২০২৪ সালে শেখ হাসিনা বাংলাদেশ ছাড়ার পর থেকে বাংলাদেশের অন্তবতী সরকার দেশ চালাচ্ছে। মুহাম্মদ ইউনূস ক্ষমতায় আসার পর থেকে বাংলাদেশের পরিস্থিতিও একেবারেই বদলে গিয়েছে। খুন থেকে শুরু করে একের পর এক ঘটনা বাংলাদেশে ঘটছে। ইউনূস আসার পর জনতা ভেবেছিল দেশ হয়তো আগের থেকে অনেক ভালো মত চলবে। কিন্তু সরকার আসার পর থেকে পটপরিবর্তন হয়েছে। ইউনূস নিজে ক্ষমতায় থাকতে একাধিক অন্যায়ের বিরুদ্ধে মুখ খুলেননি। যারা দোষ করেনি তাদের শাস্তি দিয়েছে মুহাম্মদ ইউনূস। জনতা এবং বিরোধী দলগুলি চেয়েছিল ২০২৫ সালে নির্বাচন হোক কিন্তু ইউনূস সেই কথআয় কর্ণপাত করেনি। সামনেই রয়েছে বাংলাদেশে নির্বাচন। নির্বাচনে আওয়ামী লীগ অংশগ্রহণ করতে পারবে না। আওয়ামী লীগের নেত্রী শেখ হাসিনা তিনি দলের নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে বার্তা দিয়ে চলেছেন। তাতে বেশ অনেকটাই খুশি ইউনূস। ইউনূসের আমলে বাংলাদেশের অর্থনীতি অনেকটাই ভেঙে পড়েছে। সে দেশের সরকার ক্ষতির মুখে পড়েছে। অনেক ঋণের মধ্যেও পড়েছে বাংলাদেশ। তারপর ইউনূসের বরাবর ভারত-বিদ্বেষী মনোভাব। ভারতের হয়ে একের পর এক বিস্ফোরক মন্তব্য করেছে। অনেক ভাবছে ভারত তো কিছুই করলো না,, কিন্তু ভারত অনেক কিছুই করেছে যা জনসমক্ষে নয় পিছনে পিছনে অনেক কিছুই করেছে। ভারতের প্রত্যেকটি বিষয় নিয়ে বাংলাদেশ ব্যঙ্ক করেছে। জাতীয় সঙ্গীত থেকে শুরু করে জাতীয় পতাকা, মানচিত্র, ভারতবর্ষের নাগরিক, প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে সব কিছুতেই ব্যঙ্গ করেছে ইউনূসের সরকার। পাশাপাশি, ভারতবর্ষের আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়েও ব্যঙ্গ করা হয়েছে। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে একের পর এখ হুমকি দেওয়া হয়েছে সেটাও আমরা দেখেছি। সেভেন সিস্টারস দখল করব, দিল্লি দখল করব, পশ্চিমবঙ্গ দখল করব, চিকেন নেক দখল করব কতকিছু বলা হয়েছে বাংলাদেশের তরফ থেকে। ভারতকে হুমকি দিয়ে পাকিস্তানের সঙ্গে হাত মিলিয়েছে বাংলাদেশে। পাকিস্তানও সঙ্গ দিয়েছে বাংলাদেশের পাশে যে তারা রয়েছে। ভারতবর্ষ বাংলাদেশের হ্রৎপিণ্ড ছিন্নবিচ্ছিন্ন করে ফেলেছে। এবার বলি বাংলাদেশের হ্রৎপিণ্ড কী? প্রত্যেকটি দেশের হ্রৎপিণ্ড সে দেশের অর্থনীতি। অর্থনীতি যদি ঠিক জায়গায় থাকে তাহলে সেদেশ স্বাভাবিক ভাবে এগোতে পারে। যদি কোনও কারণে অর্থনীতির চেন ভেঙে পড়ে সেক্ষেত্রে সেই দেশ কোনও ভাবেই স্বাভাবিক ভাবে চলতে পারে না। বাংলাদেশের শ্রমিকদের ওপর অত্যাচার চালানো হত। তারা সেখানে ভালো নেই প্রবাসী শ্রমিকদের পরিবারের তরফ থেকে বলা হচ্ছে। ভারত সরকারের কাছে আবেদন করা হচ্ছে যাতে তারা এদেশে খুব জলদী ফিরতে পারে। ইউনূস শ্রমিকদের ওপর ত্যাচার চালাচ্ছে। তাদেরকে ঠিকমত খেতে দিচ্ছে না, বেতন দিচ্ছে না। বাংলাদেশের পাসপোর্ট দিয়ে কোথাও আর যাওয়া যাচ্ছে না। বাংলাদেশের পাসপোর্ট দেখলে অনেকে জঙ্গি হিসেবে তকমা দেয়। আপনি যে জঙ্গি নন সেটা প্রমাণ করে তারপর আপনাকে যেতে হবে। আমি বলছি না যারা ভুক্তভোগী তারাই জনিয়েছে। ভারতবর্ষ থেকে শ্রমিকরা বিভিন্ন দেশে যেতে পারে। কিন্তু বাংলাদেশ থেকে শ্রমিকরা কোথাও কাজের জন্য যেতে পারবে না। কারণ কোনও জঙ্গি সমর্থিত দেশে নাগরিকদের কোথাও কেউ কাজে নেবে না পশ্চিমের দেশগুলি বা মধ্য প্রাচ্য। পাকিস্তান , সৌদি আরব অনেক কিছুই বাংলাদেশ দেবে বলেও দেয়নি। শুধুমাত্র মুখেই বলেছে। বাণিজ্যিকভাবে ভারত বাংলাদেশকে পঙ্গু বাণিয়ে দেবে। ভারত এবার বাংলাদেশকে এমনভাবে বেকায়দায় ফেলবে বাংলাদেশের অর্থনীতি ভেঙে পড়বে। বাংলাদেশের অর্থনীতিকে ভাঙার জন্য যা যা করার সবটাই ভারত করবে। এটাই হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীরক ক্যারিশ্মা। সব সহ্য করে আস্তে আস্তে শোধ তুলবে। তখন আর বাংলাদেশের কিছু করার ক্ষমতা থাকবে। সেদেশের হাঁটু ভেঙে যাবে। নোবেলজয়ী অর্থনীতি বিদ মুহাম্মদ ইউনূসের থেকে প্রধানমন্ত্রী বুদ্ধি এবং অন্যান্য দেশের সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থা, মাধ্যম অনেক ভালো। শেষ পর্যন্ত এই জল কতদূর এগোয় দেখার।
আবার বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে ফিরে এসেছে ডিপ স্টেট। জুলাই অভ্যুত্থান ও পরবর্তী পর্যায়ে হাসিনা সরকারের পতনের পর এসেছিল ডিপ স্টেটের...
Read more












Discussion about this post