সীমান্তে ভয়ঙ্কর অ্যাকশন শুরু বিএসএফ এর। সাম্প্রতিককালে অনুপ্রবেশকারী ঠেকাতে একটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক পদক্ষেপ বিএসএফের। পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এলাকায় পরপর দুটি ঘটনা উদ্বেগ বাড়িয়েছে মোহাম্মদ ইউনুসের। আর এই ঘটনার সুদূরপ্রসারী ব্যাপ্তির ফলে দুজন অনুপ্রবেশকারী কে গুলি করে মারতে বাধ্য হলো বিএসএফ। বিএসএফ সূত্রে খবর তারা শুধু অনুপ্রবেশকারী ছিলেন না চোরাচালানকারী। ভারতে ঢুকে বিভিন্ন সীমান্তবর্তী অঞ্চলকে অশান্ত করতে ছিল এই অসাধু ব্যক্তিরা। আর দেশের সুরক্ষার ক্ষেত্রে এই সমস্ত ব্যক্তিদের গুলি করে শেষ করেছে বিএসএফ।
বুধবার পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলায় বাংলাদেশ থেকে আসা একদল চোরাচালানকারী, সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদস্যদের আটকাতে গিয়ে তাদের উপর আক্রমণ করে, যার ফলে একজন চোরাচালানকারী নিহত হয়। সীমান্তরক্ষী বাহিনী এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে যে,চার থেকে পাঁচজন চোরাচালানকারীকে বাংলাদেশ দিক থেকে নদী পার হয়ে ভারতীয় অঞ্চলে প্রবেশ করতে দেখা যায়। দলটি চোরাচালানকারীদের থামার জন্য সতর্ক করে দেয়, কিন্তু তারা অগ্রসর হতে থাকলে, তাদের নিবৃত্ত করার জন্য প্রথমে পিএজি ব্যবহার করে এক রাউন্ড শূন্যে গুলি চালানো হয়, কিন্তু চোরাকারবারীরা একজন জওয়ানকে ঘিরে ফেলে এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার উপর আক্রমণ করে।আত্মরক্ষার জন্য এবং তাকে রক্ষা করার জন্য, অন্য একজন জওয়ান তার INSAS রাইফেল থেকে গুলি চালায়, যা একজন আক্রমণকারীke আঘাত করে, একজন বিএসএফ কর্মকর্তা জানিয়েছেন।আহত পাচারকারীকে কৃষ্ণগঞ্জ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত বিএসএফ জওয়ানকেও প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, “বিজিবি এর কাছে বারবার উদ্বেগ প্রকাশ করা সত্ত্বেও, সিদ্ধান্তমূলক পদক্ষেপের অভাব আন্তঃসীমান্ত চোরাকারবারীদের উৎসাহিত করেছে।”
অন্যদিকে, একই দিনে মালদার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে গরু পাচার রুখতে গিয়ে বিএসএফের ওপর হামলা চালায় বাংলাদেশী চোরাচালানকারীরা । পাল্টা তাদের হামলা প্রতিরোধ করতে গিয়ে তিন রাউন্ড গুলি ছোড়ে বিএসএফ। আর তাতেই নিহত হয়েছে এক বাংলাদেশি চোরাকারবারি।
বুধবার মধ্য রাত ঘটনাটি ঘটেছে হবিবপুর থানার জাজইল গ্রাম পঞ্চায়েতের ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে। যে এলাকায় এই ঘটনাটি ঘটেছে সেখানে প্রায় ৩০০ মিটার সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নেই বলেই বিএসএফ সূত্রে জানা গিয়েছে। খোলা সীমান্তের সুযোগ নিয়েই গরু ও পাচারের চেষ্টা চালাচ্ছিল বাংলাদেশী দুষ্কৃতীরা বলে অভিযোগ। আর সেই পাচার রুখতে গিয়েই এই সংঘর্ষের ঘটনাটি ঘটে।
সাম্প্রতিক কালে বাংলাদেশ অন্তরবর্তী সরকারের আমলে অনুপ্রবেশকারী ও চোরাচালানকারীর সংখ্যা এতটাই বৃত্তি পেয়েছে, যার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়ে ভারত পুশ ইন প্রক্রিয়া যেমন শুরু করেছে তেমনি সীমান্তবর্তী এলাকা গুলিতে নিরাপত্তা বলায় আরো জোরদার করেছে। ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর তৎপরতাতেই এবার সীমান্তবর্তী এলাকাটিতে চোরাচরনকারীদের প্রতিহত করা সম্ভব, যেটি আন্তর্জাতিক স্তরে সাড়া ফেলে দিয়েছে।












Discussion about this post