সারজিস আলম নাসিরউদ্দিনরা বিএনপিকে হুমকি দিচ্ছে এক মাঘে শীত যায় না। তারা আবার আন্দোলোন করে বিএনপিকেও আওয়ামীলীগের মত দেশ ছাড়া করবে। সারজিস মনে হয় বুঝতে পারছে না, এই বিএনপি শুধু তাদের এক মাঘেই পিটাবে না, তারা এখন পাঁচ পাঁচটি মাঘ মাস পর্যন্ত এই এনসিপিকে পেটাবে। সব শেষে পেটাবে, ভোর বেলা হাসের মাংস খেতে যাওয়া আসিফ মাহমুদকে। এক মাঘে শীত যায় না এই কথাটি এখন তাদের নিজেদের জন্যই খাটে, বিএনপি তো আপাতত পাঁচ পাঁচটি মাঘ পার করবে এনসিপিকে পেটাতে পেটাতে। তাছাড়া এখনও তো সরকার গঠনই হয়নি। যদিও ইউনূস সাহেব চাইছিলেন যে এই ছাত্রদের দিয়ে ঝামেলার গল্প ফেঁদে যদি ক্ষমতার হস্তান্তর কিছুটা আটকানো যায়। কারণ নির্বাচনের পর দিনই প্রতিবেশী সব দেশ থেকে তারেক রহমানকে বিজয়ের শুভেচ্ছা বার্তা দেওয়া হলেও, ইউনূস সাহেবে দু-দিন অপেক্ষা করেছেন, তারেক রহমানকে জয়ের শুভেচ্ছা দিতে। তিনি যখন দেখলেন জামাতের আমির শফিকুর রহমানও নিজেদের বিরোধী হিসাবে তুলে ধরে বিএনপির জয় কে মেনে নিচ্ছেন, তখন ইউনূস সাহেবে তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানাতে এক রমক বাধ্য হয়েছেন। ফলে এর পর কোন রীতি নীতি মেনে হস্তান্তর হয় সেটি পরের বিষয়। কিন্তু এই ছাত্রনেতারা এতদিন ধরে যেখানে যা খুশি করে বেড়িয়েছে। যে কোন নেতার ঘর ভাঙা থেকে শুরু করে চাঁদাবাজি, এমন কি চাঁদাবাজি করতে গিয়ে ধরা খেলে এই হাসনাত এবং সারজিসরা সরাসরি স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাকে ঘেরাও করে, চাঁদাবাজদের ছেড়ে দিতে বাধ্য করেছে। এখন আর সেই সুযোগ তো নায়ই, উল্টে তাদের ডাকে আর কেউ রাস্তায় আসছে না। ফলে তাদের এখন নিজেদের পিঠ নিজেদেরই বাঁচাতে হবে।যদিও হাসনাত এই সব থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়ে এখন ছুটি কাটানোর মুডে আছে। ফলে এনসিপির কর্মী সমর্থকদের বাঁচানোর দায়িত্ব এখন সারজিস আর আসিফের উপর এসেছে।
জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া অভিযোগ করেছেন, সারাদেশের বিভিন্ন স্থানে এনসিপি এবং ১১ দলীয় জোটের নেতাকর্মীদের উপর হামলা করা হচ্ছে।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বিকালে এক ফেসবুক পোস্টে তিনি এ অভিযোগ করেন।
পোস্টে নির্বাচনে বিজয়ীদের উদ্দেশে তিনি বলেছেন, ‘যারা বিজয়ী হয়েছেন তারা আপনাদের নেতাকর্মীদের নিয়ন্ত্রণ করুণ। গণতান্ত্রিক উত্তরণের শুরুটাই যদি বিরোধীদল ও মতের মানুষদের নিপীড়নের মধ্য দিয়ে হয় তা আমাদের জন্য লজ্জাজনক হবে।’
এদিকে আজ রাতে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আকতার হোসেনও ফেসবুকে একই ধরনের অভিযোগ করেছেন।
তিনি লেখেছেন, বিকাল থেকে হারাগাছে বিএনপির সন্ত্রাসীরা মাইকে ঘোষণা দিয়ে এনসিপির নেতাকর্মীদের ধরে ধরে আক্রমণ করছে। মারধোর করে রক্তাক্ত করছে। অনেকগুলো বাড়িঘরে ভাঙচুর চালিয়ে স্বর্ণালংকার, টাকা লুটপাট করেছে। মোটরসাইকেল ভাঙচুর করেছে৷ আগুন দিয়ে বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেওয়ার হুমকি দিচ্ছে। ক্ষমতায় আসতে না আসতেই বিএনপি হারাগাছে সন্ত্রাস শুরু করেছে। একদিকে বিএনপির বিরুদ্ধে নির্বাচনের ফল কারচুপি এবং ফল ঘোষণার পর বিরোধী নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা–নির্যাতনের অভিযোগ করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। দমন-পীড়ন বন্ধ না হলে রাজপথে কর্মসূচি দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দলটির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে রাজধানীর বাংলামোটরে দলের অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের ফলাফল কারচুপি করা হয়েছে। ফল ঘোষণার পর বিরোধী নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা, মারধর ও বাড়িঘরে আগুন দেওয়া হচ্ছে। দমন-পীড়ন চলতে থাকলে আমরা রাজপথে কর্মসূচি দিতে বাধ্য হব।’
তিনি বলেন, ‘শুধু বিরোধী জোট নয়, বিভিন্ন স্থানে বিদ্রোহী প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার কারণেও হামলা ও বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটছে। মনে হচ্ছে দেশে যুদ্ধাবস্থা চলছে।’ এই সব দেখে বলতে হচ্ছে আপনাদের কর্মফল এখন আপনাদের দিকেই ফিরে আসছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ঠিক তিনদিন আগেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের শুল্ক চুক্তি স্বাক্ষর নিয়ে আজও আলোচনা হচ্ছে। বাংলাদেশে গত...
Read more












Discussion about this post