২০২৪ বাংলাদেশের রাজনীতির এক স্মরণীয় অধ্যায়। সে দেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জুলাই যোদ্ধাদের আন্দোলনের বলি হয়ে বাংলাদেশ ছেড়ে ভারতে এসে উঠেছেন। সেই সময় জুলাই আন্দোলনের মুখ হয়ে যারা সামনের সারিতে উঠে এসেছেন তাদের মধ্যে অন্যতম নাম হাসনাত-নাহিদ-সারজিস আলম। বর্তমান বাংলাদেশের পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হতে চলেছে বিশেষ করে ভারত বিরোধী হাদির মৃত্যু সাপে বর হল জুলায় যোদ্ধাদের। তারা আন্দোলনের নামে বাংলাদেশের মধ্যেই অশান্তি পাকিয়ে নিজের দেশকেই তলানিতে নিয়ে যাচ্ছে। আর এর ফলেই আসল চেহারা বেরিয়ে গেল জুলাই আন্দোলনে প্রতিবাদী মুখ হয়ে ওঠা নাহিদ ইসলাম, হাসনাত আবদুল্লাহদের। বাংলাদেশের মধ্যে ভারত বিরোধী দল হিসাবে অতি পরিচিত জামায়াত এবার সেই জামায়াতের সঙ্গেই জোটে যাচ্ছে নাহিদ, হাসনাতদের দল এনসিপি। একদিকে যেমন বৃহস্পতিবারই বাংলাদেশে ১৭ বছর পর পা রাখলেন বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়ার পুত্র তারেক রহমান অন্যদিকে ঠিক সেই সময়ই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতের ইসলামীর সঙ্গে এনসিপি’র আসন সমঝোতা নিয়ে আলোচনা চলছে।বিষয়টি নিয়ে দলের অনেকের সম্মতি থাকলেও একটি অংশের ভিন্নমতও আছে। জামাতের সঙ্গে এনসিপির সমঝোতা হবে কি না, তা দু-এক দিনের মধ্যেই পরিষ্কার হয়ে যাবে বলে আশা করা যায়।এর আগে বিএনপির সঙ্গে এনসিপির আসন সমঝোতার বিষয়টি আলোচনায় এসেছিল। তবে শেষ পর্যন্ত দুই পক্ষের বোঝাপড়া হয়নি। এরপর জামাতের সঙ্গে আলোচনা ইতিবাচকভাবে এগোচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র থেকে জানা গেছে। এতে করেই বোঝাই যাচ্ছে এন সি পি এর নামে আসলেই ভারতবিদ্বেষী মনোভাবাপন্ন হাসনাত সারজিসরা আসলেই ভারত বিরোধী জোট একত্রিত করতে চলেছে।যদিও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তনের পর তাঁর সঙ্গে আসন সমঝোতার বিষয়ে আবার আলোচনার সম্ভাবনা দেখছেন এনসিপির অনেক শীর্ষ নেতারা। তাঁরা তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে আগ্রহী। অবশ্য বিএনপির দিক থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত এ ব্যাপারে কোনও আভাসও পাওয়া যায়নি।
এনসিপি নেতারা বলছেন, দলের শীর্ষ নেতৃত্ব এরই মধ্যে জামায়াতের উচ্চতর নেতাদের সঙ্গে আসন সমঝোতা নিয়ে আলোচনা করছেন। বরাবর ভারত বিরোধী জামায়াত এবং একই ভাবে ভারত বিদেশী মনোভাবাপন্ন এনসিপির নেতাদের জোটবদ্ধ যে ভারতের বিরুদ্ধে মহা ঐক্য তৈরি করতে চলেছে তা বোঝাই যাচ্ছে। এই বিষয়ে যদিও এখনো মুখে কুলুপ এঁটেছেন সে দেশের প্রধান উপদেষ্টা মুহম্মদ ইউনূস। জামায়াত-এনসিপির জোট প্রসঙ্গে তিনি এখনো পর্যন্ত একটি শব্দ খরচ করেননি। অন্যদিকে আবার এই জোটে দুই দলের মধ্যে বৈঠকে আসন সমঝোতার প্রসঙ্গ উঠতে এনসিপি অন্তত ৫০টি আসন চেয়েছে। তবে জামায়াত ইসলামীর দিক থেকে এই সংখ্যাকে অত্যন্ত বেশি চাহিদা বলে মনে করা হচ্ছে। যদিও জামায়াতের দিক থেকে এখনও এ বিষয়ে চূড়ান্ত কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। এ নিয়ে দু-এক দিনের মধ্যে জামায়াত ও এনসিপির উচ্চ পর্যায়ের নেতাদের আবারও এক বিরাট বৈঠক হবে বলে সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে। কাজেই বাংলাদেশের অভ্যন্তরে যে ভারত বিরোধী জোট একত্রিত হচ্ছে তা বলাই বাহুল্য।
আবার বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে ফিরে এসেছে ডিপ স্টেট। জুলাই অভ্যুত্থান ও পরবর্তী পর্যায়ে হাসিনা সরকারের পতনের পর এসেছিল ডিপ স্টেটের...
Read more












Discussion about this post