বিদায় নিয়েছে অন্তবর্তী সরকারের প্রধান মুহাম্মদ ইউনূস। বর্তমানে বাংলাদেশে বিএনপির সরকার গঠন হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন তারেক রহমান। তারেক রহমান সিংহাসনে বসার পর থেকে সেখানকার মানুষেরা তারা আবারও নতুন করে ভালো থাকার স্বপ্ন দেখেছে। ইউনূসের সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে ভারত বিদ্বেষী মন্তব্য তাঁর মুখে একাধিকবার শোনা গিয়েছে। ভারত সরকারও কম হুশিয়ারী দেয়নি। কিন্তু এখন প্রশ্ন বিএনপির সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক কেমন হবে? এই প্রশ্নটাই রাজনৈতিক মহলে ঘোরাফেরা করছে। শনিবার ভোটে জয়ী হয়ে প্রথম সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন তারেক রহমান। তিনি বলেন, বাংলাদেশ তার কৌশলগত স্বাধীনতা বজায় রাখবে এবং কারও প্রতি কোনও পক্ষপাতিত্ব করব না। দেশের স্বার্থই সবার আগে। প্রতিবেশী দেশগুলির সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রাখা হবে। আওয়ামী লীগ এবং বিএনপি জোট বাঁধবে কিনা সেটা তো সময় বলবে। গত দেড় বছরে যে একাধিক ঘটনা ঘটেছে বাংলাদেশে সেই বিষয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, “আমার বক্তব্য স্পষ্ট, যেকোনও মূল্যে শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে হবে। কোনওরকম অন্যায় কিংবা বেআইনি কর্মকাণ্ড আমরা বরদাস্ত করব না। দলমত, ধর্ম নির্বিশেষে কোনও অজুহাতেই দুর্বলের উপর সবলের আক্রমণ আমরা মেনে নেব না। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা না হলে আমাদের সকল প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়ে যেতে পারে। প্রতিটি নাগরিকের জন্য আইন সমান।” অন্যদিকে, খলিলুর রহমান বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে নিয়ে দেশের মানুষ একাধিক সময়ে এখন আলোচনা চলছে।অনেকে আবার সমালোচনা করছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী হওয়ার পর থেকে ভারত সবসময় সতর্ক রাখছে। পদ্মাপাড়ে ভারতের নজর সবসময় ছিল, আছে থাকবে। বাংলাদেশের নতুন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছে চীন ও ভারত। পৃথক শুভেচ্ছাবার্তায় দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করতে তার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন বলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। এক সংবাদমাধ্যমের তরফে খলিলুর রহমানকে নিয়ে বলেন, এক কথায়, আজ শপথ নেওয়া বাংলাদেশের নতুন মন্ত্রিসভায় রয়েছে এমনই সব রাজনৈতিক পাঁচফোড়ন, যা নিয়ে এখনই নাড়াচাড়া করতে চাইছে না সাউথ ব্লক। বরং সতর্ক নজর রাখতে চাইছে, অদূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশ সরকারের অগ্রগতির দিকে। ভারত চিন্তিত। কিন্তু হঠাৎ করে ভারত কেন চিন্তিত? তাহলে কী খলিলুর রহমানকে ভারতের পছন্দ না। একটি দেশের পররাষ্ট্রম্নত্রী কে হবেন সেটা আরেকটি দেশের পছন্দেরই বা কেন হতে হবে ? প্রশ্ন উঠছে বিভিন্ন মহলে। ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর তার শুভেচ্ছাবার্তায় বলেন, পারস্পরিক উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির লক্ষ্যে তিনি বাংলাদেশের নতুন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী। উল্লেখ্য, মঙ্গলবার সকালে অন্তর্বর্তী সরকারের নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান পদত্যাগ করেন এবং বিকেলে বিএনপি সরকারের মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবে শপথ নেন। তাকে টেকনোক্র্যাট কোটায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী করা হয়েছে। ভারত আমেরিকা দুজনেই চাইছে তারেক রহমানের সঙ্গে একটা ভালো সম্পর্ক তৈরী হোক। এখন দেখার কূটনাতিক দিক থেকে কোন দিকে এগোয়।












Discussion about this post