ব্রহ্মোস সুপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে একাধিক বিমানঘাঁটিতে হামলার মতো ভারতের সিদ্ধান্তমূলক পদক্ষেপ, পাকিস্তানকে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হতে বাধ্য করেছে, খবর উচ্চপদস্থ সূত্রের।
যেখানে ভারতের চালে দিশেহারা পাকিস্তান, সেখানে বাংলাদেশ দাবি করছে ভারতের যুদ্ধে হেরে গিয়েছে। অর্থাৎ যে দেশের ভারতের মুখোমুখি হওয়ার সামান্য শক্তি টুকু নেই সেই দেশ ভারত-পাক যুদ্ধের আবহে নিজস্ব মতামত তৈরি করে তা ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টায় উদ্যত।
উল্লেখ্য, ভারতের সন্ত্রাসবাদী হামলার প্রত্যাঘাত হিসেবে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারত অপারেশন সিঁদুর শুরু করে। শেষ করে দেয় একের পর এক পাকিস্তানি জঙ্গি খাঁটি। এরপর পাকিস্তান পাল্টা হামলায় নেমে পড়ে ভারতের বিরুদ্ধে। এখান থেকেই শুরু হয় ঘাত প্রত্যাঘাত। পাকিস্তান তাদের ফাতাহ ২ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে নয়া দিল্লিকে লক্ষ্যবস্তু করার চেষ্টা করার পর ভারত ব্রহ্মোস ব্যবহার করে, যা রাজধানী থেকে ১২৫ কিলোমিটার দূরে হরিয়ানার সিরসার কাছে এস ৪০০ বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দ্বারা প্রতিহত করা হয়েছিল এবং ভূপাতিত করা হয়েছিল।
ভারতীয় জনতা পার্টি বা বিজেপি গত শুক্রবার নিজেদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোষ্টের মাধ্যমে লেখে অনুরোধ নয়, এবার যুদ্ধ হবে। আর এরপরই বাংলাদেশের দাবি, বিজেপির ওই পোস্টের ২৪ ঘণ্টার একটু বেশি সময় পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পসহ দেশটির অন্যান্য কর্মকর্তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে বলে ঘোষণা দেন। ফলে সংঘর্ষ বিরতি শুরু হয় ভারত পাকিস্তানের মধ্যে।
আর এই সংঘর্ষ বিরতির পর বাংলাদেশের আরো দাবি, সংঘর্ষবিরতির ঘোষণার পর দুই দেশের বেশির ভাগ মানুষ, বিশেষ করে সীমান্তবর্তী অঞ্চলের মানুষ স্বস্তি প্রকাশ করেন। কিন্তু হিন্দুরা যুদ্ধবিরতির ঘোষণায় খুশি হতে পারেননি। এই ঘোষণায় তাঁরা হতাশা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। অর্থাৎ,হিন্দুত্ববাদী কর্মী, সরকারপন্থী সংবাদমাধ্যম ব্যক্তিত্ব, এমনকি বিজেপি নেতারাও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেদের অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাঁদের মতে, শক্তিমত্তার দিকে এগিয়ে থেকেও যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে ভারত আত্মসমর্পণ করেছে,এমনই বেশ কিছু দাবি বাংলাদেশের। কিন্তু যেখানে বাংলাদেশ পরোক্ষভাবে পাকিস্তানকে সমর্থন এবং সন্ত্রাসবাদে মদত দিয়ে ভারতের কোপের মুখে পড়েছে সেখানে সত্যিই কি, তাদের মুখে ভারতের মত পরমাণু শক্তিধর দেশের বিরুদ্ধে পরাজয়ের কথা মানায়?
উল্লেখ্য,মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হস্তক্ষেপের পর দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা থেমে যায়। ট্রাম্প শনিবার ট্রুথ সোশ্যালে তার পোস্টে বলেছিলেন যে ভারত ও পাকিস্তান “পূর্ণ ও তাৎক্ষণিক যুদ্ধবিরতিতে” সম্মত হয়েছে।
পরে, ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি ঘোষণা করেন যে দুই দেশের ডিজিএমও শনিবার বিকেল ৫টা থেকে স্থল, আকাশ এবং সমুদ্রে সমস্ত ধরণের গোলাগুলি এবং সামরিক পদক্ষেপ বন্ধ করতে সম্মত হয়েছেন। তবে কয়েক ঘন্টা পরেই পাকিস্তান যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে। আর এরপরই ভারতীয় সেনা পাকিস্তানের সমস্ত হামলার ছক নস্যাত করে দিয়ে আবারো তাদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে। ভয়ংকর আঘাতে চূর্ণ-বিচূর্ণ করে দিয়েছে পাকিস্তানের ড্রোন হামলা। পাশাপাশি নস্যাৎ করেছে বাংলাদেশের বিভিন্ন দাবি গুলিকেও।












Discussion about this post