যখনই সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচার নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছে, তখনই মহম্মদ ইউনূস বলেছেন, বাংলাদেশে সেটা চলছে না। এমনকি এই খবর বিশ্ব দরবারে ছড়িয়ে পড়াতে ভারতকে দায়ী করা হয়েছিল। এদিকে সংখ্যালঘুদের উপর নির্যাতনের ছবি চাক্ষুষ করবে গোটা বিশ্ব। ফের কিছু সন্ত্রাসবাদী বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ঘরবাড়ি পুড়িয়ে, ভাংচুর করে শেষ করে দিল। ফেসবুকে কেউ একজন পোস্ট করেছেন। সেই পোস্টের জবাবে বাংলাদেশে কিছু ধর্মপ্রাণ সন্ত্রাসবাদী মানুষ আইন হাতে তুলে নিলেন। পুলিশ দাঁড়িয়ে দেখল। সেনাবাহিনী কিচ্ছু করতে পারেনি। শনিবার ২০ টি বাড়ি পুরো ধ্বংস করা হল। পুলিশ নীরব দর্শক হয়ে দেখল। রবিবার ফের একই ঘটনা রংপুরে। গানগাছড়া এলাকায় প্রায় ২৫০০ মানুষের বাস। সেখানে তাদের বাড়ি ঘর সব ভাংচুর করা হয়েছে। সোমবার বিকেল পর্যন্ত আলদাতপুরে হিন্দু পল্লি-সহ আশপাশের অন্তত ১০০টি সংখ্যালঘু পরিবার ভয়ে বাড়ি ছেড়ে গিয়েছেন। তাদের পাশে নেই সরকার। নেই প্রশাসন। মুখে কুলুপ এঁটেছেন সেনাপ্রধান। ইউনূসের বিরুদ্ধে কি অ্যাকশন নেবে জাতিসংঘ?
অন্যদিকে প্রশ্ন ওঠে কোথায় সেনাপ্রধান? গোপালগঞ্জের ঘটনার পর কেন তিনি জনসম্মুখে এলেন না? কেন কোনও বিবৃতি দিলেন না? প্রশ্ন উঠছে। আসলে মহম্মদ ইউনূসের সরকার সংখ্যালঘুদে জীবন নিয়ে ছেলেখেলা করছে। ঠিক যেমনটা বলছে ট্রাম্পের সংস্থা। আসলে জানা যাচ্ছে, আমেরিকার আন্তর্জাতিক ধর্মীয় স্বাধীনতা বিষয়ক কমিশন বা ইউনাইটেড স্টেটস কমিশন অন ইন্টারন্যাশনাল রিলিজিয়াস ফ্রিডম এর পক্ষ থেকে ইউনূস সরকারের বিরুদ্ধে সংখ্যালঘুদের উপর নির্যাতনের অভিযোগ প্রকাশ্যে এসেছে। গত শনিবার একটি রিপোর্ট পেশ করা হয়েছে। সেখানে বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের ওপর অত্যাচার এবং মানুষের মানবাধিকার লঙ্ঘনের কথা বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
জানা গিয়েছে, বাংলাদেশ পুলিশের তথ্যের ভিত্তিতে ওই রিপোর্টে গত বছর ৫ থেকে ২০ অগাস্টের মধ্যে ১,৭৬৯ টি সংখ্যালঘুদের উপর নির্যাতনের কথা জানানো হয়েছে। এর মধ্যে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ১,২৩৪ টি। ২০ টি কেস সাম্প্রদায়িক এবং বাকি ১৬১ টি ভুয়ো। ইউনাইটেড স্টেটস কমিশন অন ইন্টারন্যাশনাল রিলিজিয়াস ফ্রিডমের রিপোর্টে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে ব্লাসফেমি ধারা জারি রয়েছে। অর্থাৎ ধর্মীয়ভাবে আঘাত হানলে ফৌজদারি মামলা হিসেবে গণ্য হবে না। এই সংস্থা ইউনূস সরকারের বিরুদ্ধে এমন গুরুতর অভিযোগ প্রকাশে আনতে চাপে পড়ে গিয়েছে ইউনূস প্রশাসন।












Discussion about this post