ঠিক কোন পরিস্থিতির জন্য বাংলাদেশে অবস্থিত ভারতীয় কুটনীতিকদের পরিবারের সদস্যদের ফিরিয়ে নিচ্ছে ভারত? এটি কিসের ইঙ্গিত?ভারতের গোয়েন্দারা জানিয়েছে যে, সে দেশে ভারতীয় কূটনিতীকদের পরিবারের মহিলা এবং শিশুরা সুরক্ষিত নয়। তাই তাদের দেশে ফেরানো হয়েছে। যদিও এটি পর্দার সামনের ছবি। কিন্তু পর্দার পিছনে ভারতও বাংলাদেশ নিয়ে কি ভাবছে, বা দুই দেশের রাজনৈতিক এবং কূটনৈতিক বিশ্বাস যোগ্যতার দ্রুত অবনমনের ফলে, যুদ্ধের মত কোন পরিস্থিতি তৈরী হয়েছে কিনা, তা কেউ বলতে পারবে না। দুই দেশের যুদ্ধটা জলের নল থেকে বন্দুকের নলে গড়াই কিনা, তাও বলা মুশকিল। ভারতীয়দূতাবাসগুলিতে উগ্রবাদীদের যে ধরণের হামলা হয়েছে এবং এই জঙ্গী সরকার যেভাবে তাদের ন্যূনতম প্রতিরোধ করতে ব্যর্থ হয়েছে, অথবা তাদের ইচ্ছে করেই আগ্রাসন দেখানোর সুযোগ দিয়েছে। এর থেকে বাংলাদেশে অন্য দেশের কূটনিতিদের নিরাপত্তা নিয়ে যে ধারণা, সেই ধারণা ভাঙার দায়িত্ব বাংলাদেশ সরকারেরই, অন্য কোন দেশের নয়। ফলে ভারতীয় কূটনিতীকদের পরিবারকে ফেরানো নিয়ে অনেকেই বলবেন এটি বাংলাদেশের উপর চাপ সৃষ্টির নতুন কৌশল। কিন্তু সাবধানীরা একটু ভেবে দেখবেন যে এর পিছনে কি শুধুই চাপ সৃষ্টি নাকি বাংলাদেশের পরিস্থিতি সত্যিই খারাপ হচ্ছে। বাংলাদেশ নিয়ে ভারতের গোয়েন্দাদের কাছে এমন কোন রির্পোট আছে? যাতে এখন যা ঘটছে তা কেবলমাত্র ছাই চাপা আগুন থেকে ধোঁয়া বেরানোর মত ঘটনা। ছাইয়ের নিচে যে বিষ্ফোরক আছে, তার বিস্ফোরণ ঘটলে যে ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে তা সামাল দেওয়ার ক্ষমতা এই সরকারের নেই। যারা জুলাইয়ের পক্ষ্যে তারাও জানে বিদেশী টাকা আর মিথ্যে আবেগ দিয়ে, কাউকে আবুসইদ বা ওসমান হাদি বানানো যায়। কিন্তু আবেগ দিয়ে দেশ চালানো যায় না। আর এই সরকার জানে তারা বেশী দিন থাকবে না, তাই তারা জনগনকে খুশি করার মত বক্তব্য দিয়ে হাততালি কুড়াই। কিন্তু আজ পর্যন্ত তাদের কোন কাজটি দেশকি উন্নতির পথে নিয়ে গেছে তা কমেন্টে জানালে খুশি হব। যারা বলবেন বাংলাদেশ অস্ত্র কিনে সামরিক দিক থেকে স্বনির্ভর হতে চাইছে। তাদের বলি অস্ত্রের প্রয়োজন নিশ্চয় আছে, তবে যদি যুদ্ধের আশঙ্কা থাকে তবে। বাংলাদেশের জন্য কোন দেশের সঙ্গে যুদ্ধের কোন আশঙ্কা নেই। মায়ানমারের সঙ্গে মাঝে মাঝে যে দু-একটি বিক্ষিপ্ত ঘটনা ঘটছে সেটিও ঐ চীনের অস্ত্র বিক্রি করার কৌশল, মানে চীনের ইশারাতেই মায়ানমার বাংলাদেশকে ভয় দেখাচ্ছে। অর্থাৎ এটি বর্তমান সরকারের কূননৈতিক ব্যর্থতা। এবং ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ থাকার ফল। আগে নিজের দেশের জনগনের খাবারের ব্যবস্থা করে তার পর অস্ত্র কেনা উচিৎ। যদিও বাংলাদেশের, চীন রাশিয়া এবং ভারতের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ঠিক থাকলে আর অন্য কোন দেশের সঙ্গে যু্দ্ধের ভয় থাকেনা। যেটি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খুব ভালোভাবে করতে পেরেছিলেন। ফলে যুদ্ধের অস্ত্রের পিছনে অর্থ নস্ট না করে,তিনি দেশের উন্নতি ঘটিয়েছিলেন। এখন অনেকেই বলছে আওয়ামীলীগ ভয়ে দেশ ছাড়া, যারা দেশে আছে তাদের সঙ্গে কি করেছেন বা করে চলেছেন? মিথ্যে মামলা জেলের মধ্যে হত্যা আর অধিকাংশ নেতা কর্মীদের খাবারে বিষাক্ত রাসায়নিক মিশিয়ে ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া ছাড়া। আর যতক্ষন না তাদের মৃত্যু নিশ্চিত হচ্ছে, ততক্ষন তাদের হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে না। আর সেখানে গেলে তাদের মৃত্যুকে হার্টঅ্যাটাক বলে চালিয়ে দিচ্ছেন। কিন্তু সাধারণ আওয়ামীলীগের কর্মীরা এবার রাস্তায় নামলে তাদের সামলাতে পারবে না এই সরকার। আর সেই দিন খুব দ্রুত এগিয়ে আসছে, সোজা কথায় বললে আর একটা মুক্তি যুদ্ধের দিকে যাচ্ছে বাংলাদেশ। যে কারণে ভারতের গোয়েন্দারা জানিয়েছে যে সে দেশে ভারতীয় কূটনিতীকদের পরিবারের মহিলা এবং শিশুরা সুরক্ষিত নয়। তাই তাদের দেশে ফেরানো হয়েছে। যদিও এটি পর্দার সামনের ছবি। কিন্তু পর্দার পিছনে ভারতও বাংলাদেশকে নিয়ে কি ভাবছে তা কেউ বলতে পারবে না। তবে বাংলাদেশে যাই হোক না, পাকিস্তানের জন্য সবই ৭১এর বদলা। যদি তারা জামাত কে দিয়ে বাংলাদেশের দখল নিতে পারে তবে তাদের প্রতিশোধ নেওয়ার যে টুকু বাকী আছে তা পূর্ণ করতে পারবে। আর যদি আওয়ামীলীগ অথবা বিএনপি পথে নেমে তাদের প্রতিরোধ করে, সেই প্রতিরোধের কারণে যে ধরণের ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি বাংলাদেশে ঘটবে, তাতেও পাকিস্তানের প্রতিশোধ নেওয়াটা পূর্ণ হবে।












Discussion about this post