৮ই মে অপারেশন সিঁদুর চলাকালীন সর্বদলীয় বৈঠক ডাকা হয় কেন্দ্রের তরফে। ওই বৈঠকে প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং বলেন, নিকেশ করা হয়েছে ১০০রও বেশি জঙ্গিকে। আর সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, সর্ব দলীয় বৈঠকে আমি বলেছি পাকিস্তান দখল করে নাও, বাংলাদেশ দখল করে নাও। ২২ এপ্রিল এপ্রিল পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলায় মৃত্যু হয় ২৬ জন পর্যটকের। এই জঙ্গি হামলায় পাকিস্তানের দিকেই সরাসরি নজর ছিল ভারতের। তারপরই পাকিস্তানের নটি জঙ্গি খাঁটি গুঁড়িয়ে দেয় অপারেশন সিঁদুর অভিযানের মাধ্যমে। আর তারপরই ভারতের উপর হামলা চালানোর চেষ্টা করে পাকিস্তান। যদিও ভারত প্রতিহত করে। পাকিস্তান ভারতের সামরিক ঘাঁটি ধরে ধরে ধ্বংস করার চেষ্টা করে। সাধারণ মানুষের ক্ষতি করার চেষ্টা করে। পাকিস্তানের একাধিক শহরে হামলা চালায়। ভারতের দাবি, প্রায় ১০০ টির বেশী পাকিস্তানের জঙ্গি মারা গিয়েছে। তবে ভারতের তরফে পাকিস্তানের কোন সামরিক ঘাঁটি বা সাধারণ মানুষের উপর হামলা চালানো হয়নি। ভারতীয় সেনা তরফে সেটা স্পষ্ট করে জানিয়ে দেওয়া হয়। এমনকি ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহ স্পষ্ট করে জানিয়ে দেন, অপারেশন সিঁদুর স্থগিত রাখা হয়েছে। তবে সন্ত্রাসী বিরুদ্ধে আমরা লড়াই চালিয়ে যাবো।
অন্যদিকে শনিবার আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি বিবৃতি দিয়ে জানান, দুই দেশের সংঘর্ষ বিরতিতে যেতে রাজি হয়েছে। তারপর ভারতের তরফে এই বিবৃতি নিশ্চিত করা হয়। সেখান থেকে বিতর্ক দানা বাঁধতে থেকে শুরু করে। তবে কি ট্রাম্পের চাপেই ভারত সংঘর্ষ বিরতিতে রাজি হল? তবে এই সংঘর্ষ বিরতি প্রথম লংঘন করেছে পাকিস্তান। ভারত ও চুপ থাকেনি। পাল্টা জবাব দিয়েছে ভারতীয় যোগ্য সেনা। অন্যদিকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও যাদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দিয়ে দিয়েছেন। তিনি জানিয়ে দিয়েছেন, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াই চলছে চলবে। পাকিস্তানের সঙ্গে কথা বলতে গেলে প্রথম সন্ত্রাস এবং কাশ্মীর নিয়ে কথা বলতে হবে। রক্ত এবং জল একসঙ্গে বলতে পারি না বলে স্পষ্ট হুশিয়ারি দিয়েছেন নরেন্দ্র মোদি। ইতিমধ্যেই ভারতের শীর্ষ পর্যায়ের একাধিক বৈঠক হয়েছে। তার মধ্যে হয়ে গিয়েছে সর্বদলীয় বৈঠক। আর সেই বৈঠকেই অংশগ্রহণ করেছিলেন তৃণমূল সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেছেন, এই ঘটনার পর পাকিস্তান কে কোন ভাবেই ক্ষমা করা যায় না। পাশাপাশি বাংলাদেশের বিরুদ্ধেও হুশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। পাকিস্তানের পাশাপাশি বাংলাদেশকেও দখল করতে হবে।
উল্লেখযোগ্যভাবে, ভারত পাকিস্তান সংঘর্ষের আবহে সোশ্যাল মিডিয়ায় বাংলাদেশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। ইতিমধ্যেই বাংলাদেশের বিভিন্ন গণমাধ্যম্য ভারতের বিরুদ্ধেই কথা বলছে। কটাক্ষ করছে। স্পষ্টতই লক্ষ্য করা যাচ্ছে, পাকিস্তানকে সমর্থন করছে বাংলাদেশের একাংশ। আর সেই আবহে তৃণমূল সংসদের মন্তব্য। স্বাভাবিকভাবেই এই নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে বিভিন্ন মহলে। তবে এরপরে ভারতের তরফে কি পদক্ষেপ হয় সেটা দেখেই নজর রয়েছে প্রত্যেকের।












Discussion about this post