বাংলাদেশে সব সাংবাদিকের স্বাধীনতা ও অধিকারের প্রতি যেন যথাযথ সম্মান দেখানো হয়, তা নিশ্চিত করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র। ওয়াশিংটনের স্থানীয় সময় গত মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে উপপ্রধান মুখপাত্র বেদান্ত প্যাটেল এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন। বাংলাদেশের মানুষ এ বার ‘মত প্রকাশের স্বাধীনতা’ পাবেন বলে জানিয়েছিল মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার। কিন্তু অভিযোগ উঠেছে, ‘ভিন্নমতের কন্ঠস্বর’ শোনা যেতেই তা দমন করতে উদ্যোগী হয়েছে ইউনূসের সরকার। আরও অভিযোগ, ‘ভিন্ন মত’ এবং প্রতিবাদী কণ্ঠস্বরের টুঁটি চেপে ধরা হচ্ছে বাংলাদেশে। এই নিয়েই উদ্বেগ প্রকাশ করল আমেরিকা। সম্প্রতি তিন দফায় বাংলাদেশের ১৬৭ সাংবাদিকের প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড বাতিল করেছে মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার। আমেরকার বিদেশ দফতরের মুখপাত্র বেদান্ত পটেল এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘‘আমরা চাই সব সাংবাদিকের স্বাধীনতা ও অধিকারকে যথাযথভাবে সম্মান দেখানো হোক।’’ অর্থাৎ বুধবার আমেরিকার বিদেশ দফতর স্পষ্ট ভাষায় বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারকে জানিয়ে দিল, কোনও পরিস্থিতিতেই সাংবাদিকদের স্বাধীনতা এবং অধিকারে হস্তক্ষেপ করা চলবে না। জবাবে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের প্রধান উপ মুখপাত্র বলেন, আমি এই প্রতিবেদনটি দেখিনি। যদি সত্য হয়, তাহলে অবশ্যই এটি দুর্ভাগ্যজনক। আমাদের শক্তিশালী দৃষ্টিভঙ্গি হলো, বাংলাদেশের পরিস্থিতিসহ যেকোনো পরিস্থিতি তুলে ধরার জন্য মুক্ত গণমাধ্যম অত্যাবশ্যক। তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে সংবাদপত্র ও গণমাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ। আমরা উৎসাহিত করার পাশাপাশি নিশ্চিত করতে চাই যে, সাংবাদিকদের অধিকার ও স্বাধীনতাকে যথাযথভাবে সম্মান করা হচ্ছে।
আবার বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে ফিরে এসেছে ডিপ স্টেট। জুলাই অভ্যুত্থান ও পরবর্তী পর্যায়ে হাসিনা সরকারের পতনের পর এসেছিল ডিপ স্টেটের...
Read more












Discussion about this post