বাংলাদেশে ইউনূস সাহেবের বিরু্দ্ধে বেশ কিছু মানুষ প্রচন্ড ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেছিলেন। যার মধ্যে ইউনূস সাহেবের প্রিয় ছাত্র থেকে শুরু করে হাসিনা বিরাধী বিভিন্ন দলের নেতারাও ছিলেন। ফলে প্রচন্ড চাপে ছিলেন নোবেল ক্রেতা। তাই তিনি ভাবলেন যে তার বিরুদ্ধে আন্দোলোন জোরদার হওয়ার আগেই, সেই আন্দোলোন থামানোর একটা উপায় বের করতে হবে। কারণ আন্দোলোন শুধু তার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক আন্দোলোন ছিল না। তার ব্যক্তিগত জীবন এমনকি তিনি কি কি ভাবে ক্ষমতার অপব্যবহার করছেন তাও সমাজ মাধ্যমে ফাঁস করে দিচ্ছেলেন তারই প্রিয় মানুষরা। তো সব মহলকে শান্ত করতে তিনি নতুন নাটক তৈরী করলেন।যার নাম হল স্বৈরাচারী ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার ফাঁসি। নাটক দুই কারণে বললাম, এক হল এই ঘটনা নাট্য মঞ্চেই অনুষ্ঠিত হবে, জামাতি জনগনকে খুশি করার জন্য, আর দ্বিতীয় কারণ হল কোন নাট্য মঞ্চ বা পাড়ার ক্লাব ছাড়া কোথাও দেখেছেন, আদালতের রায় সম্পূর্ণ ঘোষনা হওয়ার আগেই হাততালিতে ফেটে পড়ছে আদলত চত্বর। তবে বেশী দিন এই নাটকও তিনি চালাতে পারবেন না। কারণ ভারত শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশ থেকে নিয়ে আসেনি। সেনাপ্রধানের অনুরোধে ভারত হাসিনাকে আশ্রয় দিয়েছে। এখন অযোগ্য সেনাপ্রধান তার দেশের পরিস্থিতি ঠিক করতে না পারার দায় ভারতের নয়। আর ভারত যাকে আশ্রয় দেয়, তার জন্য যে কোন দেশের সঙ্গে যুদ্ধ করতেও প্রস্তুত থাকে,বাংলাদেশ তো ছোট ব্যাপার, চিনের সঙ্গেও একই কারণে যুদ্ধের নজির আছে। আর এই ভারত কোন কংগ্রেস বিজেপির ভারত নয়। এই ভারত প্রাচীন সংস্কৃতির ভারত। এটি শুধু কথার কথা নয়। এর আগে ভারত দলাই লামাকে আশ্রয় দিয়েছিল। মুলত যে কারণে চীনের সঙ্গে ভারতের যুদ্ধ হয়েছিল। ভারত তার পরও দলাই লামাকে চিনের হাতে তুলে দেয়নি। হাসিনাকেও বাংলাদেশের হাতে তুলে দেবে না। আর বাংলাদেশ থেকে বলা হচ্ছে ভারতের সঙ্গে বন্দি প্রত্যার্পণ চুক্তি আছে, সেই চুক্তির জন্য ভারত হাসিনাকে ফেরত দিতে বাধ্য। ভারত এই ধরণের চুক্তি মানে না, যদি কোন চুক্তি থেকেও থাকে তা নির্বাচিত সরকারের সঙ্গে আর একটি নির্বাচিত সরকারের। এখন বাংলাদেশে কোন নির্বাচিত সরকার নেই। ফলে একটি ইনক্লুসিভ নির্বাচন হওয়ার পর, যারা ক্ষমতায় আসবে, ভারত তাদের সঙ্গে এই নিয়ে আলোচনা করতে পারে। নির্বাচনের আগে আলোচনাও করতে রাজি নয় ভারত। ইউনূসের সঙ্গে স্বল্প বৈঠকে সেটি জানিয়েও দিয়েছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। আর যে কারণ দেখিয়ে হাসিনার ফাঁসি চাওয়া হচ্ছে তার থেকে ভয়ঙ্কর কারণ রয়েছে ইউনূসের ফাঁসি হওয়ার জন্য। তর্কের খাতিরে যদি ধরে নেওয়া হয় হাসিনা ক্ষমতা ধরে রাখতে অন্যায় করেছেন, তবে ৫ই আগস্টের পর হাজার হাজার পুলিশকর্মী থেকে শুরু করে লক্ষ্য লক্ষ্য হিন্দু সংখ্যালঘুদের হত্যা ঘরবাড়ী জ্বালিয়ে দেওয়া, বিনা বিচারে আওয়ামীলীগের কর্মিদের গুম খুন করা হয়েছে, সেগুলির জন্যও তো ইউনূসের ফাঁসি হওয়া উচিত। আর এই সময় শুধু আওয়ামীলীগ নয়, স্বাধীনতা বিশ্বাসী সব দলকেই আন্দোলোনে নামা উচিৎ দেশকে নির্বাচন থেকে দুরে রাখার কারণে। বিএনপি ভাবছে ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচন হবে, তারা ক্ষমতায় আসবে। কিন্তু বিএনপি কি জানে, এখন বাংলাদেশ যাদের দখলে তারা নির্বাচন চায় না। তাহলে তারেক জিয়া দেশে ফিরতে পারতেন। দেশের দুই প্রধান দলের নেতাদের দেশের বাইরে রাখার কারণই হল দেশকে নির্বাচন থেকে দুরে রাখা। এই পাকিস্তানি জামাত নির্বাচন হীন মুসলিম রাষ্ট্র এবং শরিয়ৎ শাসন চায়। আর সেনাপ্রধান মুখে বলেন একটি উন্নত বাংলাদেশ দেখতে চান। তিনি সেনাপ্রধান হয়েও বেড়াল ছানা সেজে বসে আছেন আর দেশের যুবকদের উপর আশা ভরসা করে আছেন, তারা কখন আবার জীবন দিয়ে দেশের স্বাধীনতা রক্ষা করবে। তাই বাংলাদেশের আজকের এই কঠিন পরিস্থিতির জন্য সব থেকে বেশী দায়ী সেনাপ্রধান নিজে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ঠিক তিনদিন আগেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের শুল্ক চুক্তি স্বাক্ষর নিয়ে আজও আলোচনা হচ্ছে। বাংলাদেশে গত...
Read more












Discussion about this post