দুর্নীতির গুদাম। এতোদিন সেই গুদামের দরজা বন্ধ ছিল। তদারকি সরকার বিদায় নিতেই দুর্নীতির সেই কালো গুদাম থেকে বেরিয়ে আসছে একের পর এক কালো বিড়াল। দেড় বছরের মধ্যে একটা সরকারের উপদেষ্টারা যে এই পরিমাণ দুর্নীতি করতে পারে, সেটা বিশ্বাস করাই কার্য়ত কঠিন হয়ে পড়েছে। তদারকি সরকার বলেছিল, তারা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে। সেটাও যে অন্তঃসারশূন্য সেটাও এখন প্রমাণিত হচ্ছে। বাংলাদেশের বিশেষ একটি খবরের গোষ্ঠীকে তদারকি সরকারের কাছে চক্ষুশূল হয়ে উঠেছিল। ইউনূস সরকার বিদায় নিতেই সেই গোষ্ঠী তাদের খবরের কাগজে এবার ইউনূস সরকারের উপদেষ্টাদের পাহাড়প্রমাণ কুকীর্তি কাহিনী ফাঁস করছে। তাদের বিরুদ্ধে দুদকে ইতিমধ্যেই মামলা দায়ের হয়েছে। কোনও কোনও উপদেষ্টা দুর্নীতিতে জড়িত না থাকলেও তাদের পিএসএ কোনও না কোনও দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েছে। শুধু কি তাই? ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় উপদেষ্টাদের বিভিন্ন সুপারিশে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মিলেছে দুর্নীতি আর অনিয়মের ভয়াবহ তথ্য। সদ্য সাবেক উপদেষ্টাদের বিরুদ্ধে শতশত অভিযোগ জমা পড়েছে দুর্নীতি দমন কমিশনে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলি বলছে, জুলাই অভ্যুত্থানের মধ্যে দিয়ে দেশের ছাত্র জনতা বিশ্বাস করে যাদের হাতে ক্ষমতার ভার তুলে দিয়েছিল, অভিযোগের পাহাড় দেখে এখন মনে হচ্ছে তারা যেন সেই সেই ক্ষমতা ও প্রভাব কাজে লাগিয়ে হাত খুলে লুটপাট করেছেন।অন্তর্বর্তী সরকারের আমলেই উপদেষ্টাদের দুর্নীতির বিষয়ে সরব হয়েছিলেন সাবেক সচিব এ বি এম আবদুস সাত্তার। গত বছরের আগস্টে তিনি দাবি করেন, অন্তত আটজন উপদেষ্টার সীমাহীন দুর্নীতির প্রমাণ তাঁর কাছে রয়েছে। যদিও অন্তর্বর্তী সরকার সেসব অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে প্রত্যাখ্যান করে সে সময়। তবে ক্ষমতা ছাড়ার পর সেই ভিত্তিহীন অভিযোগ যেন এখন একে একে ভিত্তি পাচ্ছে।দুদক সূত্রে জানা গেছে, সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসসহ প্রায় সব উপদেষ্টার বিরুদ্ধেই অভিযোগ এসেছে। দায়িত্ব ছাড়ার এক সপ্তাহের মধ্যেই এসব লিখিত অভিযোগ জমা পড়ে। দুর্নীতির অভিযোগ ওঠায় অন্তর্বর্তী সরকারের চার উপদেষ্টা ও এক বিশেষ সহকারীর বিরুদ্ধে তদন্তে নেমেছে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। সাবেক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, ফাওজুল কবির খান, আসিফ মাহমুদ, আদিলুর রহমান খান ও প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) খোদা বখস চৌধুরীর ব্যাংক হিসাব তলব করেছে মানি লন্ডারিং ও অর্থ পাচার তদন্তের দায়িত্বে থাকা এই সংস্থাটি। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলেই উপদেষ্টাদের দুর্নীতির বিষয়ে সরব হয়েছিলেন সাবেক সচিব এ বি এম আবদুস সাত্তার। গত বছরের আগস্টে তিনি দাবি করেন, অন্তত আটজন উপদেষ্টার সীমাহীন দুর্নীতির প্রমাণ তাঁর কাছে রয়েছে। যদিও অন্তর্বর্তী সরকার সেসব অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে প্রত্যাখ্যান করে সে সময়। তবে ক্ষমতা ছাড়ার পর সেই ভিত্তিহীন অভিযোগ যেন এখন একে একে ভিত্তি পাচ্ছে।দুদক সূত্রে জানা গেছে, সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসসহ প্রায় সব উপদেষ্টার বিরুদ্ধেই অভিযোগ এসেছে। দায়িত্ব ছাড়ার এক সপ্তাহের মধ্যেই এসব লিখিত অভিযোগ জমা পড়ে। দুর্নীতির অভিযোগ ওঠায় অন্তর্বর্তী সরকারের চার উপদেষ্টা ও এক বিশেষ সহকারীর বিরুদ্ধে তদন্তে নেমেছে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। সাবেক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, ফাওজুল কবির খান, আসিফ মাহমুদ, আদিলুর রহমান খান ও প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) খোদা বখস চৌধুরীর ব্যাংক হিসাব তলব করেছে মানি লন্ডারিং ও অর্থ পাচার তদন্তের দায়িত্বে থাকা এই সংস্থাটি।
উপদেষ্টাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টগুলো থেকে কোনো অস্বাভাবিক লেনদেন হয়েছে কিনা সে ব্যাপারে সংস্থাটি তদন্ত করছে। দুর্নীতির সবচেয়ে বেশি অভিযোগ উঠেছে সাবেক স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও যুব-ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে। তার একান্ত সহকারী (এপিএস) মোয়াজ্জেম হোসেনের বিরুদ্ধে অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ এত বেশি ছিল যে, উপদেষ্টা পদে থেকেই তাকে বরখাস্ত করতে বাধ্য হয়েছেন।












Discussion about this post