আজ দিল্লিতে আওয়ামী লীগের সংবাদ সম্মেলন। যেটা অনেক আগে থেকেই জানানো হয়েছিল। এর আগেও একটি সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছিল। যেখানে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃত্ব। এইবার ফের সংবাদ সম্মেলন করা হবে। তবে এইবার বাড়তি চমক শেখ হাসিনা উপস্থিত হবেন। সেটা স্বশরীরে হতে পারে, কিংবা ভার্টিয়ালি। অন্যদিকে সেখানে উপস্থিত থাকবেন জাতিসংঘের প্রতিনিধিরা। পাশাপাশি ৫০ টির বেশী দেশের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন। জানা যাচ্ছে, শেখ হাসিনাকে যে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে, সেটা নিয়ে এইবার মুখ খুলল জাতিসংঘ। ফের কি বলল জাতিসংঘ? তাদের অবস্থান কি পরিবর্তন হল? তবে কি চাপে পরলেন মুহাম্মদ ইউনূস?
অপরাধীদের জবাবদিহিতা নিশ্চিতের তাগিদ। শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে দেওয়ার প্রসঙ্গে জাতিসংঘ। জানা গিয়েছে, বাংলাদেশের একটি সংবাদমাধ্যমকে জাতিসংঘের মহাসচিবের একটি কথা তুলে ধরেন জাতিসংঘের উপ মুখপাত্র ফারহান হক। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে হতাহতের ঘটনায় জড়িতদের বস্তুনিষ্ঠ তথ্যের ভিত্তিতে চিহ্নিত করে জবাবদিহিতার আওতায় আনার তাগিদ দিয়েছে জাতিসংঘ। এটাই জানান জাতিসংঘের উপ মুখপাত্র। জাতিসংঘের প্রতিবেদন এবং বাংলাদেশের আদালত কতৃক প্রমাণিত হত্যাকাণ্ডের নির্দেশদাতা হিসেবে শেখ হাসিনাকে ভারত আশ্রয় দিয়ে রেখেছে। এমন প্রেক্ষাপটে জাতীসংঘের মহাসচিব শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে দিয়ে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় ভারত সরকারকে আহ্বান জানাবে কিনা, সেটা জানতে চাওয়া হয়। উত্তরে তিনি জানান, সরাসরি কোন দেশের নাম উল্লেখ না করে বলেন, বস্তুনিষ্ঠ তথ্যের ভিত্তিতে চিহ্নিত অপরাধীদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। তিনি প্রক্রিয়ায় আন্তর্জাতিক আইন অনুসরণের ওপরও গুরুত্ব আরোপ করেন। অর্থাৎ জাতিসংঘ বলছে, যায় করা হোক না কেন, সবটাই করতে হবে বস্তুনিষ্ঠ তথ্যের ভিত্তিতে। আন্তর্জাতিক আইন মেনে।
সাবেক শিক্ষা মন্ত্রী এবং সাবেক পররাষ্ট্র মন্ত্রী উপস্থিত ছিলেন দিল্লিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে। আর একটি সংবাদ সম্মেলন হবে আজ। যেখানে একাধিক মন্ত্রী উপস্থিত থাকবেন বলে জানা যাচ্ছে। পাশাপাশি ভার্চুয়ালি থাকবেন শেখ হাসিনা। এই প্রথম ভারতের মাটিতে সংবাদ সম্মেলন করল আওয়ামী লীগ। দলটির বহু নেতা এর আগে নানাভাবে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন। পাশাপাশি শেখ হাসিনা ভারতে বসে একাধিক অডিও বার্তা দিয়েছেন। এমনকি ভার্চুয়ালি সাক্ষাৎকারও দিয়েছেন। অনুষ্ঠানের অন্যতম আয়োজক লন্ডন প্রবাসী ড. নিঝুম মজুমদার বাংলাদেশের একটি সংবাদপত্রকে জানিয়েছেন, হাসান মাহমুদ বা নওফেল কেউই আওয়ামী লীগের নেতা হিসাবে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত হতে আসেননি। তবে শেখ হাসিনা সংবাদ সন্মেলনে হাজির হয়ে কি বলেন বা কি বার্তা দেন, সেটাই দেখার। কারণ সামনেই বাংলাদেশে নির্বাচন। আর এই নির্বাচনে স্বাভাবিকভাবে নির্বাচনে অংশ নেবে না আওয়ামী লীগ। তার কারণ আওয়ামী লীগের নিবন্ধন বাতিল করেছে অন্তবর্তীকালীন সরকার। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে অনেকেই বলার চেষ্টা করেছিলেন, হয়তো শেখ হাসিনা বিকল্প পথ খোঁজার চেষ্টা করছেন। কিন্তু সেটা কি? এখানেই কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আগামী দিনে আওয়ামী লীগ কিভাবে কাজ করবে, তারই বার্তা দেবেন শেখ হাসিনা। পাশাপাশি আদেও শেখ হাসিনার অনুপস্থিতিতে যে বিচার সম্পন্ন হয়েছে, সেই বিচার প্রক্রিয়া নিয়েও হয়তো বার্তা দিতে পারেন। আদেও কি বার্তা দেন, সেটাই দেখার।
আবার বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে ফিরে এসেছে ডিপ স্টেট। জুলাই অভ্যুত্থান ও পরবর্তী পর্যায়ে হাসিনা সরকারের পতনের পর এসেছিল ডিপ স্টেটের...
Read more












Discussion about this post