আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে একটি বড় খেলা চলছে। ভারত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চিন, রাশিয়া, ইরান..এই সমস্ত দেশের চাল এবং একে অপরের প্রতি কূটনৈতিক সম্পর্কের জেরে খেয় হারাচ্ছে বাংলাদেশ। বলছেন আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা। এদিকে জুলাই ঘোষণাপত্র প্রকাশ করেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূস। কিন্তু সেইদিনই চারজন ছাত্রনেতা তথা উপদেষ্টা ওই অনুষ্ঠানে অনুপস্থিত ছিলেন। শুধু তাই নয়, তারা গিয়েছিলেন কক্সবাজার। সেখানে নাকি পিটার হাসের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বলে সূত্রের খবর। হঠাৎ কেন এই বৈঠক? এই প্রশ্ন যেমন উঠছে, ঠিক একইভাবে কোনও ষড়যন্ত্র চলছে কিনা, সেটা নিয়েও তুমুল আলোচনা চলছে। পরিস্থিতি বুঝে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বড় খেলা খেলছেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার উজ জামান। শেখ হাসিনা যেমন বিশ্বাস করে ঠকেছে, ঠিক একইভাবে মহম্মদ ইউনূসও বিশ্বাস করে ঠকছেন।
আর সেটা তিনি বুঝতেও পারছেন না। কারণ অগাস্টের মধ্যেই ফের বড় পরিবর্তন। নেপথ্যে বহিঃবিশ্বের দেশ থাকলেও সবই জানেন সেনাপ্রধান।
৫ ই অগাষ্ট জুলাই ঘোষণাপত্র প্রকাশ করা হয়েছে। প্রকাশ করেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূস। উপস্থিত হয়েছিলেন সমস্ত উপদেষ্টা মন্ডলী থেকে শুরু করে প্রশাসনিক আধিকারিকরা। এবং উপস্থিত ছিলেন ছাত্র নেতারা। আশানুরূপ ভিড় না হলেও সাধারণ জনগণও হাজির ছিলেন। এদিকে তাৎপর্যপূর্ণভাবে অনুপস্থিত ছিলেন সারজিস আলম, হাসনাত আব্দুল্লাহ, নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী, তাসনিম জারা, খালেদ সাইফুল্লাহ। তারা সেদিন তড়িঘড়ি একটি বিমানে করে কক্সবাজার পৌঁছন। এবং সূত্রের খবর, তারা পিটার হাসের সঙ্গে বৈঠক করেন। যে পিটার হাস ২০২২ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের জুলাই পর্যন্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ছিলেন। আর তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হলো, সেই জুলাই মাসেই বাংলাদেশ উত্তাল হয়ে ওঠে হাসিনা বিরোধী আন্দোলনে। অনেকে বলছেন, নির্বাচন যাদের আরও গড়িমসি করানো যায়, সেটা নিয়েই মূলত আলোচনা হয়েছে। এদিকে ২০২৬ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারির আগে নির্বাচন ঘোষিত হতে পারে বলে জানা গিয়েছে। আর সেই আশঙ্কা থেকেই তাদের এই বৈঠক। কারণ ছাত্রদের রাজনৈতিক দল এখনো মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়ে ওঠেনি। আর এই চাল জানেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার উজ জামান। কিন্তু এখনো বুঝতে পারছেন না মহম্মদ ইউনূস। সেনাবাহিনীর কাছে নির্দেশ এসেছে, আগস্টের মধ্যেই সমস্ত কিছু পরিবর্তন হবে। শেখ হাসিনার সময় যখন সেনাপ্রধান আশ্বাস দিয়েছিলেন, সমস্ত কিছু তিনি সামলে নেবেন। ঠিক একইভাবে ইউনূসকে বোঝাচ্ছেন তিনি। অর্থাৎ ডবল গেম খেলছেন সেনাপ্রধান। কারণ আমেরিকা ছাড়বে না। এদিকে ভারত,চিন, রাশিয়া, ইরানের কূটনৈতিক চালে বেসামাল বাংলাদেশ। অগাস্টের মধ্যেই বড় পট পরিবর্তন। এখন দেখার, একদিকে ছাত্রদের ষড়যন্ত্র, অন্যদিকে সেনাপ্রধান এবং বহি বিশ্বের চাপ। এসব সামাল দিতে পারেন কিনা প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূস।












Discussion about this post