তুলসি গ্যাবার্ডের গলায় হাসিনার প্রশংসা। ইউনূস জমানার তুলোধোনা। মূলত এই হেডলাইনেই চাউর হচ্ছে বাংলাদেশে। পাশাপাশি তিনি হাসিনা সরকারের আমলের প্রশংসা করলেন ঘুরপথে, বলছেন ওয়াকিবহাল মহল।
আসলে শেখ হাসিনার সরকারের পতন হতেই সে দেশে উত্তরোত্তর বেড়েছে সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতন, মন্দির ভাঙচুর, এমনকি রেহাই পাচ্ছে না আওয়ামী লীগ নেতা কর্মীরা। তারা কেউ ভয়ে বাংলাদেশে লুকিয়ে রয়েছেন আর না হয় বিদেশে পালিয়ে গিয়েছেন। অর্থাৎ ভয়াবহ পরিস্থিতিতে পৌঁছেছে বাংলাদেশ। শুধু কি তাই, মোহাম্মদ ইউনুস পরপর জেলে থাকা আসামিদের মুক্তি দিয়েছে। তাদের মধ্যে ছিল জঙ্গি। যারা এখন বাইরে বেরিয়ে এসে বাংলাদেশের সন্ত্রাসবাদ চালাচ্ছে। পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা বা আইএসআই এখন প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে বাংলাদেশের রাস্তায়। দিনে দিনে জঙ্গিদের আখড়া হয়ে উঠছে বঙ্গবন্ধুর সাধের বাংলাদেশ। আর এসব মোটেই ভালো চোখে দেখছে না, ভারত এবং আমেরিকা। এর আগেও বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে উঠবে প্রকাশ করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এবার মার্কিন গোয়েন্দা তুলসি গ্যাবর্ড ক্ষুণ্ন হলেন বাংলাদেশ নিয়ে।
বাংলাদেশের খিলাফত গড়ার ডাক দিচ্ছে বেশ কিছু সংগঠন। এই বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তুলসী বলেন, বাংলাদেশের পরিস্থিতি অত্যন্ত ভয়াবহ। যতদিন এগোচ্ছে বাংলাদেশে উদ্বেগ জনক খবর ছাড়া আর কিছুই পাওয়া যাচ্ছে না। তুলসি গ্যবর্দ সরাসরি বাংলাদেশকে জঙ্গি বিষয় নিয়ে সতর্ক করে দিয়েছেন। রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছেন, এরপর যদি বাংলাদেশ সতর্ক না হয়, তবে আমেরিকা কড়া পদক্ষেপ করবে।
মনে করা হচ্ছে, এই বৈঠক থেকে ঠিক হয়ে গেল আগামী চার বছরের জন্য আমেরিকা ও ভারতের গুরুত্বের বিষয়টি। তবে গোপনীয়তার সঙ্গে প্রথম বৈঠক হল অজিত ডভালের সঙ্গে তুলসি গ্যবাদের। এমনকি জানা গিয়েছে, ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং আরও একটি বৈঠক করেন। সেই বৈঠকে ভারত ও আমেরিকার বিভিন্ন অস্ত্র চুক্তি নিয়ে আলোচনা হতে পারে বলে খবর। তবে সবথেকে বেশি আলোচিত হচ্ছে, তুলসি গ্যাবার্ড এবং অজিত দোভালের বৈঠক।
সূত্র বলছে, এই বৈঠক থেকে ভারত আমেরিকার কৌশলগত বোঝাপড়া করা হয়েছে। পিটিআই একটি প্রতিবেদনে সূত্র কে উদ্ধিত করে বলেছেন, এই বৈঠক ইতিবাচক হয়েছে।
আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক মহলের বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভারত এবং আমেরিকার মাথা ব্যথার একটি ইস্যু সন্ত্রাসবাদ বা অনুপ্রবেশকারী। কোনভাবেই দেশে ঢুকে যাতে অনুপ্রবেশকারীরা বা কোনও জঙ্গি সন্ত্রাসী কার্যকলাপ করতে না পারে, সেই নিয়েই জোরদার নিরাপত্তার কাজ চালানো হচ্ছে। এই বিষয়ে দুই দেশ দুই দেশকে সহযোগিতা করবে বলে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।












Discussion about this post