ভিন রাজ্যে, বিশেষ করে বিজেপি শাসিত রাজ্যে গিয়ে বাংলা ভাষাভাষী মানুষদের ওপর অত্যাচার চালানো হচ্ছে। এমন অভিযোগ তুলেছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যা নিয়ে এখন উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। এমনকি দিল্লি পুলিশের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ তুলেছিলেন তিনি। এদিকে পাল্টা দাবি করে বিস্ফোরক দিল্লি পুলিশ। আক্রমণ শানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তার দাবি, মিথ্যেবাদী মমতা, জেনে গেছে জনতা। অর্থাৎ জোড়া আক্রমণের মুখে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
মালদার পরিযায়ী শ্রমিককে হেনস্থা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আধার যাচাইয়ের নাম করে দিল্লি পুলিশ মারধর করে বলে অভিযোগ তোলা হয়েছিল। সেই ইস্যুতে বিস্ফোরক দিল্লি পুলিশ। দিল্লি পুলিশ দাবি করে, বাঙালি হেনস্থার নামে সাজিয়ে ভিডিও করা হয়েছে।
দিল্লি পুলিশ এর বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ তুলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। এদিকে সিসিটিভি ফুটেজে পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে, সন্তানদের নিয়ে একাই বেরোচ্ছেন ওই মহিলা। বল প্রয়োগ করা হয়েছিল বলে যে দাবি করা হয়েছিল, সেটা সঙ্গে ফুটেছে মিল পাওয়া যাচ্ছে না। সত্যি ঘটনা হল, রাজনৈতিক কর্মী এক মামার পরামর্শেই এই মিথ্যের গল্প বানানো হয়েছিল। অনেক রকমই ভুয়ো অভিযোগ তোলা হবে। শুনে নয়, এবার দেখে বিশ্বাস করুন। মুখ্যমন্ত্রীর এমন অভিযোগ পুরোপুরি নস্যাৎ করে দিয়েছে দিল্লি পুলিশ।
দিল্লি পুলিশ দাবি করেছে, মালদার রাজনৈতিক কর্মী তথা এক আত্মীয়ের কথাতেই এই ভিডিও। সেই ভিডিও সমাজের যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করতেই ভাইরাল হয়ে যায়। দিল্লি পুলিসের ডিসি জানাচ্ছেন, ওই মহিলা জিজ্ঞাসাবাদের স্বীকার করে নিয়েছে, ওই রাজনৈতিক আত্মীয় র কথাতেই ওই ভিডিও বানানো হয়েছে। কালিমা লিপ্ত করতেই ওই ভিডিও ভাইরাল, বিস্ফোরক দাবি করলো এবার দিল্লি পুলিশ।
আসলে মালদা জেলার চাচলের এক শ্রমিকের পরিবারের শিশু ও মাকে মারধরের অভিযোগ ওঠে। আর সেই ভিডিও নিজের এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেছিলেন, বাঙ্গালীদের বিজেপির ভাষা সন্ত্রাসে শিশুর ও পরিত্রাণ নেই। দেশকে এরা কোথায় নিয়ে যাচ্ছে? প্রশ্ন তুলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। এবার সেই অভিযোগ খারিজ করে দিল দিল্লি পুলিশ। যা ঘিরে নতুন করে উত্তাল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে রাজনৈতিক আঙিনায়।












Discussion about this post