বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে ভারত তার পুশব্যাক প্রক্রিয়া অব্যাহত রেখেছে। অর্থাৎ ভারতে বসবাস করে অবৈধ বাংলাদেশি নাগরিকদের বাংলাদেশ ফেরত পাঠাচ্ছে ভারত সরকার। ভারতের এই ধরনের একাধিক কার্যক্রম কোনোভাবে ই ঠেকানো যাচ্ছে না, যেখানে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কার্যত অসহায় হয়ে পড়েছে। আর সরকারের এই অসহায়ত্বের প্রেক্ষাপটে বলাই যায় এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারি ভারতের সঙ্গে নানা রকম বিরোধিতায় জড়িয়ে বন্ধুত্বের সম্পর্ক টিকে শত্রুতায় নিয়ে গিয়েছে। ভারতের এই চাপ সামাল দিতে না পেরে এখন সরকারের বিভিন্ন উপদেষ্টারা তাদের অসহায়তার কথা বলছেন এমনকি অসংলগ্ন কথাও শোনা যাচ্ছে তাদের বক্তব্যে। কিন্তু অন্তরবর্তী সরকার কেন ভারতের এই চাপ সামাল দিতে পারছে না? এ সরকারের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাই বা কি?
ভারতের ইতিমধ্যে একাধিক সীমান্তে সামরিক মহড়া শুরু করেছে এবং ক্রমাগত ভারত থেকে পুশব্যাক করছে বাংলাদেশে। কিন্তু ভারতের কর্মকাণ্ড গুলি দেখে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার অসহায়ত্ব বোধ করছে। একাধিকবার বাংলাদেশ সরকার ভারতকে চিঠি দিয়েছে কিন্তু সেই চিঠিতেও মেটেনি কোন সমাধান সূত্র তা স্পষ্ট হয়েছে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠা তৌহিদ হসেনের বক্তব্যে। কিন্তু তাহলে বারবার প্রচেষ্টার পরেও কেন ব্যর্থ বাংলাদেশ বাংলাদেশের বর্তমান সরকার কি কোনই পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারছে না।
এই প্রেক্ষাপটে বলা হচ্ছে বাংলাদেশ সরকার এবং তার উপদেষ্টা মণ্ডলী তাদের শাসনকালের শুরু থেকেই একের পর এক ভারত-বিদ্বেষী মনোভাব হুংকার হুশিয়ারি দিয়ে গিয়েছে ভারতের বিরুদ্ধে। এমনকি সর্বশেষ প্রধান উপদেষ্টা সর্বদলীয় বৈঠকেও দেখা গিয়েছে তিনি ভারতের আধিপত্যবাদের প্রসঙ্গ তুলেছেন। এবং তিনি দাবি করেছেন ভারত-বাংলাদেশে আধিপত্য বিস্তার করছে যার ফলে সংকটের সম্মুখীন বাংলাদেশ। ফলে ধীরে ধীরে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক একেবারে তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে।
আমার সম্প্রতি ভারতের পুষ ব্যাক নিয়ে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেছেন, ভারত থেকে বাস্তবিক অর্থে পশেন ঠেকানো সম্ভব নয় দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান কন্সিলর পারস্পরিক সংলাপের মাধ্যমে এই সমস্যাকে একটা প্রক্রিয়া অনুযায়ী সমাধান করা যায় কিনা তা নিয়ে আলোচনা চলছে অর্থাৎ ভারত থেকে যে হচ্ছে সেটা ফিজিকালি আর ঠেকানো সম্ভব নয় এই বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারি চিঠির মাধ্যমে এই সমস্যা সম্পর্কে অবগত করেছে ভারতকে।
কিন্তু, এ বক্তব্য গুলির মাঝে একটি বিভ্রান্তিকর মন্তব্য করে বসেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা। বাংলাদেশের জন্য ভারতের ট্রান্সশিপমেন্ট সুবিধা বাতিল শাপে বর হয়েছে অর্থাৎ এতে সুবিধায় হয়েছে বাংলাদেশের । ভারতের ওপর নির্ভরশীলতা কমে গেছে। বাংলাদেশের কোন রপ্তানি তাতে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে না। এটা একদিক দিয়ে ভালোই হয়েছে সবকিছুর জন্য অন্য দেশ থেকে ট্রানজিট করতে হবে বাংলাদেশের।” অর্থাৎ প্রতি মুহূর্তে যদি সরকারের উপদেষ্টা ভারতের বিপক্ষে গিয়ে কথা বলে তবে খুব স্বাভাবিকভাবেই ধরে নেওয়া যায় বাংলাদেশের কোন আবেদন বা অনুরোধ মেনে নেবে না ভারত সরকার। ফলে ভারতের এই পুশব্যাক আটকানো অধরাই থেকে যাবে বাংলাদেশের অন্তবর্তী সরকারের কাছে।












Discussion about this post