েল গ্রামে সরকারি খাস জমি রয়েছে, সরকারের কাছে আবেদন করেও সেই জমিতে তৈরি হয়নি আইসিডিএস কেন্দ্র। কারন সেই সরকারি খাস জমি দখল করে রয়েছে স্থানীয় তৃণমূল নেতা বাদীর উদ্দিন শেখ অভিযোগ এলাকাবাসীদের lদুটি কেন্দ্রের নিজস্ব কোন ঘর না থাকায়, কখনো গ্রামের কারো বাড়িতে আবার কখনো খোলা আকাশের নিচে রান্নাবান্নার কাজ চলে। যেহেতু কোন ঘর নেই তাই বাচ্চাদের পড়াশোনার কোন বালাই নেই। স্থানীয়রা ব্লক স্তর থেকে শুরু করে জেলা প্রশাসনের কাছে এই বিষয়ে অভিযোগ জানানো এখনো পর্যন্ত কোন সূরাহা হয়নি।
দুটি শিশু বিকাশ কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা কর্মী কুমকুম দাস অধিকারী বললেন – দুটি কেন্দ্রের একটিরও ঘর নেই। বাধ্য হয়ে কখনো কারো বাড়ির বারান্দায় আবার কখনো খোলা আকাশের নিচে আমাকে রান্না কাজ করতে হয়। বাচ্চাদের তো আর রাস্তায় বসিয়ে খাওয়াতে বা পড়াতে পারবো না, তাই খাবার দিয়ে তাদের বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হয়। প্রসূতি মায়েদের ক্ষেত্রেও একই অবস্থা।
গাজোল বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি বিধায়ক চিন্ময় দেব বর্মন সরজমিনে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে এলাকায় তিনিও শিশুদের সাথে রাস্তায় বসে পাত পেড়ে খেলেন। এই সমস্যার কথা নির্দিষ্ট দপ্তরে তিনি জানাবেন পাশাপাশি তিনি জানান সরকারি জমিতে আইসিডিএস কেন্দ্র হবে বলে এলাকার মানুষ বহুবার প্রশাসনের কাছে আবেদন করেছে কিন্তু সরকারি জমি দখল করেছে তৃণমূল নেতা সেখানে প্রশাসন বিষয়টি দেখছে না l
গাজোল পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মোজাম্মেল হোসেন জানান বিষয়টি আমরা জানি, তবে যে অভিযোগটি করা হচ্ছে সেটা সঠিক নয় খাস জমিতে কেউ বাড়ি করেনি তাও আমরা তদন্ত করে দেখব আইসিডিএস কেন্দ্র এলাকায় দ্রুত হবে। আর বিজেপি বিধায়ক এলাকায় গিয়ে অপপ্রচার করছে ।
এই বিষয়ে শিশু বিকাশ প্রকল্প আধিকারিক খোকন বৈদ্য বললেন – ওই গ্রামের দুটি আইসিডিএস কেন্দ্র আমাদের তালিকা ভুক্ত রয়েছে। নতুন আইসিডিএস কেন্দ্র তৈরির কাজ শুরু হলে প্রথমে ওই দুটি কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে। সরকারি খাস জমিও জবর দখল মুক্ত করা হবে।












Discussion about this post