সরকারি উদ্যোগে মৎস্যজীবীদের মাছ বিতরণেও লাগলো রাজনৈতিক রং। ৎস্যজীবী বিজেপি কর্মী সমর্থকদের বঞ্চিত করার অভিযোগ মানিকচক পঞ্চায়েত সমিতির বিরুদ্ধে। বিডিওকে লিখিত অভিযোগ করলেন মন্ডল বিজেপির সভাপতি।
মানিকচক ব্লকের মৎস্য দপ্তরের পক্ষ থেকে সমস্ত গ্রাম পঞ্চাতের মৎস কর্মীদের বিভিন্ন প্রজাতীর মাছ বিতরন করা হচ্ছে। এলাকার প্রায় ৩১৭জন মৎসজীবীর তালিকা তৈরি করা হয়েছে। যাদের প্রত্যেকের হাতে তুলে দেওয়া হবে প্রায় ১৭কেজি করে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ। মাছ বিতরণের প্রক্রিয়াকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখিয়ে লিখিত অভিযোগ করলেন মথুরাপুরের বাসিন্দারা। মানিকচক পঞ্চায়েত সমিতির তৃণমূল সভাপতি ও সদস্যরা তৃণমূলের ঘনিষ্ঠ যে সমস্ত মৎস্যজীবীরা রয়েছে তাদের তালিকাভুক্ত করেছেন। বিশেষত মথুরাপুর পঞ্চায়েতের ফতেনগর ও ধনারাজ গ্রামের বিজেপি পরিবারের মৎসজীবীদের বঞ্চিত করা হয়েছে বলে অভিযোগ। এই ঘটনাকে ঘিরে এদিন মানিকচক পঞ্চায়েত সমিতির সামনে বিক্ষোভ দেখান মৎসজীবীরা, এই বিক্ষোভকারীদের পাশে দাঁড়াতে দেখা যায় বিজেপির মানিকচক দুই নম্বর মন্ডল সভাপতি সুভাষ যাদবকে। পরবর্তীতে তিনি মৎসজীবীদের নিয়ে মানিকচকের বিডিওকে লিখিত অভিযোগ করেন।
দীর্ঘ দিন যাবৎ মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করছে। সরকারি উদ্যোগে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ বিতরণ হলেও বিজেপি করার জন্য তালিকা থেকে বাদ গেছে নাম অভিযোগ করছেন মৎস্যজীবী গোবিন্দ মহালদার।
বিজেপি মন্ডল সভাপতি সুভাষ যাদব অভিযোগ করেন, মানিকচক পঞ্চায়েত সমিতি বিগত কয়েক বছর ধরে মৎস্য চাষীদের মাছ বিতরণ করে। এবার দেখা যাচ্ছে শুধুমাত্র তৃণমূল সমর্থিত মৎস্যজীবীরাই এখান থেকে মাছ পাচ্ছেন। দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে বিতরণ কর্মসূচি থেকে বাদ দেওয়া হচ্ছে বিজেপি সমর্থিত মৎস্যজীবীদের। বিজেপির পক্ষ থেকে অভিযোগ জানানো হয়েছে ভিডিওর কাছে।
সমস্ত অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করছেন পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য মোঃ আসিরুদ্দিন। হয়।তিনি বলেন, মৎস্যজীবীর কার্ড থাকলেই প্রত্যেকেই মাছ দেওয়া হয়। সরকারি উদ্যোগে কোন রাজনৈতিক রং নেই।
বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে খুন হয়ে যেতে হয় ওসমান হাদিকে। তিনি ঢাকা ৮ আসনের প্রার্থী ছিলেন হত্যাকাণ্ডে তেতে...
Read more












Discussion about this post