পদ্মাপারে নির্বাচন ঘোষণা হতে বেশ কয়েকদিন বাকি আর তার আগেই তড়িঘড়ি প্রথম প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করে দিল বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন দল এনসিপি।ঢাকার তাদের অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাংবাদিক বৈঠক ডেকে জাতীয় সংসদের ৩০০টি আসনের মধ্যে ১২৫ টিতে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা দিল। প্রার্থী তালিকা তেও রয়েছে বেশ চমক।সেই তালিকায় রয়েছেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ঢাকা-১১তে। মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরউদ্দিন পাটোয়ারি ঢাকা-১৮ তে এ ছাড়া ছাড়া সদস্য সচিব আখতার রংপুর-৪ র আসন থেকে আগামী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। জাতীয় সংসদের আগামী নির্বাচনে দলের দুই অন্যতম মুখ ও মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম পঞ্চগড়-১ এবং মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লা লড়ছেন কুমিল্লা-৪ কেন্দ্র থেকে। নোয়াখালি-৬ কেন্দ্রে সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আবদুল হান্নান মাসউদ এবং ঢাকা-১৬ কেন্দ্রে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদিবকে প্রার্থী করা হয়েছে এনসিপির পক্ষ থেকে।সাংবাদিক বৈঠকে বুধবার নাহিদ ইসলাম জানান ‘আমরা ক্ষমতার জন্য ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য এই নির্বাচন করছি না। ক’টা আসন পাব বা পাব না, এটা বিবেচনা করেও নির্বাচন করছি না।’
জাতীয় সংসদের আসন্ন নির্বাচনে কয়েকটি সমমনোভাবাপন্ন দলের সঙ্গে এনসিপির বোঝাপড়া করতে পারে বলে জল্পনা রয়েছে। যদিও এখনও পর্যন্ত এনসিপির পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কিছু আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হয়নি। গত বছর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন থেকে শেখ হাসিনার বাংলাদেশ ছাড়া এবং ছাত্রদল হিসাবে এনসিপির জন্ম। হাসিনাকে নিয়ে বিক্ষোভ সেই ক্ষেত্রে সব সময়ই নবনিযুক্ত ছাত্রদল এনসিপি এবং জামায়াতের অনেকাংশেই মিল পাওয়া যাচ্ছিল ফলে তারা যে জোট বেঁধে আসন্ন নির্বাচন লড়বেন তা নিয়েই গুঞ্জন চলছিল চারিদিকে। তবে অজ্ঞাত কারণবশত এই জোট সম্পূর্ণ না হওয়ায় আসন্ন নির্বাচনে একাই লড়ার সিদ্ধান্ত নিলেন এনসিপি তাই কি আগেভাগেই নাহিদের কথা অনুযায়ী হার স্বীকার করে নিচ্ছেন এই নির্বাচনে। বিশেষ সূত্রের খবর এনসিপি নেতৃত্ব ধরে নিয়েছিলেন, আইনি ভিত্তির নিশ্চয়তা না পেলে জামায়াত ‘জুলাই সনদে’ সই করবে না। সই না করার ব্যাপারে এনসিপি অনড় থাকলেও জামায়াত সিদ্ধান্ত বদল করে সনদে স্বাক্ষর করে। সেই কারণেই আর জোট হলো না এই দুটি দলের তবে এখনো পর্যন্ত ৩০০ টি আসনের মধ্যে ১২৫ টি আসনে প্রার্থী দেওয়ার পরে সাংবাদিকদের তরফ থেকে নাহিদকে প্রশ্ন করা হলে বাকি আসনেও খুব তাড়াতাড়ি প্রার্থী দেয়া হবে এমনটাই তিনি জানান। তবে দেখার বিষয় রাজনৈতিক আঙিনায় শিশু দল এনসিপি যাদের নেই কোন রাজনৈতিক নির্বাচন লড়ার আসন্ন ছাব্বিশে নির্বাচনে তাদের দল এমসিপি কতটা টক্কর দিতে পারে জামায়াত-বিএনপি এবং অন্যান্যদের। অনেকেই তো আবার বাংলাদেশে গুঞ্জন বলেছেন আওয়ামী লীগ যদি সরাসরি নির্বাচনে লড়তে না পারে তাহলে কোন এক অজ্ঞাত গোপন চুক্তিতে এনসিপি দের পিছন থেকে সাহায্য করে ফিরবে ক্ষমতায় আওয়ামী লীগ যদিও সবকিছুই কল্পনা মাত্র যার সঠিক বাস্তব রূপ এখনো পাওয়া যায়নি তবে যে ডিসেম্বরের শীততাপে বাংলাদেশের রাজনৈতিক হাওয়া গরম হচ্ছে তা রাজনৈতিক দলগুলির গতি প্রকৃতি থেকেই প্রকাশ পাচ্ছে।
আবার বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে ফিরে এসেছে ডিপ স্টেট। জুলাই অভ্যুত্থান ও পরবর্তী পর্যায়ে হাসিনা সরকারের পতনের পর এসেছিল ডিপ স্টেটের...
Read more












Discussion about this post