ভারতীয়সেনার ‘অপারেশন সিঁদুর’-এ দিশেহারা পাকিস্তান। আসরে নেমেছে ভারতের স্থল -জল – আকাশ বাহিনী।বৃহস্পতিবার রাতে ফের পাকিস্তানের ড্রোন হামলার অপচেষ্টা। শেষ পর্যন্ত রাজস্থানের শ্রীগঙ্গানগরে পাকিস্তানের ড্রোন হামলার সেই চেষ্টা ব্যর্থ করেছে ভারতীয় সেনা। ভারতের প্রত্যাঘাতেই মাটিতে পড়ে পাক ড্রোন। ভারতের তিন বাহিনীর সক্রিয়তায় আরো কোণঠাসা পাকিস্তান।
পাকিস্তানের ড্রোন হামলায় ভারতের একাধিক সেনা ছাউনিকে টার্গেট করেছিল পাকিস্তান। কিন্ত সেই নিশানাকে মাঝ আকাশেই ব্যর্থ করে দেয় ভারতের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম S-400। ভারতের সুদর্শন চক্রের প্রথম আঘাতেই, টুকরো টুকরো হয়ে যায় পাকিস্তানের মিসাইল! S 400 এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম আকাশপথে শত্রুপক্ষ আক্রমণ করলে তা প্রতিহত করতে সিদ্ধহস্ত। ভারতের পাল্টা ড্রোন হামলায় বিকল হয়ে পড়ে একের পর এক পাকিস্তানি ড্রোন। বিকল হয়ে যায় চিন থেকে আমদানিকৃত পাকিস্তানের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম। পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের রাজধানী লাহৌরের পাশাপাশি ভারত পাল্টা আক্রমণ করে রাওয়ালপিণ্ডি, ইসলামাবাদ, করাচিতে। অর্থাৎ পাকিস্তান সেনার সদর দফতর এ।
পাশাপাশি, জম্মু ও কাশ্মীরে কমপক্ষে ৮টি এবং রাজস্থানের জয়সলমেরে ৩০টি ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করেছে ভারত। ভারতের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাকিস্তানের একটি F16 জেট এবং দুটি JF-17 যুদ্ধবিমানও ধ্বংস করে মাটিতে নামিয়ে এনেছে ভারতীয় বায়ুসেনা। লাহোরের উপর ভারতের পাল্টা ড্রোন আক্রমণে লাহোরের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাও বিকল হয়ে পড়েছে।
এরপর অ্যাকশন শুরু করতে আসরে নামে ভারতের নৌ বাহিনী। অসমর্থিত সূত্র বলছে, করাচির নাকের ডগায় প্রতিস্থাপন করা আইএনএস বিক্রান্ত। ফের আরব সাগরে পাঠানো হয়েছে আইএন এস বিক্রান্ত। গোটা করাচি বন্দরকে অবরুদ্ধও করা হয়েছে।পরপর ৮ থেকে ১২টা বড় বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গিয়েছে করাচি বন্দরে, করাচি বন্দরে এই বিস্ফোরণের ফলে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তবে বিস্ফোরণের প্রকৃত সূত্র কি তা এখনও জানা সম্ভব হয়নি।
প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার মধ্যরাতে ‘অপারেশন সিঁদুর’ এ ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে পাকিস্তানের নটি জঙ্গি ঘাটি। মৃত্যু হয়েছে শতাধিক জঙ্গির । বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় সরকারের সর্বদল বৈঠকে এমনই বার্তা দেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহ। তিনি জানান ‘অপারেশন সিঁদুর’ এখনো জারি রয়েছে। এরপর ওই দিন রাত থেকেই তার প্রমাণ মেলে পাকিস্তানের ড্রোন হামলায় ভারতের তীব্রতর প্রত্যাঘাতে। পাশাপাশি ভারতের শাসক বিরোধী সব দলই দেশের জরুরী পরিস্থিতিতে কাঁধেকাধ মিলিয়ে একত্রিত হয়ে সরকারের পাশে দাঁড়িয়েছে।
দেশের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে,অসামরিক বিমান চলাচল নিরাপত্তা ব্যুরো দেশজুড়ে সমস্ত বিমান সংস্থা এবং বিমানবন্দরকে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার নির্দেশ দিয়েছে। সমস্ত বিমানবন্দরে সমস্ত যাত্রীদের একটি সেকেন্ডারি লেডার পয়েন্ট চেক করতে হবে। টার্মিনাল ভবনে দর্শকদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। অসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রক সূত্র জানিয়েছে, এয়ার মার্শালদের মোতায়েন করা হবে যথাযথভাবে।












Discussion about this post