বাংলাদেশের ত্রয়োদশ নির্বাচনের আগেই ঘটনার ঘনঘটা ঘটছে বাংলাদেশে। পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল থেকে জটিলতর হচ্ছে। তারই মধ্যে একটি ঘটনায় সরল পড়ে গেছে পদ্মা পাড়ের দেশটিতে। মাস পেরোলেই বাংলাদেশের অনুষ্ঠিত হচ্ছে নির্বাচন। ভোটের এই মহান উৎসবের আগেই টার্গেট হচ্ছে বিএনপি’র চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রীর দাবী ওঠা তারেক রহমান? হঠাৎ হইচই পড়ে গেছে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ঘিরে। প্রশ্নের মুখে তাঁর নিরাপত্তা। ভোটের আগেই কি বড়সড় ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে খালেদা-পুত্রের বিরুদ্ধে? এই সব প্রশ্নই উঠছে তারেক রহমানের গাড়িতে লাগানো রহস্যজনক এক কাগজ-কে কেন্দ্র করে। বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম প্রথম আলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত বুধবার রাতে ঢাকার গুলশানে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কনভয়ে ঢুকে পড়ে একটি বাইক।বেছে বেছে তারেক রহমান যে বুলেট-প্রুফ গাড়িতে ছিলেন, সেই গাড়িতেই রহস্যময় একটি কাগজ সেঁটে দিয়ে পালিয়ে যায়। বিষয়টি সামনে আসতেই পুলিশ স্বতঃপ্রণোদিত মামলা করে তদন্ত শুরু করে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত ওই বাইক আরোহীকে শনাক্ত করা যায়নি। গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অর্থাৎ পুলিশ কর্তা রাকিবুল ইসলাম বাংলাদেশের অতি জনপ্রিয় প্রথম সারির সংবাদ মাধ্যম প্রথম আলোকে বলেন, বুধবার রাত আনুমানিক ১১টা ৪০ মিনিটে গুলশানের ৬৫ নম্বর সড়কে বাইকে আসা এক ব্যক্তি হঠাৎ তারেক রহমানের চলন্ত গাড়ির গায়ে কাগজ সেঁটে দ্রুত পালিয়ে যান।কাগজে কিছু লেখা ছিল না। বাইকটি ছিল সাদা রঙের হিরো হাঙ্ক। পুলিশ জানায়, ঘটনার সময় কনভয়ের সঙ্গে নিজস্ব নিরাপত্তা দল অর্থাৎ সিএসএফ সেখানে উপস্থিত ছিল। বিএনপির পক্ষ থেকে কোনও অভিযোগ দায়ের না করায়, পুলিশই স্বতঃপ্রণোদিতভাবে তদন্ত শুরু করে।পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাস্থলের আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। কিন্তু ওই ভিডিয়ো স্পষ্ট না হওয়ায়, অভিযুক্তকে শনাক্ত করা যাচ্ছে না। কী উদ্দেশে কাগজ সাঁটানো হয়েছিল তারেক রহমানের গাড়িতে, তা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠছে। তারেক রহমানকে কি কোনও বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল নাকি কোন গাড়িতে তারেক রয়েছেন, তা চিহ্নিত করার জন্য কাগজ লাগানো হয়েছিল।তারেকের উপরে প্রাণঘাতী হামলার ছক ছিল কিনা, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। প্রসঙ্গত, ১৭ বছর পর ইংল্যান্ডে স্বেচ্ছা-নির্বাসনে থাকার পর, ২০২৫ সালের ২৫ ডিসেম্বর বাংলাদেশে ফিরে আসেন তারেক রহমান। পাঁচদিনের মাথায়, ৩০ ডিসেম্বর বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যু হয়। দীর্ঘদিন ধরেই গুরুতর অসুস্থ ছিলেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী। খালেদা জিয়ার পর তারেক রহমানের উপরেই দলের দায়িত্বভার দেওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয় বিএনপি নেতা এবং কর্মীদের মধ্যে তারেক রহমানকে ঘিরে উত্তেজনার পারদ চরমে। অনেকেই মনে করছেন বাংলাদেশের ভবিষ্যতের প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত খালেদা জিয়ার পুত্র তারেক রহমান হবেন।
আবার বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে ফিরে এসেছে ডিপ স্টেট। জুলাই অভ্যুত্থান ও পরবর্তী পর্যায়ে হাসিনা সরকারের পতনের পর এসেছিল ডিপ স্টেটের...
Read more












Discussion about this post