ইউনুসের কণ্ঠে সেনার প্রশংসা! বাংলাদেশের সরকার পতনের পর থেকে সেই দেশে যখনই উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে তখনই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে সে দেশের সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার উজ জামানের নাম। কখনো সেনা অভুত্থান কখনো সেনাপ্রধানের ওপর আক্রমণ নানা ধরনের পরিকল্পনা চলেছে বিরোধীদের তরফে। কখনো সরকারের তোপের মুখে পড়তে হয়েছে সেনাপ্রধান কে। তবে এবার বাংলাদেশের সেনা প্রধান ওয়াকার উজ জামানের উপস্থিতিতে বাংলাদেশের সেনার ভূয়সী প্রশংসা উঠে এল মহম্মদ ইউনুসের বক্তব্যে।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক পদ পরিবর্তনের সময় থেকে শুরু করে সাম্প্রতিককালে বিভিন্ন সময় বাংলাদেশের সেনাপ্রধান ওয়াকার উজ জামানকে ঘিরে অভ্যুত্থান সম্পর্কিত জলঘলা অব্যাহত । তবে এবার এই সমস্ত জল্পনা কে দূরে সরিয়ে নতুন জল্পনা সামনে আনলেন সে দেশের প্রধান উপদেষ্টা ডঃ মুহাম্মদ ইউনুস। তেজগাঁওয়ে একটি অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টার বক্তব্য উঠে এল বাংলাদেশের সেনা বাহিনীর ইতিবাচক দিক।
মূলত বাংলাদেশের তেজগাঁওয়ে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের হাতে ঘরের চাবি তুলে দেয়া অনুষ্ঠানে তিনি বাংলাদেশের সেনার প্রতি দেন বড় বার্তা। বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনুস বলেন,’বন্যা বেড়ে যাচ্ছিল। সাহায্যের জন্য সারা দেশ ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। বন্যায় যারা বাড়িঘর হারিয়েছিল, তাঁদের কোথাও যাওয়ার জায়গা ছিল না।’ যারা ব বন্যায় বাড়িঘর হারিয়েছেন অর্থাৎ যারা প্রাপ্য, তাদের বাড়ি দেওয়ার একটি সরকারি প্রকল্প চালু করার কথা ভাবা হয়েছে । তিনি বলেন, তখন এই প্রক্রিয়াটি শুরু করার প্রস্তাব এসেছিল আশ্রয়ণ প্রকল্পের মাধ্যমে করার।’ একই সঙ্গে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা বলেন,’ সেই প্রকল্পের বিষয়ে জানা ছিলনা তবে পরে জানা গেলো এটা সেনাবাহিনী করবে। তখন স্বস্তি পেলাম,আসলে টাকাটা সঠিকভাবে ব্যবহার হবে এতে।’ এই বাড়ি নির্মাণের জন্য টাকার সঠিক ব্যবহার হয়েছে দেখে স্বস্তি প্রকাশ করেন বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা। তিনি বলছেন,’ এই প্রকল্পের মাধ্যমে টাকাটার সঠিক ব্যবহার হয়েছে। ঘরটাও সঠিকভাবে নির্মাণ হয়েছে। গুণগতমানের ব্যাপারেও আশ্বস্ত হলাম।’
উল্লেখ্য, সদ্য পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার পর থেকে পাকিস্তানের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক ক্রমশ তলানিতে ঠেকেছে। এদিকে, পাকিস্তানের সঙ্গে বাংলাদেশের বর্তমান সরকারের বন্ধুত্ব প্রীতি বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যদিকে, পাকিস্তানের এক মন্ত্রী গতকাল রাত ২ টো এক প্রেস কনফারেন্সে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে, ২৪ থেকে ৩৬ ঘণ্টার মধ্যে ভারত, হামলা করতে পারে পাকিস্তানে। এদিকে ভারতের সেনার ৩ বাহিনীর প্রধানের সঙ্গে দিল্লিতে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসেন প্রধানমন্ত্রী মোদী, এবং তাদের সামরিক কৌশলে পূর্ণ স্বাধীনতা দেন। তারই মাঝে বাংলাদেশের সেনার প্রশংসা শোনা গেল সেদেশের প্রধান উপদেষ্টার কণ্ঠে।












Discussion about this post