আফগানিস্তানে হিন্দু ও শিখদের সম্পত্তির অধিকারকে প্রতিষ্ঠিত করা নিয়ে তালিবান সরকারের সিদ্ধান্তকে ইতিবাচক বলে উল্লেখ করলেন বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল। সেই সঙ্গেই সিরিয়ায় ইরানিয়ান দূতাবাসে ইজরায়েলের হামলা নিয়েও ভারতের উদ্বেগের কথা জানিয়েছেন তিনি। এই ঘটনায় ১৩জনের মৃত্যু হয়েছে। তার মধ্যে ৭ জন সেনা আধিকারিক ইরানের ও ৬ জন সিরিয়ার নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে। রণধীর জয়সওয়াল একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছেন, গত ১ এপ্রিল সিরিয়ায় ইরানের দূতাবাসে আক্রমণ নিয়ে আমরা উদ্বিগ্ন। পশ্চিম এশিয়ায় এই অশান্তি নিয়ে আমরা উদ্বিগ্ন। এর জেরে আরও হিংসার উদ্রেক হতে পারে। স্থিতিশীলতা নষ্ট হতে পারে। সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনে আগ্রহী কাবুলের নয়া শাসকেরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। নরেন্দ্র মোদী সরকার আফগানিস্তান, পাকিস্তান ও বাংলাদেশ থেকে বিতাড়িত হিন্দু, শিখ, জৈন এবং বৌদ্ধদের ভারতের নাগরিকত্ব দিতে বিজ্ঞপ্তি জারির পর পর তালিবান প্রশাসনের এই ঘোষণাকে খুবই তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে কূটনৈতিক মহল। বিজেপি এই সিদ্ধান্তকে নরেন্দ্র মোদীর কূটনৈতিক বিজয় হিসাবে দেখছে। সংবাদসংস্থা জানিয়েছে, তালিবানরা ক্ষমতায় ফেরার পর থেকেই পাকিস্তানের সঙ্গে দূরত্ব বাড়াতে শুরু করেছে। অন্যদিকে, হিন্দুস্থানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ানোর চেষ্টা শুরু করে তারা। যদিও মাস কয়েক আগে নয়াদিল্লির আফগান দূতাবাস বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল কাবুল প্রশাসন। পরে অবশ্য সেই সিদ্ধান্ত থেকে পিছিয়ে যায় তারা। তবে নয়াদিল্লির ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত আফগান রাষ্ট্রদূতকে সরিয়ে দেয় কাবুলের বর্তমান শাসকেরা। ২০২১ সালের অগস্ট মাসে তালিবানের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরের পর ভারত-আফগানিস্তান সরকারের সম্পর্কে অবনতি হয়। ভারত এখনও অবধি তালিবান সরকারকে স্বীকৃতি দেয়নি। সম্প্রতিই ভারতে দূতাবাসও বন্ধ করে দিয়েছে আফগানিস্তান। এদিকে দীর্ঘ সময় অবধি ভারত আফগানিস্তানে নানা উন্নয়ন প্রকল্পে সাহায্য করেছিল। সেই পুরনো সম্পর্ককে শোধরাতেই এবার তালিবান সরকারের নয়া উদ্যোগ। তালিবান আধিকারিকরা জানিয়েছেন, আফগানিস্তানে বসবাসকারী ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা দীর্ঘদিন ধরে যে অন্যায়-অবিচারের শিকার হয়েছেন, তাদের নিজেদের ঠিকানা থেকে বিচ্যুত করা হয়েছে, তাদের জন্যই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, হিন্দস্থানের সঙ্গে ঘনিষ্টতা বাড়ানোর চেষ্টা শুরু করে তালিবানিরা। যদিও মাস কয়েক আগে নয়াদিল্লির আফগান দূতাবাস বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল কাবুল প্রশাসন। পরে অবশ্য সেই সিদ্ধান্ত থেকে পিছিয়ে যায় তারা। তবে নয়াদিল্লির ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত আফগান রাষ্ট্রদূতকে সরিয়ে দেয় কাবুলের বর্তমান শাসকেরা। কূটনৈতিক মহল সূত্রে খবর, আফগানিস্তানের বিগত আমেরিকা সমর্তিত সরকারের সময়ে ভারতীয়দের উপর হমলর ঘটনাগুলি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে তালিবান প্রশাসন। এদিকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ প্রকাশ্যে ও অপ্রকাশ্যে আফগানিস্তানের সশস্ত্র সংগঠন তালেবানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের চেষ্টা করলেও বাংলাদেশ এই মুহূর্তে দেশটির বৈধ সরকারের সঙ্গেই কাজ করবে। বর্তমানে আফগানিস্তানে বাংলাদেশের কোনও মিশন নেই তাই এই মুহূর্তে তালেবানের সঙ্গে কোনও কূটনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তোলার লক্ষ্য নেই। ভৌগলিক কারণে আফগানিস্তানের অস্থিরতা যেকোনও দেশকে ভাবিয়ে তোলে। তাই তালেবানের উত্থানে তাদের হাতে রাখার চেষ্টা করছে বিভিন্ন দেশ। বিশেষ করে ভারত, চীন, রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রসহ বেশ কয়েকটি দেশ আফগানিস্তানের সশস্ত্র সংগঠন তালেবানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য প্রক্রিয়া শুরু করেছে। তালেবান নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছে।
আবার বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে ফিরে এসেছে ডিপ স্টেট। জুলাই অভ্যুত্থান ও পরবর্তী পর্যায়ে হাসিনা সরকারের পতনের পর এসেছিল ডিপ স্টেটের...
Read more












Discussion about this post