ফুল বাগানের পেট্রোল পাম্পের ম্যানেজার ও মালিককে মারধরের অভিযোগ তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠনের নেত্রী ও তার দলবলের বিরুদ্ধে। ঘটনাস্থলে পুলিশ থাকলেও দেখা যায় নীরব দর্শকের ভূমিকায়। আতঙ্কিত মালিক ও ম্যানেজার প্রান সংশয়ের আশঙ্কা করছেন। মুখ্যমন্ত্রীর কাছে ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জি জানাচ্ছেন আতঙ্কিত ব্যবসায়ী।
শহর কলকাতায় ফের সামনে এলো শাসকদলের দৌরাত্ব। ফুল বাগানের একটি পেট্রোল পাম্পের ম্যানেজার ও মালিককে মারধরের অভিযোগ তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠনের নেত্রী কবিতা গুপ্ত ও তার দলবলের বিরুদ্ধে। সেসময় পুলিশ অধিকারীরা থাকলেও তারা নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করেছেন কোন রকম ব্যবস্থা নেননি এমনটাই অভিযোগ পেট্রোল পাম্পের মালিকের। পেট্রোল পাম্পের মালিক তিনি জানান বেশ কয়েকদিন আগেই তাদের পুরনো যেসব কর্মচারীরা ছিলেন তারা কর্ম বিরতির ডাক দেন এবং তারা বলেন তাদের দাবি না মানা হলে পেট্রোল পাম্প বন্ধ করে দেয়া হবে। তাদেরকে কাজে যোগদান করতে বলা হলো তারা কোনো রকম ভাবেই কাজে যোগদান করতে চাননি। এবং তারপরে গোটা বিষয়টি নিয়ে পেট্রোল পাম্পের মালিক সুমনা দাস রায় তিনি লালবাজারের দ্বারস্থ হন হাইকোর্ট একটি মামলা ও দায়ের করেন। সেখানেই নির্দেশ দেয়া হয় যাতে পেট্রোল পাম্পের মালিক তিনি নতুন কর্মচারী নিয়োগ করেন এবং পরবর্তীতে পুরনো কর্মচারীরা এসে যদি কোন রকম সমস্যা সৃষ্টি করে তাহলে সেই বিষয়টিতে যাতে পুলিশ আধিকারিকরা করা নজরদারি করেন এমনটাই কিন্তু নির্দেশ দেয়া হয়েছিল।
মালিকের অভিযোগ কত এক মাস আগে এই এলাকারই আইএনটিটিইউসির নেত্রী বলে দাবি করার এক মহিলা কবিতা দাশগুপ্ত তাকে প্রথমে ফোন করে হুমকি দেয় এবং পুরনো কর্মচারীদের নিয়োগের দাবি জানান। এবং না হলে পেট্রোল পাম্প বন্ধ করে দেয়ার হুমকি দেয়া হয়। তারপরই গতকাল দুপুরবেলা এসে পেট্রল পাম্পে পুরনো কর্মচারীরা এবং ওই নেত্রী তারা ঝামেলার সৃষ্টি করেন তাদেরকে আটকাতে গেলেই ম্যানেজার এবং মালিকের উপর তারা চড়া আহবান ম্যানেজারকে মারধর করা হয় মালিককে চড় মারা হয় এমনটাই অভিযোগ করাচ্ছি ইতিমধ্যে সিসিটিভি ফুটেছে ধরা পড়েছে সেই ছবি। অভিযোগ সেই সময় পুলিশ আধিকারিকরা উপস্থিত থাকলেও কোনো রকম ব্যবস্থা তারা নেননি। ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হলে উল্টে তারা বলেন থানায় অভিযোগ করলে তবেই ব্যবস্থা নেয়া হবে। ঘটনায় আতঙ্ক রয়েছেন তারা প্রান সংশয়ের আশঙ্কা করছেন মালিক ও ম্যানেজার। মুখ্যমন্ত্রীর কাছে ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জি জানাচ্ছেন তাদের।












Discussion about this post