ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং মহম্মদ ইউনূসের মুখোশটা আন্তর্জাতিক স্তরে খুলে দিল ভারতীয় সেনা। এটা ভারতের একটি দুর্দান্ত চাল বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। ভারতীয় সেনাবাহিনীর ইস্টার্ন কমান্ডের পক্ষ থেকে একটি পেপার কাটিং এর ছবি তুলে টুইট করা হয়। আর সেটাতেই আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ট্রাম্প ও ইউনূসের মুখোশ খুলে গেল বলে মত বিশেষজ্ঞদের। বাংলাদেশের জন্য দুই বিশ্বাসঘাতকের মুখোশ টেনে আনল ভারতীয় সেনা।
যখন বাংলাদেশে ৫ই অগাস্টের উদযাপন চলছে, আর তখনই বোমা ফাটালো ভারত। ভারত বুঝিয়ে দিল, যদি ১৯৭১ সালের যুদ্ধে বাংলাদেশকে সাহায্য না করত তবে আজও বাংলাদেশ পাকিস্তানের অংশ হয়ে থেকে যেত। বাংলাদেশের জন্য প্রাণপণে লড়াই করে, ভারত বিরোধিতা করা মানে, নিজেদের অস্বীকার করা। ওই পেপারের অংশে স্পষ্ট করে উল্লেখ দিয়েছে, ১৯৫৪ সাল থেকে ধারাবাহিকভাবে প্রায় দু বিলিয়ন এর বেশি অস্ত্র আমেরিকা পাকিস্তানকে পাঠাচ্ছে। এটা একটা স্মৃতিচারণা। কিন্তু তার মধ্যে দিয়ে ট্রাম এবং ইউনুসের মুখোশ যে খুলে গেল বিশ্ব দরবারে, সেটা পরিষ্কার।
ইতিহাস বলছে, ১৯৫৪ থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানকে অস্ত্র দিয়ে গেছে আমেরিকা। সেই অস্ত্র মুক্তি যুদ্ধের সময় ব্যবহার করেছে পাকিস্তান। এমনকি ১৯৫৪ থেকে ১৯৬৫ দুই দেশ অস্ত্র চুক্তি করে। যার ফলে পাকিস্তান বাহিনী আরও শক্তিশালী হয়। এমনকি ইরান, জোডন কে দিয়ে পাকিস্তানকে অস্ত্র সরবরাহ করে। এমনকি পাকিস্তান একা লড়েনি বাংলাদেশের সঙ্গে। সঙ্গে ছিল আমেরিকা। যাতে তারা বাংলাদেশকে অধীনস্থ করে রাখতে পারে। এমনকি ১৯৬৫ সালে আমেরিকা ঠিক করেছিল পাকিস্তানকে আর সাহায্য করবে না। কিন্তু ১৯৭১ সালে ফের একবার বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ হয়, তখন আমেরিকার তৎকালীন প্রেসিডেন্ট সরাসরি হয়ে পাকিস্তানে সঙ্গে লড়তে চলে আসে। এবং বাংলাদেশকে পরাধীন করার চেষ্টা করে। তখন অবশ্য পূর্ব পাকিস্তান ছিল। এখন যে বাংলাদেশ ভারতবর্ষের সঙ্গে বিরোধিতা করছে, একসময় সেই ভারত বর্ষ এবং ভারতবর্ষের সেনা বুক চিতিয়ে লড়াই করেছিল বাংলাদেশের জন্য। আর সেটা পাকিস্তান এবং আমেরিকার হানাদারদের বিরুদ্ধে।
ভারতীয় সেনারা এই ধরনের মন্তব্য বা প্রমাণসহ বক্তব্য রাখে না। কিন্তু যেভাবে বাংলাদেশকে কুক্ষিগত করার চেষ্টা করছে পাকিস্তান এবং আমেরিকা, সেটা বুঝতে পারছে না বাংলাদেশ। এবং বিশেষ করে বুঝেও না বোঝার ভান করছেন প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূস।












Discussion about this post