সাবেক উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে অন্তত চারটি মামলার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হাফিজুর রহমান কার্জন, যাকে অন্যায়ভাবে মহম্মদ ইউনূস গ্রেফতার করে জেলে রেখেছিলেন। এইবার তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, ইউনূসের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতা, সংবিধান লঙ্ঘন…এই বিষয়ে অন্তত চারটি মামলা হতে পারে। এগুলি তিনি করবেন। এই মামলা যদি হয়, তবে ঠিক যেমনটা চিন্ময়কৃষ্ণ প্রভুর বিরুদ্ধে মুহাম্মদ ইউনূস এনেছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধেও রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ ওঠে। যে কারণে তাঁকে এখনও জেলে রাখা হয়েছে। এইবার সেই একই মামলা আনা হচ্ছে মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে। গত দেড় বছর বা ১৮ মাস ধরে বাংলাদেশে মুহাম্মদ ইউনূস যা খুশি তাই করেছেন। তিনি মব প্রতিষ্ঠা করেছেন ছাএদের দিয়ে। যে ছাত্ররা বাংলাদেশ মানুষের স্বার্থে কাজ করব বলেছিল, তাদের দিয়ে তিনি মব প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছেন। সরকারি পৃষ্ঠপষকতায় ছাত্রদের জন্য একটি রাজনৈতিক দল গঠন করেছেন। এমনকি সেই দলকে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ তৃতীয় শক্তিশালী দলে পরিণত করেছেন। ইউনূস জমানার ইতি ঘটতেই চতুর্দিকে নানা অভিযোগ উঠে আসে। ঠিক সেই সময় হাফিজুর রহমান কার্জন তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করবেন বলে জানিয়েছেন। তবে কি শেষ জীবনটা কারাগারে কাটবে ইউনূসের?
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনের অধ্যাপক হাফিজুর রহমান ইউনূসের বিরুদ্ধে চারটি মামলা করবেন বলে জানিয়েছেন। শুধু ইউনূস নন, তার সরকারের অধীনে থাকা উপদেষ্টামণ্ডলীদের বিরুদ্ধেও মামলা হবে। একটি অনুষ্ঠানে এমনটাই জানিয়েছেন। কিন্তু যে চারটি মামলার কথা তিনি বলছেন, সেগুলি কি কি? হাফিজুর রহমান কার্জন বলেছেন, ইউনূস ও গং-দের বিচার হওয়া উচিত কয়েকটি কারণে। একটি সংবিধান লঙ্ঘন। আর একটি রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্ব বিপন্ন করাই ইউনূস ইউএসের সঙ্গে যে চুক্তি করেছে, সেই সব চ্যালেঞ্জ করে আর একটি মামলা করা যেতে পারে। তিনি বলেন, আর একটি মামলা করব, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৩২ নম্বরের ভাঙচুর নিয়ে। সেখানে কেন পুলিশ ও সেনাবাহিনী নিয়ে গেল না? এই নিয়ে তিনি মামলা করবেন। উল্লেখ্য, বিগত দিনে যখনই বাংলাদেশ উত্তপ্ত হয়েছে, তখনই ৩২ নম্বরের আক্রমণ করা হয়েছিল। মুক্তিযুদ্ধের যে ইতিহাস, সবটাই মুছে দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে। দেড় বছরে ১৩৩ টি অধ্যাদেশ জারি করেছেন মুহাম্মদ ইউনূস। এই নিয়ে শেখ হাফিজুর রহমান কার্জন বলেন, গত ১৮ মাসে ১৩৩ টি অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছে যা অস্বাভাবিক বিষয়। ১৩৩ টি অধ্যাদেশের মধ্যে ১৩২ টি অনিশ্চয়তায় রয়েছে। রাষ্ট্রপতিকে দিয়ে জোর করে এই অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছিল। রাষ্ট্রপকি অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন। কিন্তু সংবিধানে নেই, এমন কিছু রাষ্ট্রপতি করতে পারেন না। ইউনূস জোর করে সেটা করিয়েছেন। যেগুলি সংবিধান বিরোধী, রাষ্ট্রদ্রোহিতার সমান। তবে কি খুব তাড়াতাড়ি জেলে যাচ্ছেন মুহাম্মদ ইউনূস? কারণ বাকি যে অভিযোগগুলি তাঁর বিরুদ্ধে উঠছে, সেগুলি প্রমাণ করতে পারলেও, সংবিধানবিরোধী বিষয়টি তিনি প্রমাণ করতে পারবেন না। কারণ রাষ্ট্রপতি শাহাবুদ্দিন চুপ্পু নিজেই বাংলাদেশের একটি গণমাধ্যমকে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন। যেখানে তাঁর সঙ্গে কি কি করা হয়েছে, সবটাই তুলে ধরেছেন। কতটা ।ন্ত্রণার মধ্যে ছিলেন, কীভাবে মুখ বন্ধ করে রাখা হয়েছিল, সবটাই জনসমুক্ষে এনেছেন তিনি। পাশাপাশি অধ্যাদেশে জোর করে সই করানো, সেই নিয়েও মুখ খোলেন রাষ্ট্রপতি। এদিকে এই বিষয়গুলি নিয়ে যখন উত্তাল বাংলাদেশ, তখন মুহাম্মদ ইউনূসের উপদেষ্টারা কেউ কেউ দেশ ছেড়েছেন। আবার কেউ কেউ দেশ ছাড়ার জন্য উদ্যোগ নিয়েছেন। ফলে এখন দেেখার, তারেক রহমানের আমলে কোন পথে এগোয় বাংলাদেশ!












Discussion about this post