ফের আলোচনায় ছাত্র- জনতা! বাংলাদেশ জুড়ে মব থামানো যাচ্ছে না। এবার মবের শিকার পুলিশ, খুলনায় মব সৃষ্টি করে বিপর্যস্ত করা হল পুলিশকে। এছাড়াও খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের প্রধান কার্যালয় কেএমপি তে তালা ঝোলানো হলো এই মবের মাধ্যমে। এতদিন ধরে যারা গোটা দেশে মব সৃষ্টি করে এসেছে তারাই এবার একপ্রকার সংঘর্ষে জোরালো পুলিশের সঙ্গে। এখন কি পরিস্থিতি খুলনার? মবের জেড়ে কতটা বিপর্যস্ত খুলনার মেট্রোপলিটন পুলিশ?
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের প্রধান কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছে ‘ছাত্র-জনতা’। ২৫ জুন খুলনার কার্যালয় ঘেরাও করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন,জাতীয় নাগরিক পার্টি ও ‘ছাত্র-জনতা’। জুলাই অভ্যুত্থানে হামলার অভিযোগে এসআই সুকান্ত দাশকে আটকের পর তাকে মুক্ত করার প্রতিবাদে এ ঘটনা বলে দাবি করা হচ্ছে। ওইদিন কর্মসূচি শুরু করলে পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো সাড়া না পাওয়ায় কেএমপি কমিশনারের পদত্যাগের দাবি জানায় আন্দোলনকারীরা। এছাড়া মূল ফটকের সামনের সড়ক অবরোধ করে রাখে তারা। বিক্ষুব্ধ ছাত্ররা পুলিশের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন।
কেএমপি সূত্রে জানা গেছে, এসআই সুকান্ত দীর্ঘদিন সোনাডাঙ্গা থানায় কর্মরত ছিলেন। ২০২৩ সালে খুলনা সদর থানায় তাকে বদলি করা হয়। এরপর গণঅভ্যুত্থান পরবর্তীতে প্রথমে তাকে ঢাকায় ও পরে চুয়াডাঙ্গায় বদলি করা হয়। দাবি করা হচ্ছে, পতিত ফ্যাসিবাদী সরকারের অতি উৎসাহী পুলিশ কর্মকর্তাদের তালিকায় ছিলেন সুকান্ত। তিনি সরকার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে গা ঢাকা দেন। এক পর্যায়ে তাঁকে ঢাকায় বদলি করা হয়। এরপর মঙ্গলবার একটি মামলার সাক্ষ্য দিতেই মূলত তিনি খুলনায় আসেন। সাক্ষ্য দিয়ে ফেরার পথে তাকে মারধর করে মব সৃষ্টিকারীরা। এরপর পুলিশ সুকান্ত কে আটক করলে, রাতে তাকে ছেড়ে দেয় পুলিশ। এই বার্তা জানার পর ছাত্র-জনতা আরও বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। এরপর তিনি তারা খুলনা মেট্রোপলিটন কার্যালয় শুরু করে।
উল্লেখ্য,কেএমপি র তরফে আরও জানানো হয় এসআই সুকান্তকে ছাত্র জনতা মারধর করে এরপর তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয় চিকিৎসার জন্য। তাঁর বিরুদ্ধে কোনো মামলা আছে কি না সে বিষয়ে ধারণা নেই কেএমপির। এ জন্য তাঁকে গ্রেফতারি দেখানো হয়নি। তবে কেএমপির পুলিশ কমিশনার মো. জুলফিকার আলী হায়দার গণমাধ্যমে জানিয়েছেন, এসআই সুকান্তসহ সারা দেশে অনেক পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলার তদন্ত চলছে। তাঁদের বিরুদ্ধে তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে অবশ্যই বিচারের মুখোমুখি করা হবে।এসআই সুকান্ত নজরদারিতেই রয়েছেন। সম্প্রতি এই মব এর জেরে আতঙ্কে রয়েছে বাংলাদেশের পুলিশ।












Discussion about this post