বাম আমলে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজে উন্নয়নের দাবিতে অনশন-আন্দোলন চালিয়েছিলেন সত্তরের দশকের ডাক্তারি ছাত্র রমাপ্রসাদ পাঁজা। সেই সময় জেলও খেটেছেন তিনি। এর কয়েক দশক পরে অধুনা তৃণমূল জমানায় গোটা রাজ্যে সরকারি স্বাস্থ্য পরিষেবার আমূল সংস্কারের দাবিতে জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলনে শামিল হয়ে অনশন শুরু করেছেন রমাপ্রসাদের মেয়ে, কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের জুনিয়র ডাক্তার তনয়া পাঁজা।আরজি করের ঘটনার প্রতিবাদ-সহ দশ দফা দাবিতে মিছিল, আন্দোলনের পাশাপাশি আমরণ অনশনে বসেছেন জুনিয়র ডাক্তাররা। তাঁদের মধ্যে অনেকেই অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে এই মুহূর্তে চিকিৎসাধীন। তনয়ার শরীর আগেই খারাপ হয়েছিল কিন্তু তিনি হাসপাতালে যেতে নারাজ ছিলেন। তবে শেষমেশ পরিস্থিতি আরও জটিল হওয়ায় তাঁকে ভর্তি করতেই হয়েছে কলকাতা মেডিক্যালে। সূত্রের খবর, অনশন মঞ্চের অদূরেই শৌচালয় ব্যবহার করতে গিয়ে মাথা ঘুরে পড়ে যান তনয়া। তারপরই তাঁকে তাঁর সহকর্মীরা হাসপাতালে নিয়ে যান। আন্দোলনকারীরা জানাচ্ছেন, ঘন ঘন মাথা ঘুরছে তনয়ার। উঠে বসার চেষ্টা করলে তো মাথা ঘুরছেই, শুয়ে থাকলেও তা-ই হচ্ছে। অন্যদের তুলনায় একটু বেশিই দুর্বল হয়ে পড়েছেন তিনি।মঙ্গলবার অসুস্থ শরীরেই মেডিক্যাল কলেজে গিয়ে মেয়ের সঙ্গে দেখা করেছেন বাবা রমাপ্রসাদ। মেয়েকে দেখে বাইরে বেরিয়ে রমাপ্রসাদ জানালেন, ১৯৭৯ সালে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজে পড়ার সময় কলেজে উন্নয়নের দাবিতে অনশন-আন্দোলন করে গ্রেফতার হয়েছিলেন। জেলও খেটেছেন। তাঁর কথায়, ‘‘এখন জুনিয়র ডাক্তাররা যে ১০ দফা দাবি পূরণে আন্দোলন করছেন, তার অন্যতম ‘থ্রেট কালচার’ বা হুমকি প্রথা বন্ধ করা। ওদের সব দাবির প্রতি আমার নৈতিক সমর্থন রয়েছে। আমার মেয়ে তনয়া আন্দোলনে রয়েছে। অনশনে বসার আগে ও আমাকে জানিয়েছিল। আমি সমর্থন করেছি।’’
বাংলাদেশের সেনাপ্রধানকে নিয়ে ভারতের সেনাপ্রধান মুখ খুলতেই কি নড়েচড়ে বসল, ইউনূসের জামাতী সরকার। ভারতের সেনাপ্রধানের আশ্বাস এবং বিশ্বাস ছিল দুই...
Read more












Discussion about this post