বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা আবার চালু করতে যাচ্ছে ভারত। বাংলাদেশ ভারত রেল যোগাযোগও শুরু হচ্ছে শীঘ্রই। এবার ঈদের শপিং করতে কলকাতার নিউ মার্কেটে যদি বাংলাদেশিদের ঢল নামে, তাতে অবাক হওয়ার কিছুই থাকবে না। অনেক দিন পর বাংলাদেশে শান্তি ফিরবে বলা যেতে পারে। ইউনূস থাকাকালীন বাংলাদেশ অনেক ঘটনার সাক্ষী। খুন থেকে শুরু করে একাধিক বিষয়ে, জ্বালা, যন্ত্রণায় মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিল িউনূসের আমলে। যারা দোষ করেনি তারাও পেয়েছে শাস্তি ইউনূসের আমলে। তারেক রহমান আসায় মানুষের প্রত্যাশাও অনেক। কিন্তু এই সরকারকে ব্যর্থ করে দিতে অনেক গুলো বাহিনী কাজ করছে একসঙ্গে। তারেক রহমানের মসনদে কাটা বিছিয়ে দিতে প্রস্তুত জামাত। অন্যদিকে আওয়ামী লীগ চায় বিএনপি ব্যর্থ হোক। একদিকে আইনশৃঙ্খলা অন্যদিকে অর্থনৈতিক সংকটে বিপদে বাংলাদেশ। বৈদেশিক বিনিয়োগ প্রায় তলানীতে, প্রচুর ঋণ আছে। গত ১৮ মাসে যা যা করে গেছে ইউনূস এত চাপ সামলাবে কী করে তারেক এই প্রশ্নটাও এখন সামনে আসছে। এরই মদ্যে ভারত তারেক রহমানের দিকে হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। এরই মধ্যে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক পুর্নমূল্যায়নের কথা জানিয়েছে ভারত। ১৭ ফেব্রুয়ারী ভারতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে চিঠিতে লিখেছেন, ভারত ও বাংলাদেশ সত্যিকার অর্থে একে অপরের উন্নয়নের প্রভাবক হতে পারে, একে অপরের নিরাপত্তার জন্য কাজ করতে পারে এবং পারস্পরিক সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে পারে। একই সঙ্গে বাংলাদেশ ভারতকে জানিয়েছে নতুন করে তারা সম্পর্ক বিবেচনা করবে। কিন্তু কীভাবে ? প্রথমেই বলি ভিসার কথা। প্রায় দেড় বছর ধরে বাংলাদেশের জন্য ভিসা বন্ধ রেখেছে ভারত। মেডিক্যাল এবং বিসনেস ভিসা ছাড়া বাকি পথ সব বন্ধ। আবার ভারতীয় দের জন্য বাংলাদেশীদের ভিসা সীমিত করেছে বাংলাদেশ। এই অবস্থায় দেশের মধ্যে যাতায়াত এবং যোগাযোগ অনেক অনেক কম। কূটনৈতিক সূত্রে জানা গিয়েছে, ভিসা চালু করে দুই দেশের সঙ্গে আবার স্বাভাবিকভাবে যোগাযোগ বাড়বে। এরই মদ্যে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে, ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে রেলের যোগাযোগের ব্যাপারে খুব তাড়াতাড়ি নেওয়া হবে সিদ্ধান্ত। আশা করা যায়, ভারত-বাংলাদেশ রেল যোগাযোগ পুনরায় চালুর বিষয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে বলে জানিয়েছেন সড়ক, রেল ও নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি জানান, ‘দেশের স্বার্থ বিবেচনায় ১৫ দিনের মধ্যে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসতে পারে।’ তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী রেল খাতে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন। দেশের ভেতরেই ইঞ্জিন ও বগি তৈরি করা সম্ভব কি না, তা খতিয়ে দেখার নির্দেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে টেন্ডার প্রক্রিয়ায় সমন্বয় আনার মাধ্যমে দ্রুত প্রকল্প বাস্তবায়নের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।’ অন্যদিকে, বাংলাদেশে কর্মসংস্থান বাড়াতে হলে ব্যাপক বিনিয়োগ দরকার। কাজেই ভারতের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করা বাংলাদেশের কাছে ছাপের। অন্যদিকে, ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক যদি ভালো হয় তাহতে আওয়ামী লীগ আবারও বাংলাদেশে ফিরলেও ফিরতে পারে। ইতিমধ্যেই আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অফিস খুলে দেওয়া হয়েছে। অনেক জায়গায় বিএনপির নেতারা পাশে থেকে অফিস খুলতে সাহায্য করেছেন। তবে ভারত চায় আওয়ামী লীগের নেতারা বাংলাদেশে ফিরে যাক। ভারতের দিকে কমুক অভিযোগের তীর। শেখ হাসিনা ছাড়া অন্যান্য নেতাদের হয়তো বা পরে ভারত ছেড়ে ফিরে আসতে হবে। কেউ কেউ হয়তো চলে যেতে পারেন অন্য দেশে। তবে দেশে যেই আসুক ক্ষমতায় পিরতে পারছে না আওয়ামী লীগ। এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে,আগামী ১০ বছর বিএনপি সরকারের সঙ্গে কাজ করতে হবে ভারতকে। কারণ আওয়ামী লীগ যদি আবারও ক্ষমতায় আসে তার জন্য নির্বাচন দরকার একেবারেই গ্রাউন্ড জিরো থেকে শুরু করতে হবে তাদের কাজ। এসব বুঝতে পেরই বিএনপির সঙ্গে সম্পর্ক তৈরী করতে চায় ভারত।












Discussion about this post