আরজি কর কাণ্ডে প্রমাণ লোপাটের অভিযোগগে গ্রেফতার করা হয়েছিল টালা থানার প্রাক্তন ওসি অভিজিৎ মণ্ডল। সেখানে সন্দীপ ঘোষকেও এই মামলায় ‘অ্যারেস্ট শোন’ করা হয়। এই আবহে আজ আদালতে পেশ করা হয় অভিজিৎকে। সেখানে অভিজিৎ এবং সন্দীপকে হেফাজতে নিয়ে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করতে চায় সিবিআই।রবিবার দুপুরে তাঁকে শিয়ালদা আদালতে পেশ করে সিবিআই। আদালতে অভিজিৎ মণ্ডলের হয়ে সওয়াল করেন এক আইনজীবী। আর তাতেই আদালত কক্ষে ছড়ায় উত্তেজনা। আইনজীবীদের একাংশ বাধা দিতে থাকেন তাঁকে। এমনকী শুনানি শেষের পরও ওই আইনজীবীকে সতর্ক করেন বার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরা। এদিন শিয়ালদা আদালতের বার অ্যাসোসিয়েশনের তরফে জানানো হয় অভিজিৎ মণ্ডলের হয়ে সওয়াল না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা।
কিন্তু শুনানি শুরু হতে এক আইনজীবী দাঁড়িয়ে অভিজিৎ মণ্ডলের হয়ে সওয়াল কলতে শুরু করেন। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে বাধা দেন অন্য আইনজীবীরা। রীতিমতো উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে আদালতে। এক আইনজীবী বলেন, এদের মতো মানুষের জন্যই এই নৃশংস ঘটনা ঘটেছে। এদের হয়ে সওয়াল করার প্রশ্ন নেই। বাধা উপেক্ষা করেই প্রায় ১০ মিনিট সওয়াল করেন ওই আইনজীবী। সিবিআই রবিবার শিয়ালদহ আদালতে পেশ করা রিপোর্টে দাবি করেছিল, পরিবার চাইলেও দ্বিতীয়বার ময়না তদন্ত করতে দেয়নি পুলিশ। সোমবার এ বিষয়ে নির্যাতিতার মা বলেন, ‘আমরা মেয়ের দেহ সংরক্ষণ করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু পুলিশ আধিকারিকরা চেয়েছিলেন, দেহ তাড়াতাড়ি যেন পুড়িয়ে দেওয়া হয়। আমাদের ওপর মানসিক চাপ তৈরি করেছিল টালা থানার পুলিশ। প্রবল চাপের মুখে শেষ পর্যন্ত নতি স্বীকার করতে হয় আমাদের। কারণ, প্রায় ২০০-৩০০ পুলিশ কর্মী ছিলেন সেখানে। আর আমরা ছিলাম সংখ্যায় ৩-৪ জন।’ আদালতে অভিজিৎ মণ্ডলের ৩ দিনের হেফাজত দাবি করে সিবিআই।












Discussion about this post