মা কালীর আরাধনায় মেতে উঠেছে আপামর বাংলা। শক্তিপীঠ থেকে সিদ্ধপীঠ, চলেছে মায়ের আরাধনা। শহর থেকে শহরতলী সেজে উঠেছে আলোর রোশনায়। শহর কলকাতাও সেজে উঠেছে দীপাবলীর আলোয়। দক্ষিণেশ্বর, কালীঘাট, লেকটাউন, ফিরিঙ্গি কালী মন্দিরের দিকে যেমন প্রত্যেকের নজর থাকে, তেমনই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির পুজোর দিকে প্রত্যেকের নজর থাকে। প্রত্যেকবারই তার পুজোয় স্বমহিমায় দেখা যায়। এবারও তার অন্যথা হল না। পুজোর দিনটিতে মা কালীর আরাধনায় ব্যস্ততাতে দেখা গেল মুখ্যমন্ত্রীকে।
পুজোর আচার অনুষ্ঠানের তদারকি থেকে অতিথিদের অভ্যর্থনা, সবটাই নিজে তদারকি করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উপস্থিত ছিলেন সস্ত্রীক তৃণমূল সংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিষেকের ছেলেমেয়েকেও দেখা গিয়েছে পুজোয়। পুরোহিতের পাশে বসে যজ্ঞ করতে দেখা যায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। প্রত্যেকবারই মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে কালির আরাধনায় যেমন প্রত্যেকের নজর থাকে, একইভাবে নজর থাকে মুখ্যমন্ত্রীর নিজের হাতে তৈরি ভোগ রান্নার দিকে। নিজের হাতে ভোগ রান্না করে মাকে নিবেদন করেন তিনি।
অভিষেকের পাশাপাশি বহু তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে। দলমত নির্বিশেষে মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির পুজোয় উপস্থিত হন অনেকে। সেই কারণে নিরাপত্তা বা সুরক্ষার বিষয়টিতে তৎপরতা দেখা যায়। আরতি এবং প্রসাদ বিতরণের মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হয় পূজোর মূল পর্ব। সেদিন সন্ধ্যেতে লেক কালীবাড়িতে পুজো দেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপরই তিনি মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে উপস্থিত হন। এছাড়াও রাজ্য সরকারের প্রথম সারির আমলা, পুলিশ কর্তা, মন্ত্রী, বিধায়ক, কলকাতার কাউন্সিলররা। এমনকি বহু শিল্পপতি থেকে টলি তারকাদেরও দেখা গিয়েছে পুজোতে। উপস্থিত হয়েছিলেন জুন মালিয়া, সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়। এছাড়াও ছিলেন রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজ পন্থ, স্বরাষ্ট্রসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী, প্রাক্তন মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদীও। শিল্পদ্যোগী হর্ষ নেওটিয়া, প্রসূন মুখোপাধ্যায়রা ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমারও। অভিষেকের সঙ্গে বেশ খানিক ক্ষণ কথা বলতে দেখা যায় রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস এবং ফিরহাদ হাকিমকে। গায়িকা ইমন চক্রবর্তী বাড়ির পুজোর ফাঁকেই মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ি পৌঁছে যান। এমনকি তাকে অঞ্জলি দিতেও দেখা যায়। হাজির হয়েছিলেন তিয়াসা লেপচা ও সোহেল। ফলে সবমিলিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির পুজো প্রত্যেকবারের মতো জমজমাট হয়ে ওঠে।












Discussion about this post