এই ভোটের অধিকার লাভের জন্যই তো জুলাই আন্দোলোন। সেনাপ্রধান থেকে মহম্মদ ইউনূস সবাই নতুন ঈদ পালনে ব্যস্ত। সেনাপ্রধান বলছেন খুব শান্তিতে ভোট হয়েছে, এই দিনটির জন্যই অপেক্ষা করছিলেন তিনি।।
যদিও জানা যাচ্ছে তার নিজের এলাকাতেই এত অশান্তি যে সেখানে সেনা বিজিবি নৌবাহীনির সদস্যদের পাঠিয়েও অশান্তিকে আয়ত্বে আনা যায়নি। তবে এই নিয়ে বেশী কিছু বলার কি আছে। আমাদের তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলিতে এই অশান্তি ভোট লুঠ এগুলিই তো কালচার। হাসিনার সময়ে দিনের ভোট রাতেই হয়ে যেত, আর নতুন বন্দোবস্তে কে রাত পর্যন্ত অপেক্ষা করে বলুন তো। তাই সন্ধ্যেতেই ভোট দেওয়া থেকে ভোট গননা সব শেষ। তবে রেজাল্ট কেউ বলতে পারবে না। তার কারণ হল এই যে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ভোটার শূন্য ভোট কেন্দ্র পরিদর্শন করে গেলেন, কিন্তু তারাও খুব একটা উচ্চ বাচ্য করবেন না, তাদেরও কোন একটা যুক্তি দেখানো হবে। তাছাড়া তাদের মাথা ব্যাথা হল বাংলাদেশ তাদের থেকে বোয়িং বিমান কিনছে কিনা সেই বিষয়টিই মূল। অন্য কিছু তাদের কাছে কোন ব্যাপার নয়। আর এই সব ইউনূস সাহেব জানেন বলেই তিনি বলেছেন, আজ বাংলাদেশের নতুন জন্মদিন, তিনি সবাই কে ঈদের শুভেচ্ছাও জানিয়েছেন। এই সব তো ঠিক আছে কিন্তু এই যে ভোট কেমন হল তা তো অনেক জায়গায় সাহসের সঙ্গে কিছু সাংবাদিক দেখিয়েছেন। জানিনা তাদের সঙ্গে কি হবে। তবুও তাদের সাহসের প্রশংসা করতেই হয়। জামাত, ইউনূস,সেনাপ্রধান এরা সবাই ভোট নিয়ে খুশি হলেও, দ্বিধায় থাকলেন তাসনিম জারা এবং বিএনপি তারেক জিয়া। যদিও ইউনূস সাহেবের কথায় আজ থেকে বাংলাদেশের সমস্ত দুখ দুঃস্বপ্নের দিন শেষ, তাই আপনারাও তার মত ঈদ পালন করুন।
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস রাজধানীর গুলশান মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন। ভোট দিয়ে তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, আজ নতুন বাংলাদেশের জন্মদিন। আজ তাঁর জীবনের মহা আনন্দের দিন। বাংলাদেশের সবার জন্য মহা আনন্দের দিন। মুক্তির দিন। দুঃস্বপ্নের অবসান, নতুন স্বপ্নের শুরুর দিন। সবাইকে মোবারকবাদ জানাচ্ছেন তিনি। ঈদ মোবারক।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬–এর ভোট গ্রহণ আজ বৃহস্পতিবার চলছে। সকাল সাড়ে ৭টায় দেশের ২৯৯টি সংসদীয় আসনে একযোগে এই ভোট গ্রহণ শুরু হয়। বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোট গ্রহণ চলবে। মুহাম্মদ ইউনূস সকাল ১০টা ২৫ মিনিটের দিকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জুলাই জাতীয় সনদের ওপর অনুষ্ঠিত গণভোটে তাঁর ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। এর আগে সকাল ১০টা ২০ মিনিটে তিনি ভোটকেন্দ্রে পৌঁছান। ভোট দিয়ে মুহাম্মদ ইউনূস সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আজকে নতুন বাংলাদেশের জন্মদিন। সারা দিন এই জন্মদিন উৎসব পালন করব। এটার মাধ্যমে যে প্রক্রিয়া এখান থেকে শুরু হলো, এর মাধ্যমে আমরা অতীতকে বর্জন করলাম। যেসব দুঃস্বপ্নময় অতীত ছিল, সেগুলো সম্পূর্ণরূপে বর্জন করলাম। আজকে থেকে আমরা প্রতিটি পদে নতুন বাংলাদেশ সৃষ্টি করার সুযোগ পেলাম।’মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ‘আজকে জন্মদিন পালন করি আমরা সারা দিন। সবাই মিলে উৎসব করি এবং এটা আরও নিশ্চিত হবে গণভোটটা দিয়ে। প্রার্থীর জন্য আমরা ভোট দিলাম, সেটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু গণভোটটাও খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সারা বাংলাদেশ পাল্টে যাবে। সবাইকে আহ্বান জানাচ্ছি গণভোটে অংশ নেওয়ার জন্য, যাতে আমরা নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারি।’












Discussion about this post