দৃশ্য একই ভারত ও বাংলাদেশে সমানতালে চলছে দুই দেশের পতাকা অবমাননা। ক্ষোভের মূল ইস্যু ধর্ম! বাংলাদেশে হিন্দুরা লাঞ্ছিত ও অত্যাচারিত অভিযোগে সে দেশের জাতীয় পতাকা পোড়ানো হয় কলকাতায়। একইভাবে বাংলাদেশে চলছে ভারতের জাতীয় পতাকার অবমাননা। এক্ষেত্রে ইস্যু ভারতীয় আধিপত্যবাদ। চিন্ময় কৃষ্ণ মহাপ্রভুর গ্রেফতারির পর থেকে ফের একবার উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে বাংলাদেশ৷ বিক্ষোভের আগুন ছড়িয়ে পড়েছে বেশ কিছু জায়গায়৷ প্রতিবেশী দেশে শান্তি ফেরানোর আবেদন জানিয়েছেন অনেক টলিউডের শিল্পীরা ৷ পাশাপাশি, মহারাজের নিঃশর্ত মুক্তির দাবিও জানান সোশাল মিডিয়ায়৷ এরমধ্যেই নতুন কিছু ছবি ঘুরে বেড়াচ্ছে নেটপাড়ায়৷ যেখানে দেখা গিয়েছে, বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় ভারতের জাতীয় পতাকার অবমাননা করা হচ্ছে৷ ভারতের জাতীয় পতাকা বাংলাদেশের কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গেটে ফেলে রাখা হয়েছে। আর তা মাড়িয়ে যাচ্ছে লোকজন। অত্যন্ত ঘৃণ্য ছবি সামনে আসতেই নিন্দার ঝড় দেশজুড়ে। সমালোচনা বিভিন্ন মহল থেকে। এদিন বাংলাদেশের হাইকমিশনে যান আইএসএফ কর্মী-সমর্থকরা। এই ইস্যুতে কড়া জবাব দিলেন আইএসএফ নেতা নৌশাদ সিদ্দিকি। পড়শি দেশের এমন বিদ্বেষমূলক আচরণ, জাতীয় পতাকার অবমাননা নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া মিলেছে। এবার প্রতিবাদে গর্জে উঠলেন বাংলাদেশি লেখিকা তসলিমা নাসরিন। বললেন, এটা বিকৃত সুখ। বাংলাদেশ থেকে নির্বাসিত লেখিকা তসলিমা নাসরিনও এই কাজের ধিক্কার জানিয়েছেন। ফেসবুক পোস্টে তিনি লেখেন, “বিশ্বের কোনও পতাকাকে কোনও সুস্থ মস্তিস্কসম্পন্ন মানুষ অবমাননা করে না। আমি বিশ্বের প্রতিটি পতাকাকে সম্মান করি, প্রতিটি দেশের জাতীয় সঙ্গীতকে সম্মান জানাতে আমি উঠে দাঁড়াই। পাকিস্তান যে এত আমাদের শত্রু দেশ, আমি পাকিস্তানের পতাকাকেও পোড়াবো না, পায়ে মাড়াবো না। বাংলাদেশে প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবীরা ভারতের পতাকাকে পায়ে মাড়িয়ে যে সুখ পাচ্ছে, সে সুখ বিকৃত সুখ। যে মস্তিস্কে ঘৃণা থিকথিক করে, সে মস্তিস্ক অসুস্থ মস্তিস্ক। দুঃখ এই, বাংলাদেশ নামের দেশটি অসুস্থ অশিক্ষিত অপ্রকৃতিস্থ লোকের দেশ হয়ে উঠছে”। এই ইস্যুতে চুপ থাকেনি অভিনেতা জিতু কমলও। এদিন সোশাল মিডিয়ায় তিনটি ছবি শেয়ার করেন জীতু। ক্যাপশনে লেখেন, “যে দেশের সংস্কৃতি,খাদ্য ,বস্ত্র বিপনীর উপমা একসময় সারা বিশ্বব্যাপী বন্দিত হয়েছে/হচ্ছেও বোধ করি। যার জাতীয় সংগীত হাঁ করে শুনি। ক্রিকেট মাঠে নিজের দেশ কোন টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে গেলে, পরবর্তীতে মন থেকে তোমাদের সাপোর্ট করে এসেছি। আর আজ কী রূপ তুমি দেখাচ্ছ! বিশ্বাস করো,আজও তোমায় ভালোবাসি। স্নেহ-ভালোবাসা আজও আছে তোমার প্রতি। বহু কু-কথা,অসম্মান চুপ করে সহ্য করি, নিজের ভাতৃত্ববোধের কথা ভেবে।তুমি তো আমাদেরই অঙ্গ। কিন্তু আজ কী করলে তুমি ৷… ” এরপর জীতু লেখেন, “এ পতাকা, এ দেশ তোমায় কোনদিন কোনো সাহায্য করেনি? কোনদিন তোমার বিপদে পাশে দাঁড়াই নি? তোমার দেশের কোন শিল্পী,কোন সভ্যকে কোনদিন অসম্মান করেছে? ঈশ্বর বা আল্লাহ যাই মানো না কেন, কসম খেয়ে বলো দেখি।…. 150 কোটি তোমায় হুমকি দিচ্ছে না । সাবধান করছে। এরপর মারপিট হবে না,শুধু মারই হবে একটা সময়। কারণ, এ দেশ আমার দেশ। এ ভারতবর্ষ আমার ভারতবর্ষ। আমি একে যে, তোমার থেকে একটু হলেও বেশি ভালোবাসি।”
আবার বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে ফিরে এসেছে ডিপ স্টেট। জুলাই অভ্যুত্থান ও পরবর্তী পর্যায়ে হাসিনা সরকারের পতনের পর এসেছিল ডিপ স্টেটের...
Read more












Discussion about this post