বহু খেলা বহু যুদ্ধে ভারতের কাছে বার বার হারার পর, ভারতকে হারানোর একটা সুযোগ পেয়েছে পাকিস্তান। আর তাকে জিতাতে মরিয়া বাংলাদেশ। পাকিস্তান বাংলাদেশকে ঢাল করে বিশ্বে এটা প্রমান করতে চাইছে যে ভারতে সাম্প্রদায়িক অবস্থা খারাপ, সেখানে উগ্রবাদের কারণে বিদেশী ক্রিকেটারদের সুরক্ষা অনিশ্চিত। আর তাতে ঘি ঢেলেছে আইসিসির একটি চিঠি। কিন্তু বাংলাদেশ এবং পাকিস্তান যদি বিশ্বকাপ খেলতে না চায়। তাহলে বাংলাদেশ এবং পাকিস্তানে যে ধরণের ভারত বিদ্বেষ আছে, তাতে আসিফ নজরুল বা পাকিস্তানের নাকভি সাহেব হয়তো হিরো হয়ে যাবেন তাদের দেশে। কিন্তু তারা তো আর কিছু দিন পরে থাকবেন না। তারা কি চাইছেন তাদের দেশ থেকে ক্রিকেট খেলাটাই শেষ হয়ে যাক। এটা আমরা বললে হয়তো অনেকেই ভাববেন আমরা ভারতে থেকে, যা খুশি বলছি। কিন্তু পাকিস্তানের অন্যতম সেরা এবং বিশ্বখ্যাত প্লেয়ার ওয়াশিম আক্রাম অথবা শ্রীলঙ্কার তারকা প্লেয়ার স্যঙ্গাকারা তারা কি বলছেন বাংলাদেশ এবং পাকিস্তানকে, সেটিও তাদের ভেবে দেখা দরকার। ওয়াশিম আক্রাম বলছেন, বিসিসিআই ভারতে যে কটি বড় ম্যাচ করিয়েছে, তাতে কোন বিদেশী খেলোয়াড়ের কোন অসুবিধা হয়নি, তাই বাংলাদেশের উচিৎ ভারতে গিয়ে বিশ্বকাপ খেলা। আর সাঙ্গাকারতো আরও এক ধাপ এগিয়ে বলছেন, বাংলাদেশ যত তাড়াতাড়ি বুঝবে যে, ক্রিকেট বিশ্ব ভারতকে ছাড়া অচল, ততই বাংলাদেশের ক্রিকেটের মঙ্গল, এট বুঝলে বাংলাদেশ ক্রিকেট বেঁচে যাবে, অন্যথায় বাংলাদেশের ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ অন্ধকার। আসলে এমন বহু দেশ আছে যাদের দেশের আর্থিক অবস্থা যখন খুব খারাপ, তখন তারা ভারতকে তাদের দেশে গিয়ে ক্রিকেট খেলার জন্য অনুরোধ করে, শুধু মাত্র তাদের দেশের অর্থনীতিকে ঠিক করার জন্য, আর ভারতের সঙ্গে একটা ক্রিকেট ট্যুরনামেন্ট শুধু ক্রিকেটিয় অর্থনীতি নয়, সেটা তাদের দেশের অর্থনীতিকেও চাঙ্গা করে দেয়। শুধু মাত্র ভারতের কারণেই আইসিসির ৮০ শতাংশ রেভিনিউ আসে, যার করণে ভারতের পাশে ইংল্যান্ড অস্ট্রেলিয়া নিউজিল্যান্ড ওয়েস্টইন্ডিজের মত বোর্ড সদস্যরা দাঁড়িয়েছে। আর আসিফ নজরুল বলছেন বাজার ব্যবস্থার উপর দাঁড়িয়ে একটি দেশের কথায় আইসিসি উঠবস করতে পারে না। কিন্তু ভারতের বাজার না থাকলে আর তার লাভ্যাংশ আপনারা না পেলে তো, আপনাদের দেশের ক্রিকেটারদের বেতন দেওয়া তো দুর, আপনারা আপনাদের মাঠের খরচই বহন করতে পারবেন না। আসলে এসবের পিছনে বড়ভাই সাজছে পাকিস্তান, তারা বাংলাদেশের মাধ্যমে গোটা বিশ্বকে বোঝাতে চাইছে ভারতের সাম্প্রদায়িক অবস্থা খুবই খারাপ, তাই সেখানে কোন ম্যাচ খেলা সম্ভব নয়। আসলে আসিফ নজরুল যা বলছেন তা হল পাকিস্তানের বক্তব্য। আর এই মহুর্তে ভারতের কূটনৈতিক অবস্থা এমন যে, আফগানিস্তানও নাকি বিরোধী দলে সামিল হয়েছে। ফলে ভারতের জোর এবং ক্ষমতা থাকলেও তারা জোর না দেখিয়ে আইসিসির উপরই সব ছে়ড়ে দিতে বাধ্য হচ্ছে। কারণ এশিয়াতে যদি শুধু মাত্র ভারতই আইসিসির অংশ হয়ে থাকে বাকি দেশগুলি বেরিয়ে যায়, তাহলে পশ্চিমারা আবার ভারতের উপর ছড়ি ঘোরাবে। ফলে এখন দেখার এই অরাজনৈতিক সমস্যার সমাধান কোন উপায়ে বের হয়। যদিও বোর্ডের যে মিটিংএ সমস্যার সমাধান হওয়ার কথা, সেখানেই অবস্থা জটিল।
আবার বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে ফিরে এসেছে ডিপ স্টেট। জুলাই অভ্যুত্থান ও পরবর্তী পর্যায়ে হাসিনা সরকারের পতনের পর এসেছিল ডিপ স্টেটের...
Read more












Discussion about this post