পাকিস্তান যে জঙ্গিদের মদতদাতা, তা গোটা দুনিয়া জানে। হাসিনা সরকারের পতনের পর সে দেশের জঙ্গিদের দাপাদাপি কয়েকগুন বেড়ে গিয়েছে। বাংলাদেশ তাদের কাছে হয়ে উঠেছে চারণভূমি। এই দুটি দেশের সঙ্গে এবার যুক্ত হয়েছে তুরস্ক। দক্ষিণ এশিয়া জঙ্গিবাদের মদতদাতা এই তিন রাষ্ট্র। বাংলাদেশে জঙ্গিদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে পাকিস্তান। আর বিনিয়োগ করছে তুরস্ক। গোয়েন্দা সূত্রে বলা হচ্ছে, অপারেশন সিঁদুরের পর এই মডেলের গুরুত্ব অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে। ভারতীয় সেনার সার্জিক্যাল স্ট্রাইক অপারেশন সিঁদুরে গুঁড়িয়ে যায় পাক সীমান্তে থাকা সব জঙ্গিঘাঁটি। তাই, দিল্লির নজর এড়াতে তারা নতুন কৌশল নিয়েছে। সেই কৌশল হল লস্কর, জামাতে- ইসলামি, আনসারুল্লাহ বাংলা, জামাত-উল-মুজাহিদিন বাংলাদেশ, হরকত-উল- জিহাদ-আল-ইসলামি বাংলাদেশ পদ্মাপারে তাদের শাখার বিস্তার ঘটাচ্ছে। তারা সাহায্য নিচ্ছে স্থানীয় ইসলামিক ইউনুটগুলির। ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা কেন্দ্রের ঘরে এই নিয়ে একটি রিপোর্ট পাঠিয়েছে। ভারতের একটি গণমাধ্যমের দাবি, তারা সেই রিপোর্ট হাতে পেয়েছে।
রিপোর্টে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিদের দাপাদাপি বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি মৌলবাদী শক্তির দাপট কয়েকগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিদের লক্ষ্য বাংলাদেশের মাটি ব্যবহার করে ভারতের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কার্যকলাপ চালিয়ে যাওয়া। আর মৌলবাদীর শক্তির লক্ষ্য যে কোনও মূল্যে সে দেশটাকে একটি ইসলামিক রাষ্ট্রে পরিণত করা। তার এমন একজনকে ক্ষমতায় দেখতে চায় যার প্রধান দায়িত্ব হবে দেশের একটি শারিয়া সরকার প্রতিষ্ঠিত করা। সেই সরকার মহিলাদের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করবে। সংখ্যালঘুদের ওপর চালিয়ে যাবেন দমনপী়ড়ন। তারা মুখ বুজে যাবতীয় অত্যাচার সহ্য করে যাবে। তাদের নজরে বাংলাদেশ ছাড়াও রয়েছে নেপাল। আমরা সকলেই জানি যে নেপাল একটি হিন্দুরাষ্ট্র। এই ইসলামি মৌলবাদীরা যে কোনও মূল্যে ওই দেশে শারিয়া আইন প্রতিষ্ঠিত করতে বদ্ধপরিকর। বাংলাদেশে ক্ষমতায় ইউনূস থাকায় তাদের এখনও পোয়াবারো।
ভারতের একটি গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ৩ জানুয়ারি জুম্মার নমাজ শেষ হওয়ার পর ‘বৈত-উল-মুকাররম’ মসজিদে একটি বিশেষ বৈঠকের আয়োজন করা হয়। সেই বৈঠকের প্রধান অতিথি ছিলেন প্যালেস্তাইনের মসজিদ- আল-আকসা-র ইমাম আলি ওমর ইয়াকুব আব্বাসি। বৈঠক হয়েছে দু দফায়। প্রথম বৈঠকটি পৌরহিত্য করেন ইন্টারন্যাশনাল মজলিস-ই-তাহাফফুজে খতমে নুবুওয়াতের প্রধান আল হাবিব। আর দ্বিতীয় দফার বৈঠক পৌরহিত্য করেন সংগঠনের অ্যাক্টিং প্রেসিডেন্ট। দুই দফার বৈঠকের সুর একটাই আগামীদিনে বাংলাদেশ নিয়ন্ত্রণ করে একটা শারিয়া সরকার। মহম্মদ শেষ কথা। তার আদর্শ থেকে সরে আসার অর্থ ভয়ংকর পাপ। ইসলামের শেষ কথা হজরত মহম্মদ। তিনি আমাদের যে পথ দেখিয়ে গিয়েছে, আগামীদিনে আমাদের সেই পথেই এগোতে হবে।
ওই রিপোর্টে বলা হয়েছে, হাসিনা আমলে বাংলাদেশে থাকা সব মৌলবাদী সংঠনের অস্তিত্ব লোপ পায়। আর সে দেশে ক্ষমতার পালাবদল হতেই তারা আস্তে আস্তে নিজেদের প্রস্তুত করতে শুরু করে। পদ্মাপারে সব থেকে বেশি সক্রিয় আলকায়দা আর স্থানীয় ইসলামিক ইউনিট। ইউনূসের ভারত-বিরোধীতা কারণে বাংলাদেশের মাটি এখন জঙ্গিদের কাছে স্বর্গরাজ্য।
নতুন যে মডেলের কথা বলা হয়েছে, সেই মডেলের সঙ্গে তুরস্কের সম্পর্ক কোথায়? কেল্লাকাণ্ডে আত্মঘাতী জঙ্গি উমর নবি গিয়েছিল তুরস্কে। অনুমান করা হচ্ছে, দিল্লির কাণ্ডের ব্লু প্রিন্ট তুরস্কে বসেই করেছিল নবি। তুরস্কে গিয়ে তার সঙ্গে পরিচয় হয় দুই মহিলা ডাক্তারের। তারা আবার ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে পড়াশোনা করে। দিল্লিকাণ্ডে লজিস্টিক সাপোর্ট যে দিয়েছিল সেও ঢাকা মেডিকেল কলেজের পড়ুয়া
আবার বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে ফিরে এসেছে ডিপ স্টেট। জুলাই অভ্যুত্থান ও পরবর্তী পর্যায়ে হাসিনা সরকারের পতনের পর এসেছিল ডিপ স্টেটের...
Read more












Discussion about this post