লাগে টাকা দেবে গৌরী সেন। এই প্রবাদ বাক্যটায় এখন সত্যি হতে চলেছে রাজ্যের দুর্গাপুজোর কমিটিগুলির কাছে। কারণ বছর এগোচ্ছে, বাড়ছে পুজোতে সরকারি অনুদানের টাকা। দুর্গাপুজোর অনুদান নিয়ে এইবার বড় ঘোষণা। এই বছর পুজো কমিটিগুলি ১ লক্ষ ১০ হাজার টাকা করে পাবে বলে ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন নেতাজি ইনডোর স্টেডিয়াম থেকে এমনটাই ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী। গত বছর ৮০ হাজার টাকা করে অনুদান পেয়েছিল পুজো কমিটিগুলো। এবার বাড়ানো হল আরও ৩০ হাজার। এদিন নেতাজি ইনডোর স্টেডিয়াম থেকে মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যের সমস্ত পুজো কমিটিগুলোর উদ্দেশ্যে জানান, এই বছর সমস্ত পুজো কমিটিগুলিকে ১ লক্ষ ১০ টাকা করে দেওয়া হবে সরকারের পক্ষ থেকে। ঠিক কি বললেন এদিন মুখ্যমন্ত্রী শুনুন
২০২৪ সাল অর্থাৎ গত বছর পুজো কমিটিগুলোকে ৮০ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়েছিল। প্রথম বছর ১০ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়েছিল। এরপর প্রতি বছরই পুজোর অনুদানের টাকা বাড়িয়েছে সরকার। তবে এবছর এক লাফে লক্ষ ছাড়াবে অনুদানের পরিমাণ, সেটা সবাইকে চমকে দিয়েছে। নেতাজি ইনডোর স্টেডিয়াম থেকে মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, ৫ অক্টোবর হবে কার্নিভাল। ২ তারিখ, ৩ তারিখ ও ৪ ঠা অক্টোবর বিসর্জন করা যাবে। কার্নিভাল হবে কলকাতা শহরে। এছাড়াও তিনি জানিয়েছেন, দমকলের জন্য কোনও চার্জ দিতে হবে না পুজো কমিটিগুলোকে। এমনকি পুজো কমিটিগুলিকে বিদ্যুতের খরচে ৮০ শতাংশ ছাড় দেওয়ার জন্য সিইএসই এবং রাজ্য বিদ্যুৎ বণ্টন পর্ষদকে বলেছেন বলে জানান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জেলার পুজো গুলোরও প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, শহর কলকাতা ছাড়াও জেলা স্তরের পুনগুলোতে থিমের ছোঁয়া থাকছে। শুধু তাই নয়, মানুষের কেনাকাটা বারে। টাকা আসে সাধারণ মানুষের হাতে। এমনকি মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ইউনেস্কো দুর্গাপূজাকে হেরিটেজ তকমা দিয়েছে। সেটাকে ধরে রাখার দায়িত্ব প্রত্যেকের।
বছর ঘুরলেই বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে এটাই শেষ দুর্গাপুজো। ওয়াকিবহাল মহল বলছে, নির্বাচনকে সামনে রেখে শাসক দল গুটি সাজাচ্ছে। সেই অনুযায়ী পুজোর অনুদানও সাজানো হয়েছে বলে মত তাদের। অর্থাৎ সবটাই ভোট ব্যাংকের রাজনীতি। কটাক্ষ করছে বিরোধীরা।











Discussion about this post