‘শিবলিঙ্গে কনডম’, ‘সায়নী লাগাও’ বিতর্ক এখন অতীত। সামনেই বিধানসভা নির্বাচন তার আগে উপনির্বাচন। ভোট আবহেই যাদবপুরের সংসদে। প্রকাশ্য মঞ্চ থেকে তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ সায়নী ঘোষ দলীয় কর্মীদের জুতোপেটা করার নিদান দিলেন। এই কর্মীরা দলের নাম ভাঁড়িয়ে নিজেদের স্বার্থসিদ্ধি করছে। যার ফলে দলের বদনাম হচ্ছে বলে সায়নীর অভিযোগ। মানুষকে পরিষেবা দেবে বলে টাকা নিচ্ছেন বলেও অভিযোগ তাঁর। আর এভাবে দলে থেকে দলের বদনাম যারা করছে তাদের জুতোপেটা করার কথা বলেছেন যাদবপুরের সাংসদ। এই মন্তব্যে সরগরম হয়ে উঠেছে রাজ্য–রাজনীতি। একই মঞ্চে ছিলেন ভাঙ্গড় পূর্বের বিধায়ক শওকত মোল্লা। ঘর দেওয়ার জন্য যাতে কেউ কোনও টাকা না নেয়, সেই বিষয়েই বার্তা দিয়েছেন শওকত মোল্লা। দলীয় কর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “আমাদের নেতাদের অনুরোধ করছি যে আপনারা কোনও গরিব মানুষের কাছ থেকে ঘরের জন্য কোনও টাকা নেবেন না। আর যদি কোনও নেতা টাকা চাইতে যায়, তাহলে তার গালে থাপ্পড় মারবেন। তারপর আমাদের খবর দেবেন।” শওকতের থেকে আরও একধাপ এগিয়ে সায়নী ঘোষ দাবি করেন, শুধু থাপ্পড় মারলে হবে না, জুতোপেটা করতে হবে। সায়নী বলেন, যারা দলকে বদনাম করার চেষ্টা করছে এবং যারা দলের নাম ভাঙিয়ে নিজেদের স্বার্থ সিদ্ধি করার চেষ্টা করছে, মানুষকে পরিষেবা দেবে বলে তাদের কাছ থেকে অর্থ নেওয়ার চেষ্টা করছে, তাদের শুধু থাপ্পড় মারলে হবে না। জুতোপেটা করতে হবে। যারা নিজেদের পকেট ভরবে বলে তৃণমূল করছে, তাদের স্থান তৃণমূলে নেই। ভাঙড়ে তৃণমূলের বিজয় সম্মেলনী সভা থেকে সায়নীর প্রকাশ্যে তৃণমূল নেতাদের জুতো মারার নিদানে আলোচনা শুরু হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।
কপাল বা ভাগ্য বলে একটি কথা আছে? অনেকে ধরে নিয়েছিল তারাই সরকার গঠন করবে। এমনকী জামাতও সেটাই বিশ্বাস করেছিল। কিন্তু...
Read more












Discussion about this post