জ্বলছে বাংলাদেশ। সংখ্যালঘুদের উপর ক্রমাগত অত্যাচার চলছে। কার্যত আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন হিন্দুরা। স্বাভাবিকভাবেই সীমানায় চাপ বাড়ছে। অনুপ্রবেশের আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। এই আবহে এবার মায়ানমার-বাংলাদেশ সীমান্তেও চরম উত্তেজনা। সম্প্রতি রাজ্যসভায় তৃণমূল কংগ্রেস দাবি তুলেছিল, বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে বিবৃতি দিতে হবে। তবে চলতি অধিবেশনে বিষয়টি নিয়ে নরেন্দ্র মোদীর মুখ খোলার সম্ভাবনা নেই। কিন্তু লোকসভার প্রশ্নোত্তর পর্বে বাংলাদেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের দুরবস্থা নিয়ে সরব হলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। তাঁর বক্তব্য, বাংলাদেশ সংখ্যালঘু নিপীড়নের বিষয়টি এখনও উদ্বেগে রেখেছে। সেই সঙ্গে তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার বিষয়টির মোকাবিলায় যথাযথ ব্যবস্থা নেবে। এদিকে ভারতের উত্তরপূর্ব সহ পশ্চিমবঙ্গ ‘দখল’ করা বা ভেঙে দেওয়ার দাবিতে সম্প্রতি আলটপকা মন্তব্য করে চলেছেন বাংলাদেশের বিভিন্ন রাজনীতিবিদ। সোশ্যাল মিডিয়াতেও অনেকে এই অদ্ভূত দাবি করে পোস্ট করছেন। এরই মাঝে নিজেদের দেশে চট্টগ্রাম আলাদা হয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বাংলাদেশিরা। এই আবহে সম্প্রতি গণ অধিকার পরিষদের ব্যানারে একটি মিছিল হয়েছিল ঢাকায়। প্রতিবাদীদের দাবি ছিল, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করার লক্ষ্যে ফেনিতে যেন বাংলাদেশ সেনার একটি ক্যান্টনমেন্ট তৈরি করা হয়। পাশাপাশি ভারতকে ইকোনমিক জোন তৈরির যে অনুমতি দেওয়া হয়েছিল, তা যেন খারিজ করা হয়। গণ অধিকার পরিষদের আহ্বায়ক কর্নেল মিয়া মশিউজ্জামান অভিযোগ করেন, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতার করেছে ভারত। তাঁর দাবি, ভারত ক্রমাগত হাসিনাকে সমর্থন করে চলেছে যা কি না বাংলাদেশিদের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়। এদিকে গণ অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ফারুক হাসান অভিযোগ করেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা ভারতের কাছে সমর্পণ করেছিলেন হাসিনা। মাস দেড়েক ধরে এই বাংলাদেশিদের একাংশের নজর ভারতের সাত রাজ্যের দিকে। সেভেন সিস্টার্স দখলের হুংকার শোনা যায়। শিলিগুড়ি করিডর দখল করে উত্তর-পূর্বের ভারতকে দেশের মূল ভুখন্ড থেকে আলাদা করারও হুংকার দিতে থাকেন অনেকে। সেভেন সিস্টার্স নিয়ে বাংলাদেশি প্রধানমন্ত্রী মহম্মদ ইউনূসও দিল্লিকে হুঁশিয়ারি দেন। কিন্তু বাস্তব পরিস্থিতি পুরোপুরি আলাদা। সেভেন সিস্টার্স লোভী বাংলাদেশ নিজেদের জমিই হারাতে চলেছে। এ যেন সাত বোন আর জুম্মা। বাংলাদেশের এই জটিল পরিস্থিতি নিয়ে খোঁচা দিতে ছাড়ছে না ভারত। বাংলাদেশিদের একাংশের দাবি চট্টগ্রামে অশান্তির পিছনে রয়েছে ভারত। ভারতীয় গুপ্তচর সংস্থার মদতেই উত্তেজনা ছড়াচ্ছে। এ নিয়ে এখনও মুখ খোলেনি দিল্লির সাউথ ব্লক। উল্লেখ্য, সম্প্রতি ‘চার দিনে কলকাতা দখলের’ হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন বাংলাদেশের এক প্রাক্তন সেনা কর্তা। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছিল সেই ভিডিয়ো। এরপরে বিএনপি নেতা রুহুল রিজভিও ভারতের একাংশ দখলের হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। আবার বাংলাদেশের তিসরাই ইনসাফ পার্টির নেতা মিনাজ প্রধানও বলেন, ‘আমরা চার দিনের মধ্যেই কলকাতা, আগরলতলা ও সেভেন সিস্টার্স দখল করে নিতে পারি।’
আবার বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে ফিরে এসেছে ডিপ স্টেট। জুলাই অভ্যুত্থান ও পরবর্তী পর্যায়ে হাসিনা সরকারের পতনের পর এসেছিল ডিপ স্টেটের...
Read more












Discussion about this post