ফেব্রুয়ারি মাস জুড়ে কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছিল আওয়ামী লীগ জানুয়ারির শেষেই। এই মুহূর্তে এখনো আওয়ামী লীগের সেই কর্মসূচি চলছে। পয়লা ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া কর্মসূচিতে যখন ব্যাপক সারা জনগণের সমর্থন দেখা গেল তখন প্রথমের লিফলেট বিলি কর্মসূচি শুরু করা হয়। তাতেও বেশ সাড়া পাওয়া গেল এবং বোঝা গেল যে সফল হতে চলেছে আওয়ামীলীগ এর এই কর্মসূচি। কর্মসূচি টা বিস্তারিত ভাবে বললে,১- ৫ ফেব্রুয়ারি ছিল লিফলেট বিতরণ ও জনসংযোগ, ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে প্রতিবাদ মিছিল ও সমাবেশ, ১০ ফেব্রুয়ারি বিক্ষোভ মিছিল সমাবেশ, ১৬ ফেব্রুয়ারি অবরোধ কর্মসূচি ১৮ই ফেব্রুয়ারি সমগ্র দেশ জুড়ে সকাল সন্ধ্যা হরতাল কর্মসূচির ঘোষণা করেছিল আওয়ামী লীগ। কিন্তু ১৬ ফেব্রুয়ারীর কর্মসূচিতে একটু বদল এনে সেদিন মশাল মিছিলের ডাক দেওয়া হয়েছিল। আওয়ামী লীগের কর্মসূচি এখনও চলছে কিন্তু সেটি খানিকটা নিষ্ক্রিয় হয়ে এসেছে। কিন্তু আওয়ামী লীগ আস্তে আস্তে উজ্জীবিত হচ্ছে তাদের কর্মসূচিতে, ভয় পেয়ে গেল বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার।
এই আবহে অন্তর্বর্তী সরকারের তরফ থেকে আওয়ামী লীগকে আঘাত হানার ষড়যন্ত্র শুরু হয়ে গেল। আমিতো অবস্থায় সরকারের পৃষ্ঠপোষকতা ও নির্দেশনাতেই গত বছর ৫অগাস্ট মুক্তিযুদ্ধের মূল কান্ডারী বঙ্গবন্ধু স্মৃতি বিজড়িত বাড়িটি জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছিল, পড়েছিল বাসভবনটির শুধুমাত্র একটি কঙ্কালসার চেহারা। সে কঙ্কালটি কেউ ধ্বংস করে দেওয়ার একটি পরিকল্পনা করা হলো ৫ ফেব্রুয়ারি। বাড়িতির কঙ্কালটিকেও বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হল। নার পর বাংলাদেশের জনসাধারণ ব্যথিত হয়েছেন একপ্রকার দুঃখ পেয়েছেন। আর আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীরা তারা তো অবশ্যই দুঃখিত এবং ব্যথিত নৃশংস ঘটনায়।
এরপর আরো একটি ঘটনা ধানমন্ডিতে অবস্থিত শেখ হাসিনার স্বামী বাসভবন অর্থাৎ যেটি সুধা সদন নামে পরিচিত সেখানেও আগুন লাগানো হয়েছে। সেখানেও চলে ধ্বংসলীলা। এই ধ্বংসলীলা চলেছে আরও বিভিন্ন আওয়ামী লীগ নেতার বাসভবনে।
আরে কর্মকান্দের পর যারাই কর্মকাণ্ডের যুক্ত ছিল তাদের মধ্যে একটি উৎসবের মনোভাব কাজ করছিল । এককথায় বলা যায় আওয়ামী লীগের যারা দসর ছিলেন তারাই এখন রীতিমতো জানাচ্ছেন যে এই গোটা ১৫ বছরে আওয়ামী লীগের যত নেতা মন্ত্রী আমলা আছেন তাদের বাসভবনে ধ্বংসলীলা চালাবেন তারা।
উল্লেখ্য, ৩২ নম্বর ধানমন্ডির বঙ্গবন্ধুর বাড়ি যারা ধ্বংস করেছেন তাদের পরিকল্পনা ছিল তাদের পরবর্তী টার্গেট হবে টুঙ্গিপাড়া, তারা ঢাকা থেকে সদলবলে টুঙ্গিপাড়া পৌছাবে সেখানে গিয়ে বঙ্গবন্ধুর যে বাসভবন সেটি তারা ভাঙচুর করবে। যদিও এখনও পর্যন্ত তার মাজার বা কবরস্থান ধ্বংস করার কথা বলা হয়নি। তবে সেখানে দুটি বাড়ি রয়েছে, একটি বঙ্গবন্ধুর পৈত্রিক বাড়ি ও অপরটি শেখ হাসিনা বসবাসের জন্য নতুন নির্মাণ করেছিলেন। এছাড়াও সেখানে রয়েছে শেখ সেলিম সাহেবের ভবন। আর এই টুংকি পাড়ায় যদি ভাঙচুর হয় বিভিন্ন বাস ট্রাক ভর্তি করে যদি সেখানে মানুষ জমায়েত হয় তাহলে সেই পরিস্থিতি কিভাবে সামাল দেওয়া হবে সেটা নিয়ে হয়তো আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তারাই চিন্তাভাবনা করবেন।












Discussion about this post