সেনাপ্রধানের পরিবার থেকে ভয়ঙ্কর অভিযোগ, বন্দি নয় হত্যা করা হতে পারে সেনাপ্রধাকে। আগামী তিন দিনে বড় কিছু ঘটে যেতে পারে বাংলাদেশে। এতদিন শোনা যাচ্ছিল বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সেনাপ্রধানের সঙ্গে তদরকী সরকারের মতবিরোধ এতটাই প্রবল যে, সংবিধান বাতিলের মাধ্যমে সেনাপ্রধানকে গ্রেফতার করা হবে।কিন্তু এখন শোনা যাচ্ছে হত্যার পরিকল্পনা চলছে সেনাপ্রধানকে।
বাংলাদেশ সৃষ্টির পর থেকেই, বাংলাদেশের বুকে ঘটে চলেছে রোমহর্ষকর সব ঘটনা। যা আজও অব্যাহত। গত ৫ই আগস্টের পর থেকেও ঘটে চলেছে একের পর এক উত্থান পতনের নানা কাহিনী। এতদিন মনে হচ্ছিল সব কন্ট্রোল হয়তো সেনাপ্রধানের হাতেই আছে। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে সেনাপ্রধান নিজেই প্রাণ সংশয়ে ভুগছেন। এবং সেটিও জানানো হচ্ছে সেনাপ্রধানের পরিবার থেকেই। ৫ই আগস্টের পর থেকেই পাকিস্তানের আইএসআইএর প্রভাব বাংলাদেশের বুকে বিস্তার লাভ করতে দেখা যায়। কারণ পাকিস্তান মনে করছে ৭১ এর স্বাধীনতার গৌরবময় ইতিহাস মুছে দিতেই তারা ২৪শের অভ্যুত্থান ঘটিয়েছে।
সেখান থেকে পরিস্থিতিটাকে সেনাপ্রধান কোনরমকে সামলে নিয়ে আসছিলেন। কিন্তু সেনাপ্রধানের সঙ্গে তদারকী সরকারের প্রকাশ্য বিরোধ শুরু হয় আওয়ামীলীগকে ভোটে অংশ নিতে দেওয়া এবং বাংলাদেশ থেকে রাখাইন পর্যন্ত আরাকান আর্মীর জন্য মানবিক করিডর দেওয়া নিয়ে। এবং মার্কিনযুক্ত রাষ্ট্র থেকেও সেনপ্রধানের কাছে অনুরোধ আসে, যেন তিনি মানবিক করিডর দেওয়ার বিষয়টি মেনে নেন। অপর দিকে সংবিধান বাতিল করে রাষ্ট্রপতি এবং সেনাপ্রধানকে ক্ষমতা হীন করে দেওয়ার চক্রান্ত শুরু হয়, সব মিলিয়ে বেশ চাপে ছিলেন সেনাপ্রধান, আর এসবে মাঝে এবার শোনা যাচ্ছে সেনাপ্রধানকে হত্যার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। পরিস্থিতি এমন যে, হয় সেনাপ্রধান থাকবেন অথবা তদারকী সরকার থাকবে, তিন দিনের মধ্যে বড় কিছু ঘটে যেতে পারে বলে খবর। যদিও এর আগেও মাত্র কয়েকদিনের মধ্যে রাষ্ট্রপতির মাধ্যমে সেনাপ্রধানকে সরিয়ে দেওয়ার একটি ব্যর্থ প্রচেষ্টা করা হয়েছিল। আর এই সব নিয়েই সেনাপ্রধান এবং তদারকী সরকারের মধ্যে চাপান উতোর শুরু হয়।
গত পরশু দিন সেনাপ্রধান একটি মিটিং আহ্বান করেন যেটি আজ হওয়ার কথা ছিল। যেখানে তিনি সেনাবাহীনির অফিসার এবং সাধারণ সেনাদের উদেশ্যে ভাষন দেবেন। কিন্তু গতকাল রাতে হঠাৎ মার্কিন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদুত সেনাপ্রধান এবং চিফ এ়়ডভাইসারের সঙ্গে দেখা করেন। তার পরই জানা যায় যে আজ সকালের সেনাপ্রধানের আহ্বান করা মিটিং টি হচ্ছে না। পরিবর্তে সেনাপ্রধান, প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে চা চক্রের আয়োজনে মিলিত হবেন। কিন্তু গতকাল রাত ১১টার পরে জানা যায়। ৪২ জন উর্ধতন সেনা অফিসার রাত ১২ টার দিকে সেনাপ্রধানের সঙ্গে দেখা করে বহুক্ষন পর্যন্ত মিটিং করেন। সেখানে সেনাপ্রধান জানতে পারেন যে তাকে কাল পাকিস্তানের আইএসআই পন্থি একটি গোষ্টী হত্যা করার পরিকল্পনা নিয়েছিল। যারা সেনাপ্রধান কে আগেও সরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করিছিল।
ঐ ৪২ জন সেনা অফিসারের পক্ষ থেকে সেনাপ্রধানকে আশ্বস্থ করা হয় যে তার বিরুদ্ধে কোন বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি কার্যকর করতে দেওয়া হবে না। এবং তাদের পরামর্শেই সেনাপ্রধানের স্ত্রী ভারতের এক উচ্চপদস্থ গোয়েন্দার সঙ্গে কথা বলেন তাদের নিরপত্তার জন্য।এবং যে ফোন থেকে ফোন করেন সেটিও সেনাপ্রধানের ফোন । এবং তখনই সেনাপ্রধানের তরফ থেকে আজ সকালের প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে যে চায়ের নিমন্ত্রন সেটিও বাতিল করে দেওয়া হয়। কারণ তিনি সেখানে গেলে তার প্রাণ সংশয় হতে পারে।












Discussion about this post